০৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু জয়ে নয়, আধুনিক ফুটবলের নতুন সংজ্ঞায় স্পেনই এখন বিশ্বকাপ জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার, সম্ভাবনা প্রায় ৬২ শতাংশ স্পেনের প্রশংসায় টুখেল ও স্কালোনি, বিশ্বকাপে ‘সবচেয়ে পরিপূর্ণ’ দল বলে স্বীকৃতি স্পেনের দুর্ভেদ্য রক্ষণে ইতিহাস, উনাই সিমনের রেকর্ড ক্লিন শিটে বিশ্বকাপের ফাইনালে লা রোজা কুয়েতে নারী গৃহকর্মী পাঠাতে নতুন সতর্কবার্তা, নির্যাতনের শিকার আমিনাকে দেশে ফেরাল দূতাবাস শিক্ষার্থীদের লংমার্চ ঘিরে সায়েন্সল্যাবে কড়া নিরাপত্তা, পরীক্ষা শেষে বড় জমায়েত হয়নি ককরোচ জনতা পার্টি ও ভারতীয় মুসলমান: সংশয়ের রাজনীতি নাকি নেতৃত্ব গড়ার নতুন সুযোগ? সিলিকন ভ্যালিতে ছয় অঙ্কের বেতনেও স্বস্তি নেই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানে বাড়ছে জীবনযাত্রার চাপ অবহেলার দীর্ঘ অধ্যায় পেরিয়ে আলোচনায় নরওয়ের শিল্পী আস্তা নরেগার্ড, বিশেষ প্রদর্শনীতে ফিরল প্রাপ্য স্বীকৃতি পাকিস্তানের নতুন বহিষ্কার অভিযানে চাপে আফগান শরণার্থীরা, প্রতিদিন সীমান্ত পেরোচ্ছে শত শত পরিবার

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • 232

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শাস্ত্রের অনুসন্ধানেই তিনি এসেছেন শুনে রাজা শাস্ত্রের আর সূত্রের অনুলিপি করবার জন্যে কুড়ি জন লোক নিযুক্ত করলেন। আর হিউএন-চাঙের পরিচর্যার জন্যেও পাঁচ জন ভৃত্য নিযুক্ত হল।

হিউএনচাঙ এখানে সত্তর বছর বয়স্ক একজন শ্রদ্ধেয় গুরুর সাহচর্য পান। এই দুইজন পণ্ডিত পরস্পরকে মনের মতন পেয়ে দুজনেই যে খুব খুশি হয়েছিলেন, তা হিউএনচাঙের জীবনীকারের লেখা থেকে বেশ বোঝা যায়।

গুরু পবিত্র ব্রহ্মচর্যব্রতধারী ছিলেন। বয়সের জন্যে তাঁর কিছু শারীরিক দুর্বলতা হয়েছিল বটে, কিন্তু উপযুক্ত ছাত্র পেয়ে তিনি সোৎসাহে শিক্ষা দিতে লাগলেন। তাঁর বুদ্ধি অসাধারণ সুক্ষ্ম ছিল আর জ্ঞান গভীর ছিল।

গুণে বিদ্যায় তিনি প্রায় দেবতার মতন ছিলেন, আর তাঁর করুণহৃদয় পণ্ডিতদের প্রতি প্রেমে আর বিদ্বানদের প্রতি শ্রদ্ধায় পূর্ণ ছিল। কঠিন কঠিন বিষয় বুঝিয়ে দেবার তাঁর অসাধারণ ক্ষমতা ছিল। হিউএনচাঙ অসংকোচে তাঁকে প্রশ্ন করতেন আর দিবারাত্র অবিশ্রাম আগ্রহে তাঁর কাছে শিক্ষা করতেন।

সকালে ‘কশশাস্ত্র’ পাঠ হত। অপরাহ্ণে ‘নিয়ায় অনুসার’ শাস্ত্র, আবার রাত্রি দ্বিতীয় প্রহরে ‘হেতুবাদ’ শাস্ত্র (logic) পড়া হত।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু জয়ে নয়, আধুনিক ফুটবলের নতুন সংজ্ঞায়

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭০)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শাস্ত্রের অনুসন্ধানেই তিনি এসেছেন শুনে রাজা শাস্ত্রের আর সূত্রের অনুলিপি করবার জন্যে কুড়ি জন লোক নিযুক্ত করলেন। আর হিউএন-চাঙের পরিচর্যার জন্যেও পাঁচ জন ভৃত্য নিযুক্ত হল।

হিউএনচাঙ এখানে সত্তর বছর বয়স্ক একজন শ্রদ্ধেয় গুরুর সাহচর্য পান। এই দুইজন পণ্ডিত পরস্পরকে মনের মতন পেয়ে দুজনেই যে খুব খুশি হয়েছিলেন, তা হিউএনচাঙের জীবনীকারের লেখা থেকে বেশ বোঝা যায়।

গুরু পবিত্র ব্রহ্মচর্যব্রতধারী ছিলেন। বয়সের জন্যে তাঁর কিছু শারীরিক দুর্বলতা হয়েছিল বটে, কিন্তু উপযুক্ত ছাত্র পেয়ে তিনি সোৎসাহে শিক্ষা দিতে লাগলেন। তাঁর বুদ্ধি অসাধারণ সুক্ষ্ম ছিল আর জ্ঞান গভীর ছিল।

গুণে বিদ্যায় তিনি প্রায় দেবতার মতন ছিলেন, আর তাঁর করুণহৃদয় পণ্ডিতদের প্রতি প্রেমে আর বিদ্বানদের প্রতি শ্রদ্ধায় পূর্ণ ছিল। কঠিন কঠিন বিষয় বুঝিয়ে দেবার তাঁর অসাধারণ ক্ষমতা ছিল। হিউএনচাঙ অসংকোচে তাঁকে প্রশ্ন করতেন আর দিবারাত্র অবিশ্রাম আগ্রহে তাঁর কাছে শিক্ষা করতেন।

সকালে ‘কশশাস্ত্র’ পাঠ হত। অপরাহ্ণে ‘নিয়ায় অনুসার’ শাস্ত্র, আবার রাত্রি দ্বিতীয় প্রহরে ‘হেতুবাদ’ শাস্ত্র (logic) পড়া হত।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৯)