০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬
শীতকালীন হামলা বাড়ায় আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারের আহ্বান ইউক্রেনের গুয়াহাটি থেকে হাওড়া, প্রথম রাত্রিকালীন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের যাত্রা শুরু শিগগিরই হোয়াইট বলের কঠিন মোড়ে পান্ত, মুক্তির পথ কি এখনো খোলা ভিয়েনার নতুন প্রজন্মের ক্যাফে, ঐতিহ্যের গন্ধে আধুনিক স্বাদ চীনের একচেটিয়া দখল ভাঙতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন লড়াই, বিরল ধাতু ঘিরে কৌশল বদলের ইঙ্গিত ফুলবাড়ী সীমান্তে গুলিতে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু,আত্মহত্যার দাবি বাহিনীর কৃত্রিম কণ্ঠে ভুয়া বার্তা, টিকটকে ছড়ানো ভিডিওতে বিপাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বদলের প্রতিশ্রুতি থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের এক বছর নেপলসের পিজ্জা পাহারা দিচ্ছে গোপন বাহিনী, বিশ্বজুড়ে নজরদারিতে ‘খাঁটি’ স্বাদের যুদ্ধ বরখাস্তের লক্ষ্যে যুদ্ধের ভাষা, আইসের নিয়োগে শত মিলিয়ন ডলারের আগ্রাসী অভিযান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • 126

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

জনপ্রিয় সংবাদ

শীতকালীন হামলা বাড়ায় আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারের আহ্বান ইউক্রেনের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)