০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
যখন ঢাকা ঘুমায়: অস্থির পৃথিবীর মাঝে এক বিরল বিরতি আমাদের খাবারের পেছনের নৈতিক প্রশ্ন ঈদের চামড়ায় ধস: বিক্রি না হওয়ায় মাটিচাপা, নদীতে ভাসানোর আশঙ্কা ডিম-পাথর-জুতা নিক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ইসলামী রাষ্ট্রের আসল পরীক্ষা: স্লোগান নয়, মানুষের জীবন নতুন যুদ্ধের মুখ: ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অচলাবস্থার যুগে বিশ্ব সংঘাতের নতুন বাস্তবতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে তেহরানে রক্ষণশীলদের চাপ গিলগিট-বালতিস্তানে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে পিটিআই নেতাদের বহিষ্কার, বিতর্কে নির্বাচনী পরিবেশ ঈদের উৎসব নয়, হাসপাতালের শয্যায় লড়াই হামে উদ্বেগ বাড়ছে: ছুটির মধ্যেও দিনে আক্রান্ত ১,০০০-এর বেশি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮ শিশুর

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • 267

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর ছেড়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীরের দিকে অগ্রসর হলেন।প্রথমে এলেন শাকলে (বর্তমান শিয়ালকোট)। হিউএনচাঙের পাঁচ শত বছর আগে এখানে গ্রীকদের একটা ছোট রাজ্য ছিল। সেই রাজ্যের রাজাদের মধ্যে একজন, মেনাল্ডের (বৌদ্ধনাম মিলিন্দ), বৌদ্ধশাস্ত্রে বিখ্যাত। তাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ ভিক্ষু নাগসেনের বিচার হয়।

সেই বিচারের বিবরণ ‘মিলিন্দ পঞহো’ (মিলিন্দ প্রশ্ন) বৌদ্ধশাস্ত্রের একখানা মূল্যবান গ্রন্থ। হিউএনচাঙের সময়ে শাকলে, মিলিন্দের কোনো স্মৃতি বোধ হয় ছিল না। থাকলে তিনি নিশ্চয়ই তার ‘উল্লেখ করতেন। কিন্তু মহাযানের একজন বিশিষ্ট দার্শনিক, বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বছর আগে এখানেই হীনযান ত্যাগ করে মহাযানী হন বলে প্রসিদ্ধি ছিল।

বর্বর হুণদের নৃশংস রাজা মিহিরগুলের প্রধান আড্ডা ছিল শাকলে। গান্ধারের রাজপরিবারকে হত্যা ক’রে, সমস্ত সঙ্ঘারামগুলি, যতগুলি পেরেছিল স্তূপগুলি ধ্বংস ক’রে সেসমস্ত দেশের ধনরত্ন লুঠ করেছিল আর অধিবাসীদের দলে দলে বন্দী ক’রে এনে সিন্ধু নদীর তীরে হত্যা করেছিল। আধুনিক ‘সভ্য জাতিদের’ বীভৎসতার তুলনায় অবশ্য এ কিছুই নয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

জনপ্রিয় সংবাদ

যখন ঢাকা ঘুমায়: অস্থির পৃথিবীর মাঝে এক বিরল বিরতি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর ছেড়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীরের দিকে অগ্রসর হলেন।প্রথমে এলেন শাকলে (বর্তমান শিয়ালকোট)। হিউএনচাঙের পাঁচ শত বছর আগে এখানে গ্রীকদের একটা ছোট রাজ্য ছিল। সেই রাজ্যের রাজাদের মধ্যে একজন, মেনাল্ডের (বৌদ্ধনাম মিলিন্দ), বৌদ্ধশাস্ত্রে বিখ্যাত। তাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ ভিক্ষু নাগসেনের বিচার হয়।

সেই বিচারের বিবরণ ‘মিলিন্দ পঞহো’ (মিলিন্দ প্রশ্ন) বৌদ্ধশাস্ত্রের একখানা মূল্যবান গ্রন্থ। হিউএনচাঙের সময়ে শাকলে, মিলিন্দের কোনো স্মৃতি বোধ হয় ছিল না। থাকলে তিনি নিশ্চয়ই তার ‘উল্লেখ করতেন। কিন্তু মহাযানের একজন বিশিষ্ট দার্শনিক, বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বছর আগে এখানেই হীনযান ত্যাগ করে মহাযানী হন বলে প্রসিদ্ধি ছিল।

বর্বর হুণদের নৃশংস রাজা মিহিরগুলের প্রধান আড্ডা ছিল শাকলে। গান্ধারের রাজপরিবারকে হত্যা ক’রে, সমস্ত সঙ্ঘারামগুলি, যতগুলি পেরেছিল স্তূপগুলি ধ্বংস ক’রে সেসমস্ত দেশের ধনরত্ন লুঠ করেছিল আর অধিবাসীদের দলে দলে বন্দী ক’রে এনে সিন্ধু নদীর তীরে হত্যা করেছিল। আধুনিক ‘সভ্য জাতিদের’ বীভৎসতার তুলনায় অবশ্য এ কিছুই নয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)