১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল শতায়ু বাবা-মায়ের সন্তানদের আয়ু ও সুস্বাস্থ্যের সম্ভাবনা বেশি শিক্ষিত, দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণদেরই ফাঁদে ফেলছে মানবপাচারকারীরা পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না কারওয়ান বাজারে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

২০২৬ সালে স্থবির যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেন–রাশিয়া সংঘাত

শীতের প্রভাবেও থামেনি সংঘর্ষ
২০২৬ সালের শুরুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ কার্যত এক ধরনের শীতকালীন স্থবিরতায় প্রবেশ করেছে। তীব্র ঠান্ডা, বরফে ঢাকা রাস্তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে বড় ধরনের সামরিক অগ্রগতি কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে উভয় পক্ষই বর্তমানে অবস্থান ধরে রাখা ও শক্তি সংরক্ষণে মনোযোগ দিচ্ছে।
তবে সংঘর্ষ থেমে নেই। প্রতিদিন গোলাবর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চলছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও পরিবহন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার খবর মিলছে, যা শীতকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

কূটনীতিতে অচলাবস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবতা
কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, আর মস্কো তাদের অবস্থানে অনড়। প্রকাশ্য বক্তব্যে কোনো পক্ষই ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ইউরোপের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে। প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ছে, জ্বালানি কৌশল বদলাচ্ছে, এবং অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল

২০২৬ সালে স্থবির যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেন–রাশিয়া সংঘাত

০৭:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

শীতের প্রভাবেও থামেনি সংঘর্ষ
২০২৬ সালের শুরুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ কার্যত এক ধরনের শীতকালীন স্থবিরতায় প্রবেশ করেছে। তীব্র ঠান্ডা, বরফে ঢাকা রাস্তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে বড় ধরনের সামরিক অগ্রগতি কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে উভয় পক্ষই বর্তমানে অবস্থান ধরে রাখা ও শক্তি সংরক্ষণে মনোযোগ দিচ্ছে।
তবে সংঘর্ষ থেমে নেই। প্রতিদিন গোলাবর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চলছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও পরিবহন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার খবর মিলছে, যা শীতকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

কূটনীতিতে অচলাবস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবতা
কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, আর মস্কো তাদের অবস্থানে অনড়। প্রকাশ্য বক্তব্যে কোনো পক্ষই ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ইউরোপের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে। প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ছে, জ্বালানি কৌশল বদলাচ্ছে, এবং অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিচ্ছে।