০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬
এআই চাহিদার জোয়ারে স্যামসাংয়ের লাভে উল্লম্ফন, এক ত্রৈমাসিকে তিন গুণ সৌদি আরবের শিংওয়ালা মরু সাপ গ্রিনল্যান্ড ঘিরে নতুন কৌশল, বরফ গলার পথে চীনের ছায়া ঠেকাতে ট্রাম্পের তৎপরতা কেরালার কারিগরদের হাতে ফিরল প্রাচীন নৌযানের গৌরব, সমুদ্রে পাড়ি দিল কৌণ্ডিন্য ইউনিক্লোর ঝলমলে বিক্রি, লাভের পূর্বাভাস বাড়াল ফাস্ট রিটেইলিং ঋণের বদলে যুদ্ধবিমান: সৌদি অর্থ সহায়তা রূপ নিতে পারে জেএফ–সতেরো চুক্তিতে গৌর নদী: বরিশালের শিরা-উপশিরায় ভর করে থাকা এক জীবন্ত স্মৃতি আমার মতো আর কারও না হোক আকুর বিল পরিশোধে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩২.৪৩ বিলিয়ন ডলার জ্যোতির নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দল ঘোষণা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • 133

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর থেকে কান্যকুব্জ

হিউএনচাঙ পশ্চিমের গিরিবত্ম দিয়ে সম্ভবত বরাহমূলপুরায় (বা বরামূলায়) কাশ্মীর রাজ্যে প্রবেশ করেন। তাঁর বিদ্যাবত্তার ও সাধুতার খ্যাতি আগেই কাশ্মীরে পৌঁছেছিল। তিনি কাশ্মীরের সীমানায় পৌঁছেছেন শুনে কাশ্মীররাজ দুর্লভবর্মন প্রজ্ঞাদিত্য তাঁর মাতুলকে হিউএনচাঙের জন্যে গাড়িঘোড়াসহ পাঠিয়ে দিলেন।

দিন কতক পরে তাঁরা যখন রাজধানী প্রবরপুরে (আধুনিক শ্রীনগরে) প্রবেশ করলেন, তখন কাশ্মীররাজ মহাসমারোহে তাঁকে অভ্যর্থনা করলেন। স্বয়ং রাজা, তাঁর সমস্ত সভাসদ আর রাজধানীতে যত ভিক্ষু ছিলেন সকলে (প্রায় এক সহস্র লোক) নগর থেকে ১ লি এগিয়ে গিয়ে ধর্মগুরুকে প্রণাম ক’রে তাঁর সম্মুখে অসংখ্য ফুল ছড়িয়ে দিলেন।

তার পর তাঁকে একটা মস্ত হাতিতে চড়িয়ে নিয়ে আসা হল। সমস্ত পথ পতাকা চামর ফুল গন্ধদ্রব্য দিয়ে সজ্জিত ছিল। সে রাত্রে তাঁকে ‘জয়েন্দ্র’ নামক এক বিহারে থাকতে দেওয়া হল। পরদিন রাজার অনুরোধে তিনি রাজপ্রাসাদে এলেন, আর তার পর বিশিষ্ট পণ্ডিতদের সঙ্গে একত্র ভোজ উৎসব হবার পর রাজা তাঁকে শাস্ত্রের কঠিন কঠিন স্থান ব্যাখ্যা করতে আমন্ত্রণ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই চাহিদার জোয়ারে স্যামসাংয়ের লাভে উল্লম্ফন, এক ত্রৈমাসিকে তিন গুণ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৯)

০৯:০০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর থেকে কান্যকুব্জ

হিউএনচাঙ পশ্চিমের গিরিবত্ম দিয়ে সম্ভবত বরাহমূলপুরায় (বা বরামূলায়) কাশ্মীর রাজ্যে প্রবেশ করেন। তাঁর বিদ্যাবত্তার ও সাধুতার খ্যাতি আগেই কাশ্মীরে পৌঁছেছিল। তিনি কাশ্মীরের সীমানায় পৌঁছেছেন শুনে কাশ্মীররাজ দুর্লভবর্মন প্রজ্ঞাদিত্য তাঁর মাতুলকে হিউএনচাঙের জন্যে গাড়িঘোড়াসহ পাঠিয়ে দিলেন।

দিন কতক পরে তাঁরা যখন রাজধানী প্রবরপুরে (আধুনিক শ্রীনগরে) প্রবেশ করলেন, তখন কাশ্মীররাজ মহাসমারোহে তাঁকে অভ্যর্থনা করলেন। স্বয়ং রাজা, তাঁর সমস্ত সভাসদ আর রাজধানীতে যত ভিক্ষু ছিলেন সকলে (প্রায় এক সহস্র লোক) নগর থেকে ১ লি এগিয়ে গিয়ে ধর্মগুরুকে প্রণাম ক’রে তাঁর সম্মুখে অসংখ্য ফুল ছড়িয়ে দিলেন।

তার পর তাঁকে একটা মস্ত হাতিতে চড়িয়ে নিয়ে আসা হল। সমস্ত পথ পতাকা চামর ফুল গন্ধদ্রব্য দিয়ে সজ্জিত ছিল। সে রাত্রে তাঁকে ‘জয়েন্দ্র’ নামক এক বিহারে থাকতে দেওয়া হল। পরদিন রাজার অনুরোধে তিনি রাজপ্রাসাদে এলেন, আর তার পর বিশিষ্ট পণ্ডিতদের সঙ্গে একত্র ভোজ উৎসব হবার পর রাজা তাঁকে শাস্ত্রের কঠিন কঠিন স্থান ব্যাখ্যা করতে আমন্ত্রণ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)