০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজে শান্তি আনতে ফ্রান্স-ব্রিটেনের বহুজাতিক মিশন — ম্যাক্রোঁর উদ্যোগ, স্টারমারের সমর্থন তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁয়ে গেল — হরমুজ অবরোধে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা পাকিস্তানে মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়ল — যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নতুন স্বাস্থ্যবিমা রাইডারে সাশ্রয়ের আশা, কিন্তু প্রিমিয়াম বৃদ্ধিতে কমছে প্রকৃত লাভ—সিঙ্গাপুরে নতুন বাস্তবতা মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু: ইরানের বন্দরমুখী সব জাহাজ আটকে দেবে যুক্তরাষ্ট্র — তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁই ছুঁই বৃহস্পতিবার রাত থেকে তিন দিন ধীরগতি ইন্টারনেট — রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বাংলাদেশে বিঘ্ন ‘আমি কি হরিণ?’—নিজেকে ও অন্যকে বোঝার এক অদ্ভুত অনুসন্ধান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন দিল ব্রাজিল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি বদলে দিল বিসিবি হাঙরের শরীরে ক্যাফেইন ও কোকেনের চিহ্ন, সমুদ্র দূষণে নতুন আতঙ্ক

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • 163

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজে শান্তি আনতে ফ্রান্স-ব্রিটেনের বহুজাতিক মিশন — ম্যাক্রোঁর উদ্যোগ, স্টারমারের সমর্থন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)