১১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হিউম্যানয়েড রোবটের উন্মাদনায় লাগাম চীনের, আইপিওতে এখন কঠিন পরীক্ষার মুখে কোম্পানিগুলো গার্মেন্টস কারখানা ঠান্ডা রাখার বিনিয়োগ, ৪ বছরেই উঠতে পারে খরচ গণহত্যা থেকে বেঁচে ওঠা রোহিঙ্গা তরুণের লড়াই, রাষ্ট্রহীনতা পেরিয়ে নতুন স্বপ্ন হুথি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুমকি রাজশাহী স্টেশনে রাতভর তাণ্ডব, ট্রেন চলাচল বন্ধ—ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী আমেরিকা-চীনের গল্পের লড়াই: বিশ্বকে কে বেশি বিশ্বাসযোগ্য গল্প শোনাতে পারে? ইথিওপিয়ার সমুদ্রপথের সন্ধান: হর্ন অব আফ্রিকায় বদলে যেতে পারে শক্তির সমীকরণ পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি প্রতিরক্ষা সমীকরণ: পশ্চিম এশিয়ায় ভারতের কৌশলের সামনে নতুন পরীক্ষা মেঘনায় গোসল করতে নেমে যমজ দুই ভাইসহ ৩ স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে আটক ২৩ জনের ১১ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 408

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

হিউম্যানয়েড রোবটের উন্মাদনায় লাগাম চীনের, আইপিওতে এখন কঠিন পরীক্ষার মুখে কোম্পানিগুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)