০২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
নওগাঁয় জামায়াতের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পাঁচ হিন্দু যুবকের যোগদান লন্ডনের অভিজাত মহলে ইমরানের প্রভাব, এপস্টেইন নথিতে জাতিসংঘ কর্মকর্তার বিস্ময়কর ইঙ্গিত সহযোগিতার শক্তিতে উন্নয়ন: যৌথ অর্থায়ন কেন এখন সময়ের সবচেয়ে জরুরি কৌশল আইসিসির জরুরি বৈঠক, ভারত ম্যাচ বয়কটের জেরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ওপর ঝুলছে নিষেধাজ্ঞার খড়গ পাকিস্তানে কোয়েটাসহ ১২ শহরে হামলা, দুই দিনে ১০৮ ‘জঙ্গি’ নিহতের দাবি নিরাপত্তা বাহিনীর জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কৌশল কেন এখন রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার বরফের রাজনীতির নতুন যুদ্ধ: আর্কটিক কেন বিশ্বশক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করছে ফেব্রুয়ারিতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, কোথাও তাপমাত্রা নামতে পারে আট ডিগ্রিতে কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের আইসিডিডিআরবি, বিশ্বজুড়ে নতুন প্রশ্ন বিদ্রোহীদের নিয়ে শেষ মুহূর্তে কী ভাবছে বিএনপি

ঢাকা আদালতে দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গ্রেপ্তার দেখানো

ঢাকার একটি আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে একটি দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমোদন দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জানান, কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কমিশনের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও সম্পদের হিসাব
আবেদনে বলা হয়, ফরহাদ হোসেন ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার নামে প্রায় এক কোটি এগারো লাখ টাকার বেশি সম্পদের সন্ধান মিলেছে, যা তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ব্যাংক লেনদেনে অস্বাভাবিকতার অভিযোগ
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফরহাদ হোসেনের নামে মোট বারোটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ছয় কোটি চুয়ান্ন লাখ টাকার বেশি এবং উত্তোলনের পরিমাণ ছয় কোটি পঁয়ত্রিশ লাখ টাকারও বেশি। তদন্ত কর্মকর্তারা এই লেনদেনকে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গ্রেপ্তার ও অন্যান্য মামলা
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফরহাদ হোসেনকে পনেরো সেপ্টেম্বর রাজধানীর এসকাটন এলাকা থেকে আটক করা হয়। এর আগে ও পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলায় ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে আদালত কে জানানো হয়।

এই মামলায় আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্ত আরও জোরালোভাবে এগোবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় জামায়াতের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পাঁচ হিন্দু যুবকের যোগদান

ঢাকা আদালতে দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গ্রেপ্তার দেখানো

১২:১৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকার একটি আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে একটি দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমোদন দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জানান, কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কমিশনের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও সম্পদের হিসাব
আবেদনে বলা হয়, ফরহাদ হোসেন ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার নামে প্রায় এক কোটি এগারো লাখ টাকার বেশি সম্পদের সন্ধান মিলেছে, যা তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ব্যাংক লেনদেনে অস্বাভাবিকতার অভিযোগ
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফরহাদ হোসেনের নামে মোট বারোটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ছয় কোটি চুয়ান্ন লাখ টাকার বেশি এবং উত্তোলনের পরিমাণ ছয় কোটি পঁয়ত্রিশ লাখ টাকারও বেশি। তদন্ত কর্মকর্তারা এই লেনদেনকে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গ্রেপ্তার ও অন্যান্য মামলা
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফরহাদ হোসেনকে পনেরো সেপ্টেম্বর রাজধানীর এসকাটন এলাকা থেকে আটক করা হয়। এর আগে ও পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলায় ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে আদালত কে জানানো হয়।

এই মামলায় আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্ত আরও জোরালোভাবে এগোবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে।