১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
গ্রামীণ থাইল্যান্ডে ভোটের হিসাব বদলাচ্ছে, দল নয় প্রাধান্য পাচ্ছেন প্রার্থী সম্মতি অমান্য করেও যৌনায়িত ছবি তৈরি করছে মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিদেশি যুদ্ধবন্দিদের অনিশ্চিত জীবন ইউক্রেনের কারাগারে আটকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের নাম বদল: কোটি কোটি ডলারের চাপ বাড়তে পারে করদাতাদের ওপর মার্কিন চোখে গ্রিনল্যান্ড কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, ট্রাম্প আসলে কী চান ট্রাম্পের আশ্বাসে রাস্তায়, শেষে বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষোভে জর্জরিত ইরান মার্কিন প্রত্যাহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংকটে, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ধীর ক্ষয়ের শঙ্কা ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক সংলাপ শুক্রবার, আলোচনায় আশার বার্তার সঙ্গে যুদ্ধের শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির প্রথম বড় চুক্তি, মূল্য পাঁচশ কোটি ডলার ডাক্তারের পরামর্শে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের পাঁচ নিরাপদ পথ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 284

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রামীণ থাইল্যান্ডে ভোটের হিসাব বদলাচ্ছে, দল নয় প্রাধান্য পাচ্ছেন প্রার্থী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)