০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
ডিম-পাথর-জুতা নিক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ইসলামী রাষ্ট্রের আসল পরীক্ষা: স্লোগান নয়, মানুষের জীবন নতুন যুদ্ধের মুখ: ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অচলাবস্থার যুগে বিশ্ব সংঘাতের নতুন বাস্তবতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে তেহরানে রক্ষণশীলদের চাপ গিলগিট-বালতিস্তানে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে পিটিআই নেতাদের বহিষ্কার, বিতর্কে নির্বাচনী পরিবেশ ঈদের উৎসব নয়, হাসপাতালের শয্যায় লড়াই হামে উদ্বেগ বাড়ছে: ছুটির মধ্যেও দিনে আক্রান্ত ১,০০০-এর বেশি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮ শিশুর ইন্দোনেশিয়ার পণ্য রপ্তানিতে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ, উদ্বেগে ব্যবসা-বাণিজ্য মারণ রাসায়নিক বিক্রি করে আত্মহত্যায় সহায়তা, কানাডার ব্যক্তির দোষ স্বীকার চীনের মরুভূমিতে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, বাড়ছে পারমাণবিক প্রতিরোধ শক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 148

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ বলেন, শাকল থেকে পূর্বে, সর্বত্র পথে বহু ‘পুণ্যশালা’ আছে। সেখানে অনাথ আতুরদের বিনামূল্যে ভোজ্য ও ঔষধ বিতরণ করা হয়। পথিকদের কোনো কষ্ট হয় না।

কিন্তু শাকল ত্যাগ করার পর হিউএনচাঙ আর তাঁর সঙ্গীরা এক পলাশবনের মধ্যে দস্যুদল কর্তৃক আক্রান্ত হন। দহ্যরা তাঁদের বস্ত্রাদি যথাসর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তরবারি হস্তে তাঁদের তাড়া করল।

তাঁরা ছুটতে ছুটতে এক জঙ্গলাকীর্ণ শুখনো বিলের মধ্যে ঢুকে পড়লেন। দক্ষ্যরা তাঁদের আর দেখতে না পেয়ে চলে গেল। তখন হিউএনচাও আর সঙ্গী শ্রমণেরর। ছুটতে ছুটতে গিয়ে দেখলেন এক গ্রামের কাছে এক-জন ব্রাহ্মণ চাষ করছেন।

তাঁকে এই সংবাদ দেওয়ায় তিনি লাঙ্গল ছেড়ে শঙ্খ আর ভেরী বাজিয়ে লোক জড়ো করলেন আর পঞ্চাশ জন লোক সংগ্রহ করে দস্যুদের ধরতে গেলেন, কিন্তু তাদের আর উদ্দেশ পেলেন না। গ্রামের লোকরা তাদের যা কাপড়চোপড় ছিল, পথিক-দের পরতে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিম-পাথর-জুতা নিক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ বলেন, শাকল থেকে পূর্বে, সর্বত্র পথে বহু ‘পুণ্যশালা’ আছে। সেখানে অনাথ আতুরদের বিনামূল্যে ভোজ্য ও ঔষধ বিতরণ করা হয়। পথিকদের কোনো কষ্ট হয় না।

কিন্তু শাকল ত্যাগ করার পর হিউএনচাঙ আর তাঁর সঙ্গীরা এক পলাশবনের মধ্যে দস্যুদল কর্তৃক আক্রান্ত হন। দহ্যরা তাঁদের বস্ত্রাদি যথাসর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তরবারি হস্তে তাঁদের তাড়া করল।

তাঁরা ছুটতে ছুটতে এক জঙ্গলাকীর্ণ শুখনো বিলের মধ্যে ঢুকে পড়লেন। দক্ষ্যরা তাঁদের আর দেখতে না পেয়ে চলে গেল। তখন হিউএনচাও আর সঙ্গী শ্রমণেরর। ছুটতে ছুটতে গিয়ে দেখলেন এক গ্রামের কাছে এক-জন ব্রাহ্মণ চাষ করছেন।

তাঁকে এই সংবাদ দেওয়ায় তিনি লাঙ্গল ছেড়ে শঙ্খ আর ভেরী বাজিয়ে লোক জড়ো করলেন আর পঞ্চাশ জন লোক সংগ্রহ করে দস্যুদের ধরতে গেলেন, কিন্তু তাদের আর উদ্দেশ পেলেন না। গ্রামের লোকরা তাদের যা কাপড়চোপড় ছিল, পথিক-দের পরতে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)