১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সস্তা ইনজেকশনে স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন যুগ, ভারতের পদক্ষেপে বদলাতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্যচিত্র ইরান ছয় মাস পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত কেটি পেরির বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, দুই দশক পর মুখ খুললেন রুবি রোজ প্রোটিন ও ফাইবার ‘ম্যাক্সিং’ ট্রেন্ড: সোশ্যাল মিডিয়ার এই স্বাস্থ্য হাওয়ায় কতটা সত্যি আছে? টেম্পের ঐতিহ্যের স্বীকৃতি: জাভার রান্নাঘর থেকে বিশ্বমঞ্চে বইয়ের ভেতরে লুকানো জীবন: সম্পর্ক, স্মৃতি আর মানুষের অজানা গল্পের চার দিক ডাইনিবিদ্যার রহস্যে পরিবার ভাঙনের গল্প: মেরি এনদিয়ের নতুন উপন্যাসে অদ্ভুত এক বাস্তবতা যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাত নিষেধাজ্ঞার রাজ্যগুলোতে ওষুধের ব্যবহার রেকর্ড উচ্চতায়, কমছে অন্য রাজ্যে ভ্রমণ শিল্প, প্রতারণা আর প্রতিশোধের গল্প: ‘দ্য ক্রিস্টোফারস’-এ ভিন্ন এক মানসিক লড়াই কোচেল্লায় গোপনে হাজির টিমোথি, কাইলির পাশে ধরা পড়লেন অবশেষে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 134

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ বলেন, শাকল থেকে পূর্বে, সর্বত্র পথে বহু ‘পুণ্যশালা’ আছে। সেখানে অনাথ আতুরদের বিনামূল্যে ভোজ্য ও ঔষধ বিতরণ করা হয়। পথিকদের কোনো কষ্ট হয় না।

কিন্তু শাকল ত্যাগ করার পর হিউএনচাঙ আর তাঁর সঙ্গীরা এক পলাশবনের মধ্যে দস্যুদল কর্তৃক আক্রান্ত হন। দহ্যরা তাঁদের বস্ত্রাদি যথাসর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তরবারি হস্তে তাঁদের তাড়া করল।

তাঁরা ছুটতে ছুটতে এক জঙ্গলাকীর্ণ শুখনো বিলের মধ্যে ঢুকে পড়লেন। দক্ষ্যরা তাঁদের আর দেখতে না পেয়ে চলে গেল। তখন হিউএনচাও আর সঙ্গী শ্রমণেরর। ছুটতে ছুটতে গিয়ে দেখলেন এক গ্রামের কাছে এক-জন ব্রাহ্মণ চাষ করছেন।

তাঁকে এই সংবাদ দেওয়ায় তিনি লাঙ্গল ছেড়ে শঙ্খ আর ভেরী বাজিয়ে লোক জড়ো করলেন আর পঞ্চাশ জন লোক সংগ্রহ করে দস্যুদের ধরতে গেলেন, কিন্তু তাদের আর উদ্দেশ পেলেন না। গ্রামের লোকরা তাদের যা কাপড়চোপড় ছিল, পথিক-দের পরতে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

জনপ্রিয় সংবাদ

সস্তা ইনজেকশনে স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন যুগ, ভারতের পদক্ষেপে বদলাতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্যচিত্র

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ বলেন, শাকল থেকে পূর্বে, সর্বত্র পথে বহু ‘পুণ্যশালা’ আছে। সেখানে অনাথ আতুরদের বিনামূল্যে ভোজ্য ও ঔষধ বিতরণ করা হয়। পথিকদের কোনো কষ্ট হয় না।

কিন্তু শাকল ত্যাগ করার পর হিউএনচাঙ আর তাঁর সঙ্গীরা এক পলাশবনের মধ্যে দস্যুদল কর্তৃক আক্রান্ত হন। দহ্যরা তাঁদের বস্ত্রাদি যথাসর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তরবারি হস্তে তাঁদের তাড়া করল।

তাঁরা ছুটতে ছুটতে এক জঙ্গলাকীর্ণ শুখনো বিলের মধ্যে ঢুকে পড়লেন। দক্ষ্যরা তাঁদের আর দেখতে না পেয়ে চলে গেল। তখন হিউএনচাও আর সঙ্গী শ্রমণেরর। ছুটতে ছুটতে গিয়ে দেখলেন এক গ্রামের কাছে এক-জন ব্রাহ্মণ চাষ করছেন।

তাঁকে এই সংবাদ দেওয়ায় তিনি লাঙ্গল ছেড়ে শঙ্খ আর ভেরী বাজিয়ে লোক জড়ো করলেন আর পঞ্চাশ জন লোক সংগ্রহ করে দস্যুদের ধরতে গেলেন, কিন্তু তাদের আর উদ্দেশ পেলেন না। গ্রামের লোকরা তাদের যা কাপড়চোপড় ছিল, পথিক-দের পরতে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)