০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • 305

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘নগরে সুন্দরভাবে অলংকৃত একটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা বিশ্বাস করে। যে এ মন্দিরে জীবন ত্যাগ করলে স্বর্গে অনন্ত সুখভোগ হয়। এই মন্দিরের সম্মুখে একটা প্রকাণ্ড গাছ আছে, তার ডালপালায় ঘন ছায়া হয়। এই গাছে একটা দৈত্য আছে। সে সকলকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়।

‘এদেশের লোকের বিশ্বাস, সঙ্গমে স্নান করলে সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়। তাই দলে দলে লোক এসে সাত দিন পর্যন্ত উপোস করে, তার পর কেউ কেউ জলে ডুবে মরে। এমন কি, সঙ্গমের নিকটে দলে দলে বানর আর হরিণ জড়ো হয়; তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্নান করে চলে যায়। কেউ উপোস করে প্রাণত্যাগ করে!

‘এদেশে শস্য আর ফলের গাছ খুব ভালো হয়। আবহাওয়া গরম, সুখদ। অধিবাসীরা ভদ্র ও বাধ্য। তারা বিদ্যার অনুরক্ত আর ঘোর বিধর্মী।’

প্রয়াগ ছেড়ে হিউএনচাঙ গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্য এক রাজধানী কৌশাম্বীতে গেলেন। ঐ অরণ্যে নানা হিংস্র পশু হাতি ইত্যাদি ছিল। আধুনিক কোশাম গ্রামে অল্পদিন হল কৌশাম্বীর ভগ্নাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে।

আর এর ভাস্কর্যের অনেক আশ্চর্য আশ্চর্য নিদর্শন প্রয়াগে যাদুঘরে রাখা হয়েছে।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯১)

০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘নগরে সুন্দরভাবে অলংকৃত একটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা বিশ্বাস করে। যে এ মন্দিরে জীবন ত্যাগ করলে স্বর্গে অনন্ত সুখভোগ হয়। এই মন্দিরের সম্মুখে একটা প্রকাণ্ড গাছ আছে, তার ডালপালায় ঘন ছায়া হয়। এই গাছে একটা দৈত্য আছে। সে সকলকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়।

‘এদেশের লোকের বিশ্বাস, সঙ্গমে স্নান করলে সমস্ত পাপ ক্ষয় হয়। তাই দলে দলে লোক এসে সাত দিন পর্যন্ত উপোস করে, তার পর কেউ কেউ জলে ডুবে মরে। এমন কি, সঙ্গমের নিকটে দলে দলে বানর আর হরিণ জড়ো হয়; তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্নান করে চলে যায়। কেউ উপোস করে প্রাণত্যাগ করে!

‘এদেশে শস্য আর ফলের গাছ খুব ভালো হয়। আবহাওয়া গরম, সুখদ। অধিবাসীরা ভদ্র ও বাধ্য। তারা বিদ্যার অনুরক্ত আর ঘোর বিধর্মী।’

প্রয়াগ ছেড়ে হিউএনচাঙ গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গুপ্তসাম্রাজ্যের অন্য এক রাজধানী কৌশাম্বীতে গেলেন। ঐ অরণ্যে নানা হিংস্র পশু হাতি ইত্যাদি ছিল। আধুনিক কোশাম গ্রামে অল্পদিন হল কৌশাম্বীর ভগ্নাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে।

আর এর ভাস্কর্যের অনেক আশ্চর্য আশ্চর্য নিদর্শন প্রয়াগে যাদুঘরে রাখা হয়েছে।

(চলবে)