০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
বয়স্ক কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জোরালো, প্রযুক্তিতে কাজ সহজ করছে হাসপাতাল ঐতিহাসিক উত্থানের পর দুবাইয়ের সোনার দামে সামান্য সংশোধন, বাজারে অনিশ্চয়তা অব্যাহত ক্রিকেটে টানাপোড়েনের মধ্যেও দিল্লিতে এশিয়ান শুটিংয়ে বাংলাদেশের দুই শুটার নরম শুরুতেই টেকসই সুস্থতা: ২০২৬-এ জনপ্রিয় হচ্ছে ‘৭৫ সফট’ ব্যায়াম ধারা আমেরিকার নিরাপত্তা সতর্কতা: বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ঝুঁকির আশঙ্কা আমেরিকার আদিবাসী পাড়ায় নজরদারি, আইসিই তৎপরতার মুখে ফের রাস্তায় আন্দোলন নাতি-নাতনির জীবনে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ, পরিবারে বাড়ছে নতুন টানাপোড়েন ডিম ছোঁড়াকে কেন বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হয়? মৃত্যু নিজের মতো করে বেছে নেওয়ার অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক, নিউইয়র্কে নতুন আইন ঘিরে আশার পাশাপাশি আশঙ্কা এআই চাপে চিপ সংকট তীব্র, স্মার্টফোন ও কম্পিউটার বাজারে ধাক্কার আশঙ্কা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 277

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

বয়স্ক কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জোরালো, প্রযুক্তিতে কাজ সহজ করছে হাসপাতাল

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)