০৫:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬
জাপানকে পেছনে ফেলে ভারতের অর্থনীতি, এবার নজর জার্মানির দিকে ঘরে ফেরার আশায় রোহিঙ্গাদের নতুন নেতৃত্ব, কক্সবাজারে জাগছে প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন নতুন বছরে খেলাধুলা আর দেববিশ্বাস: জাপানি ক্রীড়াবিদদের নীরব প্রস্তুতির গল্প পিকলবলের শব্দে অতিষ্ঠ ভিয়েতনাম: হ্যানয়ে শুরু হয়েছে ‘শব্দযুদ্ধ’ রেকর্ড নিম্ন বাস্তবায়নে ধাক্কা: ২০২৫ সালে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের মুখে আগামী পাঁচ বছর বিএনপি ও জামায়াতকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: জামায়াত আমির চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ নিয়ে লতিফুর রহমানের মন্তব্য ব্যক্তিগত: জামায়াত রাজশাহী রেলস্টেশনে ট্রেনে উঠতে গিয়ে পড়ে তরুণীর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে জমি বিরোধে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৯ সিলেটে ট্রাকের পাথরের নিচে লুকানো ভারতীয় চোরাই পণ্য উদ্ধার, একজন গ্রেপ্তার

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • 125

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানকে পেছনে ফেলে ভারতের অর্থনীতি, এবার নজর জার্মানির দিকে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ এখানেআরও অনেক বিশিষ্ট পণ্ডিতের সাক্ষাৎ পান। ভারতীয় পণ্ডিতদের বিদ্যাবত্তায় তিনি চমৎকৃত হন। এইভাবে তিনি কাশ্মীরে পুরা দুই বছর (৬৩১ খৃস্টাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে ৬৩৩ খৃস্টাব্দের বৈশাখ মাস পর্যন্ত) কাটিয়ে ছিলেন। এইখানেই তাঁর দার্শনিক শিক্ষা অনেক অগ্রসর হয়।

কাশ্মীর সম্বন্ধে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রচুর ফুল, ফল, ফসল জন্মে। তা ছাড়া পাহাড়ী ঘোড়া, জাফরান, নানা ওষধি আর স্ফটিক উৎপন্ন হয়। শীতকালে খুব তুষারপাত হয়। লোকগুলি সুশ্রী, কিন্তু অসৎ আর ধূর্ত। এদের বিদ্যায় অনুরাগ আছে। বৌদ্ধ, বিধর্মী দুইই আছে।’

তথাগতের পরিনির্বাণের চার শত বছর পরে গান্ধারের রাজা কণিষ্ক পাঁচ শত বাছা বাছা সাধু-মহাত্মাদের একটি সংগিতি (সমিতি) এখানে আহ্বান করেছিলেন। তাঁরা ত্রিপিটকের যা নিগূঢ় তাৎপর্য, তাই সহস্র সহস্র শ্লোকে রচনা করে কতকগুলি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করেন।

আর সেই পাতাগুলি একটা পাথরের সিন্দুকে রেখে তার উপর একটি স্তূপ নির্মাণ করা হয়। কোনো ভাগ্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক হয়তো এক সময়ে এই তামার পাতগুলি আবিষ্কার করতে পারবেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)