১১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শ্রীলঙ্কা’তে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ঘোষণা: কর ছাড় সহ আর্থিক কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অর্থনীতি শক্তিশালী এবং ত্বরান্বিত বৃদ্ধির পথে অ্যারুন্ধতী রায় বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বিরতি: গাজা নিয়ে জুরি সভাপতি মন্তব্যের প্রতিবাদ বগুড়ার শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ফায়ার স্টেশনে ঢুকে নিহত ফায়ারফাইটার বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আসছে অরেঞ্জ বন্ড ও সুকুক রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ তিতাস এলাকায় গ্যাসের তীব্র চাপ সংকট, ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ভোগান্তির আশঙ্কা প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী হাসান ও. রশিদের পদত্যাগ, কার্যকর হবে ৩১ মার্চ ২০২৬ সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষ: ৫ শতাধিকের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ৩ নতুন সরকারের অধীনে ছয় মাসেই ঘুরে দাঁড়াতে পারে পুঁজিবাজার: বিসিআইএ’র প্রত্যাশা

দুপুরের ঘুমে সুস্থতা ও সতর্কতা—সময়টা ঠিক রাখাই আসল চাবিকাঠি

দুপুরে একটু চোখ বুজে নেওয়া অনেকের কাছেই অলসতার প্রতীক। অথচ আধুনিক ঘুমবিজ্ঞানের ভাষ্য বলছে, সঠিক সময়ে ও সঠিক মেয়াদে নেওয়া দুপুরের ঘুম শরীর ও মনের জন্য হতে পারে বড় উপকারের। ইতিহাসে বহু প্রভাবশালী মানুষ দিনের কাজের ফাঁকে এই অভ্যাসকে গুরুত্ব দিয়েছেন। আজ বিজ্ঞানও সেই অভ্যাসের পক্ষে শক্ত প্রমাণ হাজির করছে।

দুপুরের ঘুমে কী লাভ
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প সময়ের দুপুরের ঘুম মানুষের মন ভালো রাখে, মনোযোগ বাড়ায় এবং স্মৃতিশক্তি শানিত করে। নিয়মিতভাবে অল্প সময় ঘুমালে হৃদ্‌রোগে মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। বয়সের সঙ্গে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ক্ষয়ও ধীর হতে পারে, ফলে কর্মক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকে।

সময় আর মেয়াদ কেন গুরুত্বপূর্ণ
ঘুম বিশেষজ্ঞরা একমত যে দুপুরের ঘুম দীর্ঘ হলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। দশ থেকে ত্রিশ মিনিটের মধ্যে ঘুম সবচেয়ে উপকারী। এর বেশি সময় ঘুমালে গভীর ঘুমের স্তরে ঢুকে পড়ার আশঙ্কা থাকে, ফলে জেগে ওঠার পর মাথা ভারী লাগে এবং রাতের ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটে। নিয়মিতভাবে এক ঘণ্টার বেশি দুপুরের ঘুম ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও গবেষণায় ইঙ্গিত মিলেছে।

অফিসে কাজের মাঝে খালি ঘুম পায়? ঘুম তাড়াতে যা করবেন

মানবদেহের স্বাভাবিক ছন্দ ও দুপুরের ঝিমুনি
মানুষের দেহঘড়িতে দুপুরের পর স্বাভাবিকভাবেই একবার শক্তি কমে আসে। এ সময় মনোযোগে ভাটা পড়ে, যাকে অনেকেই খাবারের পরের অলসতা বলে চেনেন। গবেষণা বলছে, এই সময়ে অল্প ঘুম রাতের ঘুম নষ্ট না করেই শরীরকে নতুন করে চাঙা করতে পারে। তবে রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করাও সমান জরুরি।

কফি না ঘুম—কোনটা ভালো
দুপুরের ঝিমুনি কাটাতে অনেকেই কফির আশ্রয় নেন। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প সময়ের ঘুম সতর্কতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কফির চেয়েও কার্যকর হতে পারে। এমনকি খারাপ রাতের ঘুমের নেতিবাচক প্রভাবও দুপুরের এই ছোট্ট ঘুম কিছুটা পুষিয়ে দিতে সক্ষম।

