০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
থাইল্যান্ডে ‘মাফিয়া সন্ন্যাসী’ বিতর্ক: বৌদ্ধ সংঘ কি নিয়ন্ত্রণে আসছে? মণিপুরে বিভক্ত রাজ্য বাস্তবতা: পূর্ব সীমান্তে জমে থাকা জাতিগত ক্ষত ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযান: ট্রাম্পের নতুন ক্ষমতার ছায়ায় কাঁপছে লাতিন আমেরিকা ভেনেজুয়েলার তেল আর ছায়া জাহাজ: সমুদ্রে ধাওয়া ওয়াশিংটনের নতুন শক্তি প্রদর্শন আমেরিকার অভিযান থেকে কী শিখছে বেইজিং ইরানে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, ঘরে বিক্ষোভ বাইরে যুদ্ধের আশঙ্কায় টালমাটাল শাসন সৌদি আরবে মদের দোকান খুলে নতুন ধাঁধা: কেনা বৈধ, পান কি বেআইনি ভিড়ের চাপে বদলে যাচ্ছে বুরুন্ডি: আফ্রিকার গ্রেট লেকস অঞ্চলে জনসংখ্যা বিস্ফোরণের অদৃশ্য সংকট তিতাসের পাইপলাইনে ফের দুর্ঘটনা, রাজধানীতে আরও কমল গ্যাসের চাপ উত্তর কোরিয়ার ভবিষ্যৎ শাসক কি এক কিশোরী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 256

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

থাইল্যান্ডে ‘মাফিয়া সন্ন্যাসী’ বিতর্ক: বৌদ্ধ সংঘ কি নিয়ন্ত্রণে আসছে?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৮)

০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়। এই পর্বতের পাদদেশে ভীমাদেবীর পতি মহেশ্বরদেবের একটা মন্দির আছে। ছাইমাখা বিধর্মীরা এখানে পূজা দিতে আসে।’

উদ্যান ও উরশার প্রধান প্রধান স্তূপগুলি দেখে হিউএনচাঙ আবার দক্ষিণে এলেন, আর ব্যাকরণকার পাণিনির জন্মস্থান শলাতুরের কাছে উদভাণ্ড নগরে (বর্তমান উন্‌ন্ড) সিন্ধুনদ পার হলেন। তিনি বলেন, এ সময়েও শলাতুরের ব্রাহ্মণদের বিদ্যাবুদ্ধি ও স্মরণশক্তির খ্যাতি ছিল।

তক্ষশীলায় এসেও দেখলেন, সেই একই অবস্থা। সর্বত্র কেবল ত্বণদের অত্যাচারের চিহ্ন। ‘অনেক সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু সবই দুর্দশাগ্রস্ত।’ সঙ্ঘারাম আর স্তূপের ধ্বংসাবশেষ দেখতে দেখতে, কয়েকটি গিরিব আর লোহার পুল অতিক্রম করে হিউএনচাঙ কাশ্মীরে পৌঁছলেন।

(চলবে)