০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • 336

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এখানে অনেকগুলি স্তূপ ছিল। বুদ্ধ যে-বাড়িতে তাঁর শেষ আহার করেন, সেই কর্মকার চুন্দর বাড়ি, যে শালকুঞ্জে পরিনির্বাণ হয়, সেই স্থানে, যে জায়গায় তাঁহার দেহাবশেষ বিতরিত হয়, সেই সমস্ত জায়গায়ই একটা একটা স্তূপ ছিল। বুদ্ধের মৃত্যুর পর দেবরাজ দানবরাজ আর পৃথিবীয়।

আট জন রাজা বুদ্ধের দেহাবশেষ নিয়ে যান। পরে অশোক সেই আট রাজার নিমিত স্তূপ থেকে দেহাবশেষগুলি বার করে জম্বুদ্বীপের শেষ সীমা পর্যন্ত বিতরণ করে সেইগুলির উপর চুরাশি হাজারটি স্তূপ নির্মাণ করেছিলেন।

এর পর হিউএনচাঙ বারানসীতে এলেন। তিনি এ নগরীর বহু অধিবাসী, মহাসমৃদ্ধি, পুরাতন সভ্যতা আর বহু হিন্দু মন্দিরের উল্লেখ করেছেন। ‘এইসব মন্দির অনেক তলা উচু, আর এরা বহু ভাস্কর্যে পূর্ণ। মন্দিরের যেসব অংশ কাঠে তৈরি, সেগুলি হরেক রকম চকচকে রঙ করা।

মন্দিরগুলির চারদিকে ফুলবাগান আর পরিষ্কার জলের পুষ্করিণী। এখানে অনেক সাধু-সন্ন্যাসী আছেন। বেশির ভাগই শৈব সন্ন্যাসী, কেউ চুল কেটে ফেলে, কেউ-বা জটাধারী; কেউ কেউ (জৈনরা) নগ্ন। অন্তেরা গায়ে ছাই মাখে বা মোক্ষলাভের জন্তে কঠোর তপস্যা করে।’

কাশীর একটি মন্দিরে হিউএনচাঙ এক শ ফুট উঁচু একটি তামার তৈরি শিবমৃতি দেখেছিলেন। মৃতিটি মহত্বব্যঞ্জক। তিনি বলেন, ‘দেখে মন ভয় ও ভক্তিতে পূর্ণ হয়, যেন জীবন্ত মৃতি।’

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৭)

০৯:০০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এখানে অনেকগুলি স্তূপ ছিল। বুদ্ধ যে-বাড়িতে তাঁর শেষ আহার করেন, সেই কর্মকার চুন্দর বাড়ি, যে শালকুঞ্জে পরিনির্বাণ হয়, সেই স্থানে, যে জায়গায় তাঁহার দেহাবশেষ বিতরিত হয়, সেই সমস্ত জায়গায়ই একটা একটা স্তূপ ছিল। বুদ্ধের মৃত্যুর পর দেবরাজ দানবরাজ আর পৃথিবীয়।

আট জন রাজা বুদ্ধের দেহাবশেষ নিয়ে যান। পরে অশোক সেই আট রাজার নিমিত স্তূপ থেকে দেহাবশেষগুলি বার করে জম্বুদ্বীপের শেষ সীমা পর্যন্ত বিতরণ করে সেইগুলির উপর চুরাশি হাজারটি স্তূপ নির্মাণ করেছিলেন।

এর পর হিউএনচাঙ বারানসীতে এলেন। তিনি এ নগরীর বহু অধিবাসী, মহাসমৃদ্ধি, পুরাতন সভ্যতা আর বহু হিন্দু মন্দিরের উল্লেখ করেছেন। ‘এইসব মন্দির অনেক তলা উচু, আর এরা বহু ভাস্কর্যে পূর্ণ। মন্দিরের যেসব অংশ কাঠে তৈরি, সেগুলি হরেক রকম চকচকে রঙ করা।

মন্দিরগুলির চারদিকে ফুলবাগান আর পরিষ্কার জলের পুষ্করিণী। এখানে অনেক সাধু-সন্ন্যাসী আছেন। বেশির ভাগই শৈব সন্ন্যাসী, কেউ চুল কেটে ফেলে, কেউ-বা জটাধারী; কেউ কেউ (জৈনরা) নগ্ন। অন্তেরা গায়ে ছাই মাখে বা মোক্ষলাভের জন্তে কঠোর তপস্যা করে।’

কাশীর একটি মন্দিরে হিউএনচাঙ এক শ ফুট উঁচু একটি তামার তৈরি শিবমৃতি দেখেছিলেন। মৃতিটি মহত্বব্যঞ্জক। তিনি বলেন, ‘দেখে মন ভয় ও ভক্তিতে পূর্ণ হয়, যেন জীবন্ত মৃতি।’

(চলবে)