১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
যখন ঢাকা ঘুমায়: অস্থির পৃথিবীর মাঝে এক বিরল বিরতি আমাদের খাবারের পেছনের নৈতিক প্রশ্ন ঈদের চামড়ায় ধস: বিক্রি না হওয়ায় মাটিচাপা, নদীতে ভাসানোর আশঙ্কা ডিম-পাথর-জুতা নিক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ইসলামী রাষ্ট্রের আসল পরীক্ষা: স্লোগান নয়, মানুষের জীবন নতুন যুদ্ধের মুখ: ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অচলাবস্থার যুগে বিশ্ব সংঘাতের নতুন বাস্তবতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে তেহরানে রক্ষণশীলদের চাপ গিলগিট-বালতিস্তানে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে পিটিআই নেতাদের বহিষ্কার, বিতর্কে নির্বাচনী পরিবেশ ঈদের উৎসব নয়, হাসপাতালের শয্যায় লড়াই হামে উদ্বেগ বাড়ছে: ছুটির মধ্যেও দিনে আক্রান্ত ১,০০০-এর বেশি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮ শিশুর

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • 180

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

জনপ্রিয় সংবাদ

যখন ঢাকা ঘুমায়: অস্থির পৃথিবীর মাঝে এক বিরল বিরতি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)