০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

চার বছর পর জেওয়াইপি-ঘনিষ্ঠ নতুন কন্যাদল ‘আওয়ার বার্থডে’র অভিষেক

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতজগতে চার বছর পর জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট-সংশ্লিষ্ট নতুন কন্যাদল হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে ‘আওয়ার বার্থডে’। বুধবার সিউলের ইয়ংসান জেলার ব্লু স্কোয়ারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাত সদস্যের দলটি তাদের প্রথম একক গান ‘আওয়ার বার্থডে’ প্রকাশ করে।

দলটির সাত সদস্য হলেন কুক চো-রক, কিরারা, বেবি, চো হে-জিন, ইউ, শিন হে-ওন ও আচিরায়া। জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্টের অধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্নিট এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করা এই দলটি ২০২২ সালে এনমিক্সের অভিষেকের পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত প্রথম নতুন কন্যাদল।

সাধারণ দিনকে জন্মদিনের মতো করে তোলার লক্ষ্য

‘আওয়ার বার্থডে’ নামটির মধ্যেই দলের ভাবনা লুকিয়ে আছে। সদস্যরা চান, জীবনের সাধারণ দিনগুলোও যেন জন্মদিনের মতো আনন্দময় ও বিশেষ হয়ে ওঠে।

সদস্য চো হে-জিন বলেন, অভিষেকের এই মুহূর্তটির জন্য তারা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছেন। অভিষেকের আগে দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে পূর্ণ দল হিসেবে দর্শকদের সামনে আসতে পারা তাদের কাছে অত্যন্ত অর্থবহ।

ইউ জানান, প্রথমবার দলের নাম শুনেই তার মনে হয়েছিল, প্রতিটি দিন যেন আনন্দ ও বিশেষত্বে ভরে উঠবে। বেবিও বলেন, সাতজন যে একই দলের সদস্য হিসেবে অভিষেক করতে যাচ্ছেন, দলের নামটি শোনার পরই বিষয়টি তার কাছে বাস্তব মনে হয়।

জেওয়াইপির সফল কন্যাদলের উত্তরসূরি

ওয়ান্ডার গার্লস, মিস এ, টুয়াইস, ইটজি ও এনমিক্সের মতো সফল কন্যাদলের পর নতুন দল হিসেবে ‘আওয়ার বার্থডে’র ওপর প্রত্যাশার চাপও রয়েছে।

আচিরায়া স্বীকার করেন, এত সফল জ্যেষ্ঠ শিল্পীর পর একই ধারায় অভিষেক করায় চাপ অনুভব করা স্বাভাবিক। তবে সেই চাপকেই তারা নিজেদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজে লাগাতে চান।

দলের সদস্য ইউ জানান, প্রযোজক পার্ক জিন-ইয়ং তাদের সংগীতের চেয়ে পারস্পরিক সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। মতের অমিল হলেও একে অপরকে সম্মান করা এবং খোলাখুলি কথা বলার মাধ্যমে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার পরিবেশ গড়ে তুলতে চান তারা।

ভিন্নধর্মী সংগীতধারা

অভিষেকের একক প্রকাশনায় রয়েছে চারটি গান। এর মধ্যে রয়েছে ‘স্কুইজি’, ‘আওয়ার বার্থডে’ এবং অভিষেকের আগে প্রকাশিত ‘হাংরি’র দুটি অংশ।

দলটির সংগীতধারাকে তারা ‘হুইপ-হপ’ নামে পরিচয় দিচ্ছে। হিপ-হপের সঙ্গে সাত সদস্যের ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্ব ও আকর্ষণকে মিশিয়ে এই নতুন ধারা তৈরি করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে শুধু এই ধারাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে আরও বিভিন্ন ধরনের গান করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিন হে-ওন।

অভিষেকের আগেই ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা

আনুষ্ঠানিক অভিষেকের আগে দলটির সাত সদস্যকে দুটি আলাদা দলে ভাগ করা হয়েছিল। চো, বেবি ও আচিরায়া ছিলেন ‘হাংরি’র প্রথম অংশে। অন্যদিকে কুক চো-রক, শিন, ইউ ও কিরারা ছিলেন দ্বিতীয় অংশে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতের প্রচলিত ধারায় সাধারণত পুরো দল একসঙ্গে অভিষেক করে। সেই তুলনায় ‘আওয়ার বার্থডে’র এই দুই ধাপে আত্মপ্রকাশ ছিল বেশ ব্যতিক্রমী।

বেবি জানান, দর্শকদের সামনে সরাসরি পরিবেশনের অভিজ্ঞতা তাদের জন্য একেবারেই আলাদা ছিল এবং তা মঞ্চে আরও বেশি শক্তি নিয়ে পারফর্ম করতে সাহায্য করেছে।

নিজেদের পরিচয়েই পরিচিত হতে চান সদস্যরা

‘স্কুইজি’ গানটি ছন্দনির্ভর নৃত্যগান। গানটির কথায় চাপ ও মানসিক ক্লান্তিকে একটি নরম খেলনা চেপে ধরার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

কুক চো-রকের মতে, মিষ্টি ও মজাদার সুরের সঙ্গে শক্তিশালী মঞ্চ পরিবেশনার সমন্বয় করা হয়েছে গানটিতে। সাহসী নৃত্যভঙ্গি ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে সাত সদস্যের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য।

ভবিষ্যতে কীভাবে দর্শকদের মনে থাকতে চান—এমন প্রশ্নের উত্তরে কুক চো-রক বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ের চেয়ে নিজেদের দলের নামেই পরিচিত হতে চান তারা। পাশাপাশি বর্তমানের চেয়ে আরও বেশি মঞ্চে পারফর্ম করে নিজেদের উপস্থিতি ছড়িয়ে দিতে চান।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

