১২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সস্তা ইনজেকশনে স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন যুগ, ভারতের পদক্ষেপে বদলাতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্যচিত্র ইরান ছয় মাস পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত কেটি পেরির বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, দুই দশক পর মুখ খুললেন রুবি রোজ প্রোটিন ও ফাইবার ‘ম্যাক্সিং’ ট্রেন্ড: সোশ্যাল মিডিয়ার এই স্বাস্থ্য হাওয়ায় কতটা সত্যি আছে? টেম্পের ঐতিহ্যের স্বীকৃতি: জাভার রান্নাঘর থেকে বিশ্বমঞ্চে বইয়ের ভেতরে লুকানো জীবন: সম্পর্ক, স্মৃতি আর মানুষের অজানা গল্পের চার দিক ডাইনিবিদ্যার রহস্যে পরিবার ভাঙনের গল্প: মেরি এনদিয়ের নতুন উপন্যাসে অদ্ভুত এক বাস্তবতা যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাত নিষেধাজ্ঞার রাজ্যগুলোতে ওষুধের ব্যবহার রেকর্ড উচ্চতায়, কমছে অন্য রাজ্যে ভ্রমণ শিল্প, প্রতারণা আর প্রতিশোধের গল্প: ‘দ্য ক্রিস্টোফারস’-এ ভিন্ন এক মানসিক লড়াই কোচেল্লায় গোপনে হাজির টিমোথি, কাইলির পাশে ধরা পড়লেন অবশেষে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • 235

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর ছেড়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীরের দিকে অগ্রসর হলেন।প্রথমে এলেন শাকলে (বর্তমান শিয়ালকোট)। হিউএনচাঙের পাঁচ শত বছর আগে এখানে গ্রীকদের একটা ছোট রাজ্য ছিল। সেই রাজ্যের রাজাদের মধ্যে একজন, মেনাল্ডের (বৌদ্ধনাম মিলিন্দ), বৌদ্ধশাস্ত্রে বিখ্যাত। তাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ ভিক্ষু নাগসেনের বিচার হয়।

সেই বিচারের বিবরণ ‘মিলিন্দ পঞহো’ (মিলিন্দ প্রশ্ন) বৌদ্ধশাস্ত্রের একখানা মূল্যবান গ্রন্থ। হিউএনচাঙের সময়ে শাকলে, মিলিন্দের কোনো স্মৃতি বোধ হয় ছিল না। থাকলে তিনি নিশ্চয়ই তার ‘উল্লেখ করতেন। কিন্তু মহাযানের একজন বিশিষ্ট দার্শনিক, বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বছর আগে এখানেই হীনযান ত্যাগ করে মহাযানী হন বলে প্রসিদ্ধি ছিল।

বর্বর হুণদের নৃশংস রাজা মিহিরগুলের প্রধান আড্ডা ছিল শাকলে। গান্ধারের রাজপরিবারকে হত্যা ক’রে, সমস্ত সঙ্ঘারামগুলি, যতগুলি পেরেছিল স্তূপগুলি ধ্বংস ক’রে সেসমস্ত দেশের ধনরত্ন লুঠ করেছিল আর অধিবাসীদের দলে দলে বন্দী ক’রে এনে সিন্ধু নদীর তীরে হত্যা করেছিল। আধুনিক ‘সভ্য জাতিদের’ বীভৎসতার তুলনায় অবশ্য এ কিছুই নয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

জনপ্রিয় সংবাদ

সস্তা ইনজেকশনে স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন যুগ, ভারতের পদক্ষেপে বদলাতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্যচিত্র

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর ছেড়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীরের দিকে অগ্রসর হলেন।প্রথমে এলেন শাকলে (বর্তমান শিয়ালকোট)। হিউএনচাঙের পাঁচ শত বছর আগে এখানে গ্রীকদের একটা ছোট রাজ্য ছিল। সেই রাজ্যের রাজাদের মধ্যে একজন, মেনাল্ডের (বৌদ্ধনাম মিলিন্দ), বৌদ্ধশাস্ত্রে বিখ্যাত। তাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ ভিক্ষু নাগসেনের বিচার হয়।

সেই বিচারের বিবরণ ‘মিলিন্দ পঞহো’ (মিলিন্দ প্রশ্ন) বৌদ্ধশাস্ত্রের একখানা মূল্যবান গ্রন্থ। হিউএনচাঙের সময়ে শাকলে, মিলিন্দের কোনো স্মৃতি বোধ হয় ছিল না। থাকলে তিনি নিশ্চয়ই তার ‘উল্লেখ করতেন। কিন্তু মহাযানের একজন বিশিষ্ট দার্শনিক, বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বছর আগে এখানেই হীনযান ত্যাগ করে মহাযানী হন বলে প্রসিদ্ধি ছিল।

বর্বর হুণদের নৃশংস রাজা মিহিরগুলের প্রধান আড্ডা ছিল শাকলে। গান্ধারের রাজপরিবারকে হত্যা ক’রে, সমস্ত সঙ্ঘারামগুলি, যতগুলি পেরেছিল স্তূপগুলি ধ্বংস ক’রে সেসমস্ত দেশের ধনরত্ন লুঠ করেছিল আর অধিবাসীদের দলে দলে বন্দী ক’রে এনে সিন্ধু নদীর তীরে হত্যা করেছিল। আধুনিক ‘সভ্য জাতিদের’ বীভৎসতার তুলনায় অবশ্য এ কিছুই নয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)