সংযমই আসল কথা
দুপুরের ঘুম অলসতা নয়, বরং সঠিকভাবে নিলে তা হতে পারে সুস্থ জীবনের এক কার্যকর হাতিয়ার। তবে সময় মেপে ঘুমানোই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটু অ্যালার্ম সেট করে নেওয়াই হতে পারে সচেতনতার প্রথম ধাপ।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কা’তে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ঘোষণা: কর ছাড় সহ আর্থিক কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ

দুপুরের ঘুমে সুস্থতা ও সতর্কতা—সময়টা ঠিক রাখাই আসল চাবিকাঠি

১০:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুপুরে একটু চোখ বুজে নেওয়া অনেকের কাছেই অলসতার প্রতীক। অথচ আধুনিক ঘুমবিজ্ঞানের ভাষ্য বলছে, সঠিক সময়ে ও সঠিক মেয়াদে নেওয়া দুপুরের ঘুম শরীর ও মনের জন্য হতে পারে বড় উপকারের। ইতিহাসে বহু প্রভাবশালী মানুষ দিনের কাজের ফাঁকে এই অভ্যাসকে গুরুত্ব দিয়েছেন। আজ বিজ্ঞানও সেই অভ্যাসের পক্ষে শক্ত প্রমাণ হাজির করছে।

দুপুরের ঘুমে কী লাভ
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প সময়ের দুপুরের ঘুম মানুষের মন ভালো রাখে, মনোযোগ বাড়ায় এবং স্মৃতিশক্তি শানিত করে। নিয়মিতভাবে অল্প সময় ঘুমালে হৃদ্‌রোগে মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। বয়সের সঙ্গে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ক্ষয়ও ধীর হতে পারে, ফলে কর্মক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকে।

সময় আর মেয়াদ কেন গুরুত্বপূর্ণ
ঘুম বিশেষজ্ঞরা একমত যে দুপুরের ঘুম দীর্ঘ হলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। দশ থেকে ত্রিশ মিনিটের মধ্যে ঘুম সবচেয়ে উপকারী। এর বেশি সময় ঘুমালে গভীর ঘুমের স্তরে ঢুকে পড়ার আশঙ্কা থাকে, ফলে জেগে ওঠার পর মাথা ভারী লাগে এবং রাতের ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটে। নিয়মিতভাবে এক ঘণ্টার বেশি দুপুরের ঘুম ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও গবেষণায় ইঙ্গিত মিলেছে।

অফিসে কাজের মাঝে খালি ঘুম পায়? ঘুম তাড়াতে যা করবেন

মানবদেহের স্বাভাবিক ছন্দ ও দুপুরের ঝিমুনি
মানুষের দেহঘড়িতে দুপুরের পর স্বাভাবিকভাবেই একবার শক্তি কমে আসে। এ সময় মনোযোগে ভাটা পড়ে, যাকে অনেকেই খাবারের পরের অলসতা বলে চেনেন। গবেষণা বলছে, এই সময়ে অল্প ঘুম রাতের ঘুম নষ্ট না করেই শরীরকে নতুন করে চাঙা করতে পারে। তবে রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করাও সমান জরুরি।

কফি না ঘুম—কোনটা ভালো
দুপুরের ঝিমুনি কাটাতে অনেকেই কফির আশ্রয় নেন। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প সময়ের ঘুম সতর্কতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কফির চেয়েও কার্যকর হতে পারে। এমনকি খারাপ রাতের ঘুমের নেতিবাচক প্রভাবও দুপুরের এই ছোট্ট ঘুম কিছুটা পুষিয়ে দিতে সক্ষম।

সংযমই আসল কথা
দুপুরের ঘুম অলসতা নয়, বরং সঠিকভাবে নিলে তা হতে পারে সুস্থ জীবনের এক কার্যকর হাতিয়ার। তবে সময় মেপে ঘুমানোই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটু অ্যালার্ম সেট করে নেওয়াই হতে পারে সচেতনতার প্রথম ধাপ।