যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ জোরদারে নতুন করে নিয়োগ বাড়াতে এক বছরের মধ্যে শত মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা। অভ্যন্তরীণ নথি অনুযায়ী, এই নিয়োগ অভিযানকে ‘যুদ্ধকালীন কৌশল’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে অনলাইন প্রভাবক, লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন এবং নানা জনসমাগমে উপস্থিতির মাধ্যমে হাজার হাজার নতুন বহিষ্কার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।
নিয়োগের লক্ষ্য ও কৌশল
নথিতে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্র ও সামরিক আগ্রহী, দেশপ্রেমী জীবনধারায় আগ্রহী এবং রক্ষণশীল মতাদর্শে ঝোঁক রয়েছে—এমন গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। সামরিক ঘাঁটি, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কলেজ এলাকা এবং অস্ত্র প্রদর্শনীর আশপাশে থাকা মানুষের মোবাইল ও সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন পৌঁছাতে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কৌশল ব্যবহার করার কথাও রয়েছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রভাবক নির্ভর প্রচার
এই অভিযানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও প্ল্যাটফর্ম, পডকাস্ট এবং সরাসরি সম্প্রচারে সক্রিয় প্রভাবকদের যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সাবেক এজেন্ট, সেনাসদস্য ও সমর্থক কনটেন্ট নির্মাতাদের দিয়ে গল্পভিত্তিক প্রচার চালিয়ে সংস্থার কাজকে স্বাভাবিক ও মানবিকভাবে উপস্থাপনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সমালোচনা ও উদ্বেগ
প্রাক্তন কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যুদ্ধের ভাষা ও দ্রুত নিয়োগের চাপ অপ্রশিক্ষিত ও অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক মানসিকতার লোক টানতে পারে। নীতিনির্ধারক ও গবেষকদের মতে, এমন প্রচার অভিবাসন প্রয়োগের জটিল বাস্তবতা আড়াল করে এবং সমাজে বিভাজন বাড়াতে পারে।

বাজেট, বেতন ও প্রণোদনা
নিয়োগ ত্বরান্বিত করতে বয়সসীমা শিথিল, বড় অঙ্কের যোগদান বোনাস এবং আকর্ষণীয় বেতনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কংগ্রেসের বাড়তি বরাদ্দ এই নিয়োগ তৎপরতাকে আরও গতি দিয়েছে বলে নথিতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
টেলিভিশন, রেডিও, স্ট্রিমিং ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞাপন ইতিমধ্যে সমালোচনার মুখে পড়েছে। কিছু শহরে বিজ্ঞাপন সরানো হয়েছে, আবার নাগরিকদের একাংশ সরকারি প্রচারের ভাষা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