চার বছর পর জেওয়াইপি-ঘনিষ্ঠ নতুন কন্যাদল ‘আওয়ার বার্থডে’র অভিষেক

০৪:০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতজগতে চার বছর পর জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট-সংশ্লিষ্ট নতুন কন্যাদল হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে ‘আওয়ার বার্থডে’। বুধবার সিউলের ইয়ংসান জেলার ব্লু স্কোয়ারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাত সদস্যের দলটি তাদের প্রথম একক গান ‘আওয়ার বার্থডে’ প্রকাশ করে।

দলটির সাত সদস্য হলেন কুক চো-রক, কিরারা, বেবি, চো হে-জিন, ইউ, শিন হে-ওন ও আচিরায়া। জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্টের অধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্নিট এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করা এই দলটি ২০২২ সালে এনমিক্সের অভিষেকের পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত প্রথম নতুন কন্যাদল।

সাধারণ দিনকে জন্মদিনের মতো করে তোলার লক্ষ্য

‘আওয়ার বার্থডে’ নামটির মধ্যেই দলের ভাবনা লুকিয়ে আছে। সদস্যরা চান, জীবনের সাধারণ দিনগুলোও যেন জন্মদিনের মতো আনন্দময় ও বিশেষ হয়ে ওঠে।

সদস্য চো হে-জিন বলেন, অভিষেকের এই মুহূর্তটির জন্য তারা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছেন। অভিষেকের আগে দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে পূর্ণ দল হিসেবে দর্শকদের সামনে আসতে পারা তাদের কাছে অত্যন্ত অর্থবহ।

ইউ জানান, প্রথমবার দলের নাম শুনেই তার মনে হয়েছিল, প্রতিটি দিন যেন আনন্দ ও বিশেষত্বে ভরে উঠবে। বেবিও বলেন, সাতজন যে একই দলের সদস্য হিসেবে অভিষেক করতে যাচ্ছেন, দলের নামটি শোনার পরই বিষয়টি তার কাছে বাস্তব মনে হয়।

জেওয়াইপির সফল কন্যাদলের উত্তরসূরি

ওয়ান্ডার গার্লস, মিস এ, টুয়াইস, ইটজি ও এনমিক্সের মতো সফল কন্যাদলের পর নতুন দল হিসেবে ‘আওয়ার বার্থডে’র ওপর প্রত্যাশার চাপও রয়েছে।

আচিরায়া স্বীকার করেন, এত সফল জ্যেষ্ঠ শিল্পীর পর একই ধারায় অভিষেক করায় চাপ অনুভব করা স্বাভাবিক। তবে সেই চাপকেই তারা নিজেদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজে লাগাতে চান।

দলের সদস্য ইউ জানান, প্রযোজক পার্ক জিন-ইয়ং তাদের সংগীতের চেয়ে পারস্পরিক সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। মতের অমিল হলেও একে অপরকে সম্মান করা এবং খোলাখুলি কথা বলার মাধ্যমে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার পরিবেশ গড়ে তুলতে চান তারা।

ভিন্নধর্মী সংগীতধারা

অভিষেকের একক প্রকাশনায় রয়েছে চারটি গান। এর মধ্যে রয়েছে ‘স্কুইজি’, ‘আওয়ার বার্থডে’ এবং অভিষেকের আগে প্রকাশিত ‘হাংরি’র দুটি অংশ।

দলটির সংগীতধারাকে তারা ‘হুইপ-হপ’ নামে পরিচয় দিচ্ছে। হিপ-হপের সঙ্গে সাত সদস্যের ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্ব ও আকর্ষণকে মিশিয়ে এই নতুন ধারা তৈরি করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে শুধু এই ধারাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে আরও বিভিন্ন ধরনের গান করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিন হে-ওন।

অভিষেকের আগেই ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা

আনুষ্ঠানিক অভিষেকের আগে দলটির সাত সদস্যকে দুটি আলাদা দলে ভাগ করা হয়েছিল। চো, বেবি ও আচিরায়া ছিলেন ‘হাংরি’র প্রথম অংশে। অন্যদিকে কুক চো-রক, শিন, ইউ ও কিরারা ছিলেন দ্বিতীয় অংশে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতের প্রচলিত ধারায় সাধারণত পুরো দল একসঙ্গে অভিষেক করে। সেই তুলনায় ‘আওয়ার বার্থডে’র এই দুই ধাপে আত্মপ্রকাশ ছিল বেশ ব্যতিক্রমী।

বেবি জানান, দর্শকদের সামনে সরাসরি পরিবেশনের অভিজ্ঞতা তাদের জন্য একেবারেই আলাদা ছিল এবং তা মঞ্চে আরও বেশি শক্তি নিয়ে পারফর্ম করতে সাহায্য করেছে।

নিজেদের পরিচয়েই পরিচিত হতে চান সদস্যরা

‘স্কুইজি’ গানটি ছন্দনির্ভর নৃত্যগান। গানটির কথায় চাপ ও মানসিক ক্লান্তিকে একটি নরম খেলনা চেপে ধরার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

কুক চো-রকের মতে, মিষ্টি ও মজাদার সুরের সঙ্গে শক্তিশালী মঞ্চ পরিবেশনার সমন্বয় করা হয়েছে গানটিতে। সাহসী নৃত্যভঙ্গি ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে সাত সদস্যের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য।

ভবিষ্যতে কীভাবে দর্শকদের মনে থাকতে চান—এমন প্রশ্নের উত্তরে কুক চো-রক বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ের চেয়ে নিজেদের দলের নামেই পরিচিত হতে চান তারা। পাশাপাশি বর্তমানের চেয়ে আরও বেশি মঞ্চে পারফর্ম করে নিজেদের উপস্থিতি ছড়িয়ে দিতে চান।