১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ভারতকে দোষারোপ পাকিস্তানের সহজ অজুহাত, পাল্টা জবাব গাভাস্কারের ‘প্রেমিক ছেলে’র ভূমিকা থেকে বেরিয়ে ‘অ্যানিম্যাল’-এ নতুন রনবীর কাপুর, কৃতিত্ব দিলেন সন্দীপ রেড্ডি ভাঙাকে নতুন পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার দ্বারপ্রান্তে বিশ্ব, চীনের উত্থান বদলে দিচ্ছে ভারসাম্য ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি: শুল্ক কমে ১৮ শতাংশ, পাঁচ বছরে বিশাল বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতার নতুন দিগন্ত দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জের ভুলে ৪৪ বিলিয়ন ডলার বিটকয়েন বিতরণ মিলানো কোর্তিনা অলিম্পিকে জাঁকজমক উদ্বোধন, রাজনৈতিক উত্তেজনাও ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ‘ভালো সূচনা’, যুদ্ধের শঙ্কার মাঝেও নতুন কূটনৈতিক আশা শুক্রবারের জুমার নামাজে ইসলামাবাদের ইমামবারগাহে আত্মঘাতী হামলা, নিহত অন্তত বত্রিশ জামায়াত ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের হিন্দুরা নিরাপদ থাকবে,আমিই তার প্রমাণ নিরাপত্তা, ভোটার অংশগ্রহণ ও সমান সুযোগ: নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউর তিন মূল লক্ষ্য

রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিনজনের, আহত অন্তত ১৪

রংপুরের পীরগঞ্জে আরেকটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। শুক্রবার ভোরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত এবং অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। পীরগঞ্জ পেট্রোল পাম্পের সামনে ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান গাজীপুরের রহিমা আখতার মুন্নি (৩৫)। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছের আবদুল রাজ্জাক হাওলাদার (৫৫) এবং তার ছেলে আরাফাত সানি সানভি (২২)। মহাসড়কে আরেকবার প্রমাণিত হলো, অসতর্ক গতি কীভাবে পরিবারে শোকের ছায়া নামিয়ে আনে।

রংপুরে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু

পরপর দুই সংঘর্ষে বিপর্যয়

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথমে একটি ট্রাক সামনের আরেকটি ট্রাকের পেছনে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দেয়। এতে প্রথম ট্রাকের সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে দ্রুত গতিতে ছুটে আসা হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাকে ধাক্কা মারে। এই দ্বিতীয় সংঘর্ষেই ঘটে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। বাসযাত্রী রহিমা আখতার মুন্নি ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত আবদুল রাজ্জাক হাওলাদারকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং তার ছেলে আরাফাত সানি সানভিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধার অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। খবর পেয়ে বড়দরগাহ হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা নতুন নয়। তবে প্রতিটি ঘটনাই মনে করিয়ে দেয়, সড়ক নিরাপত্তায় কঠোর পদক্ষেপ কতটা জরুরি। তিনটি পরিবার এখন অপূরণীয় ক্ষতির মুখোমুখি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতকে দোষারোপ পাকিস্তানের সহজ অজুহাত, পাল্টা জবাব গাভাস্কারের

রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিনজনের, আহত অন্তত ১৪

১১:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রংপুরের পীরগঞ্জে আরেকটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। শুক্রবার ভোরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত এবং অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। পীরগঞ্জ পেট্রোল পাম্পের সামনে ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান গাজীপুরের রহিমা আখতার মুন্নি (৩৫)। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছের আবদুল রাজ্জাক হাওলাদার (৫৫) এবং তার ছেলে আরাফাত সানি সানভি (২২)। মহাসড়কে আরেকবার প্রমাণিত হলো, অসতর্ক গতি কীভাবে পরিবারে শোকের ছায়া নামিয়ে আনে।

রংপুরে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু

পরপর দুই সংঘর্ষে বিপর্যয়

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথমে একটি ট্রাক সামনের আরেকটি ট্রাকের পেছনে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দেয়। এতে প্রথম ট্রাকের সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে দ্রুত গতিতে ছুটে আসা হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাকে ধাক্কা মারে। এই দ্বিতীয় সংঘর্ষেই ঘটে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। বাসযাত্রী রহিমা আখতার মুন্নি ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত আবদুল রাজ্জাক হাওলাদারকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং তার ছেলে আরাফাত সানি সানভিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধার অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। খবর পেয়ে বড়দরগাহ হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা নতুন নয়। তবে প্রতিটি ঘটনাই মনে করিয়ে দেয়, সড়ক নিরাপত্তায় কঠোর পদক্ষেপ কতটা জরুরি। তিনটি পরিবার এখন অপূরণীয় ক্ষতির মুখোমুখি।