১১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শক্তিশালী হচ্ছে কর্তৃত্ববাদী শাসন, নেতৃত্বে নতুন মুখের উত্থান যুদ্ধ বাড়ছে, জয় নয়: ড্রোন যুগে কেন অচলাবস্থার ফাঁদে বিশ্ব এল নিনোর নতুন হুমকি: ভারত থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত কৃষকদের সামনে খরা, খাদ্যসংকটের আশঙ্কা যখন ঢাকা ঘুমায়: অস্থির পৃথিবীর মাঝে এক বিরল বিরতি আমাদের খাবারের পেছনের নৈতিক প্রশ্ন ঈদের চামড়ায় ধস: বিক্রি না হওয়ায় মাটিচাপা, নদীতে ভাসানোর আশঙ্কা ডিম-পাথর-জুতা নিক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ইসলামী রাষ্ট্রের আসল পরীক্ষা: স্লোগান নয়, মানুষের জীবন নতুন যুদ্ধের মুখ: ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অচলাবস্থার যুগে বিশ্ব সংঘাতের নতুন বাস্তবতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে তেহরানে রক্ষণশীলদের চাপ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • 216

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শাস্ত্রের অনুসন্ধানেই তিনি এসেছেন শুনে রাজা শাস্ত্রের আর সূত্রের অনুলিপি করবার জন্যে কুড়ি জন লোক নিযুক্ত করলেন। আর হিউএন-চাঙের পরিচর্যার জন্যেও পাঁচ জন ভৃত্য নিযুক্ত হল।

হিউএনচাঙ এখানে সত্তর বছর বয়স্ক একজন শ্রদ্ধেয় গুরুর সাহচর্য পান। এই দুইজন পণ্ডিত পরস্পরকে মনের মতন পেয়ে দুজনেই যে খুব খুশি হয়েছিলেন, তা হিউএনচাঙের জীবনীকারের লেখা থেকে বেশ বোঝা যায়।

গুরু পবিত্র ব্রহ্মচর্যব্রতধারী ছিলেন। বয়সের জন্যে তাঁর কিছু শারীরিক দুর্বলতা হয়েছিল বটে, কিন্তু উপযুক্ত ছাত্র পেয়ে তিনি সোৎসাহে শিক্ষা দিতে লাগলেন। তাঁর বুদ্ধি অসাধারণ সুক্ষ্ম ছিল আর জ্ঞান গভীর ছিল।

গুণে বিদ্যায় তিনি প্রায় দেবতার মতন ছিলেন, আর তাঁর করুণহৃদয় পণ্ডিতদের প্রতি প্রেমে আর বিদ্বানদের প্রতি শ্রদ্ধায় পূর্ণ ছিল। কঠিন কঠিন বিষয় বুঝিয়ে দেবার তাঁর অসাধারণ ক্ষমতা ছিল। হিউএনচাঙ অসংকোচে তাঁকে প্রশ্ন করতেন আর দিবারাত্র অবিশ্রাম আগ্রহে তাঁর কাছে শিক্ষা করতেন।

সকালে ‘কশশাস্ত্র’ পাঠ হত। অপরাহ্ণে ‘নিয়ায় অনুসার’ শাস্ত্র, আবার রাত্রি দ্বিতীয় প্রহরে ‘হেতুবাদ’ শাস্ত্র (logic) পড়া হত।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শক্তিশালী হচ্ছে কর্তৃত্ববাদী শাসন, নেতৃত্বে নতুন মুখের উত্থান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শাস্ত্রের অনুসন্ধানেই তিনি এসেছেন শুনে রাজা শাস্ত্রের আর সূত্রের অনুলিপি করবার জন্যে কুড়ি জন লোক নিযুক্ত করলেন। আর হিউএন-চাঙের পরিচর্যার জন্যেও পাঁচ জন ভৃত্য নিযুক্ত হল।

হিউএনচাঙ এখানে সত্তর বছর বয়স্ক একজন শ্রদ্ধেয় গুরুর সাহচর্য পান। এই দুইজন পণ্ডিত পরস্পরকে মনের মতন পেয়ে দুজনেই যে খুব খুশি হয়েছিলেন, তা হিউএনচাঙের জীবনীকারের লেখা থেকে বেশ বোঝা যায়।

গুরু পবিত্র ব্রহ্মচর্যব্রতধারী ছিলেন। বয়সের জন্যে তাঁর কিছু শারীরিক দুর্বলতা হয়েছিল বটে, কিন্তু উপযুক্ত ছাত্র পেয়ে তিনি সোৎসাহে শিক্ষা দিতে লাগলেন। তাঁর বুদ্ধি অসাধারণ সুক্ষ্ম ছিল আর জ্ঞান গভীর ছিল।

গুণে বিদ্যায় তিনি প্রায় দেবতার মতন ছিলেন, আর তাঁর করুণহৃদয় পণ্ডিতদের প্রতি প্রেমে আর বিদ্বানদের প্রতি শ্রদ্ধায় পূর্ণ ছিল। কঠিন কঠিন বিষয় বুঝিয়ে দেবার তাঁর অসাধারণ ক্ষমতা ছিল। হিউএনচাঙ অসংকোচে তাঁকে প্রশ্ন করতেন আর দিবারাত্র অবিশ্রাম আগ্রহে তাঁর কাছে শিক্ষা করতেন।

সকালে ‘কশশাস্ত্র’ পাঠ হত। অপরাহ্ণে ‘নিয়ায় অনুসার’ শাস্ত্র, আবার রাত্রি দ্বিতীয় প্রহরে ‘হেতুবাদ’ শাস্ত্র (logic) পড়া হত।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৯)