০৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে এলপিজির কালোবাজারি বিস্তার, পুলিশের অভিযানে হাজারের বেশি সিলিন্ডার জব্দ রিজার্ভে ধাক্কা: দুই সপ্তাহে কমে ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার, অর্থনীতিতে নতুন চাপ মধ্য-এপ্রিলের মধ্যে হরমুজ না খুললে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হবে: তেল শিল্পের সতর্কবার্তা ইরান মার্কিন শর্ত মানতে রাজি, তবে খার্গ দ্বীপ দখলের ভাবনায় ট্রাম্প হরমুজ সংকটের আঘাতে বাংলাদেশ: বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়বে ৪৮০ কোটি ডলার ইসলামাবাদে চার দেশের কূটনীতি: পাকিস্তান মার্কিন-ইরান সরাসরি আলোচনা আয়োজনের প্রস্তাব দিল বঙ্গের ধাঁধা — সামাজিক অগ্রগতি কেন উচ্চ আয়ে রূপান্তরিত হয়নি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে মধ্যস্থতার উদ্যোগে পাকিস্তান, চীনের সমর্থন চাইতে বেইজিং সফরে ইসহাক দার ভারত কেন কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বেছে নেয় ভারত কেন কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বেছে নেয়

চীনের বৃহত্তম গভীর সমুদ্র গ্যাসক্ষেত্রের দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎপাদন শুরু

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • 151

চীনের বৃহত্তম গভীর সমুদ্র গ্যাসক্ষেত্র ‘শেনহাই ইহাও’-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎপাদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। হাইনান প্রদেশের সানইয়া উপকূল থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরের এই গ্যাসক্ষেত্র চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল করপোরেশন।

প্রকল্পটির সম্ভাব্য গ্যাস মজুত ১৫০ বিলিয়ন ঘনমিটারেরও বেশি। পূর্ণ উৎপাদনে গেলে এর বার্ষিক উৎপাদন ৪.৫ বিলিয়ন ঘনমিটারে পৌঁছাবে, যা প্রতিদিন ১৫ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহে সক্ষম। এতে হাইনান, কুয়াংতোং ও হংকং-ম্যাকাও অঞ্চলের চাহিদা মেটানো যাবে।

এটি চীনের প্রথম স্বনির্ভরভাবে নির্মিত অতিগভীর সমুদ্র গ্যাসক্ষেত্র, যার গভীরতা দেড় হাজার মিটারেরও বেশি।

প্রকল্পে রয়েছে ১২টি গভীর কূপ, একটি বিশাল প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যাটফর্ম, ও ২৫০ কিলোমিটার সাবমেরিন পাইপলাইন।

সিএমজি বাংলা

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে এলপিজির কালোবাজারি বিস্তার, পুলিশের অভিযানে হাজারের বেশি সিলিন্ডার জব্দ

চীনের বৃহত্তম গভীর সমুদ্র গ্যাসক্ষেত্রের দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎপাদন শুরু

০৫:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

চীনের বৃহত্তম গভীর সমুদ্র গ্যাসক্ষেত্র ‘শেনহাই ইহাও’-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎপাদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। হাইনান প্রদেশের সানইয়া উপকূল থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরের এই গ্যাসক্ষেত্র চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল করপোরেশন।

প্রকল্পটির সম্ভাব্য গ্যাস মজুত ১৫০ বিলিয়ন ঘনমিটারেরও বেশি। পূর্ণ উৎপাদনে গেলে এর বার্ষিক উৎপাদন ৪.৫ বিলিয়ন ঘনমিটারে পৌঁছাবে, যা প্রতিদিন ১৫ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহে সক্ষম। এতে হাইনান, কুয়াংতোং ও হংকং-ম্যাকাও অঞ্চলের চাহিদা মেটানো যাবে।

এটি চীনের প্রথম স্বনির্ভরভাবে নির্মিত অতিগভীর সমুদ্র গ্যাসক্ষেত্র, যার গভীরতা দেড় হাজার মিটারেরও বেশি।

প্রকল্পে রয়েছে ১২টি গভীর কূপ, একটি বিশাল প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যাটফর্ম, ও ২৫০ কিলোমিটার সাবমেরিন পাইপলাইন।

সিএমজি বাংলা