গোপনীয়তার অগ্রাধিকার
অ্যাপল জানিয়েছে, তারা ডিভাইসের ভেতরেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক আরও উন্নত ফিচার চালু করছে, যাতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ডেটা ক্লাউডে পাঠাতে না হয়। ছবি, ভাষা ও অ্যাক্সেসিবিলিটি সংক্রান্ত কাজগুলো এখন স্থানীয়ভাবেই প্রক্রিয়াকরণ হবে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এতে গোপনীয়তা ও গতি—দুটোই বাড়বে।

এই পদ্ধতিতে ডিভাইসের নিউরাল ইঞ্জিন ব্যবহার করে সংবেদনশীল কাজগুলো অফলাইনে সম্পন্ন করা হবে। ক্লাউড ব্যবহৃত হবে কেবল বেনামী ও অ-ব্যক্তিগত ডেটার ক্ষেত্রে।
প্রতিযোগিতা ও নিয়ন্ত্রক বাস্তবতা
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রক—দু’দিক থেকেই অ্যাপলের জন্য কৌশলগত। ইউরোপে এআই ও ডেটা সুরক্ষা নিয়ে নজরদারি বাড়ছে, যেখানে ‘প্রাইভেসি-বাই-ডিজাইন’ মডেল গুরুত্ব পাচ্ছে। ডেভেলপাররা নতুন এপিআইকে স্বাগত জানিয়েছেন, যদিও বড় মডেলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা কতটা সম্ভব—সে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















