০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 450

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)