০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪
  • 176

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

০৪:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

 

শারীরস্থানবিদদের পরীক্ষার ফলে জানা যায় যে পাণ্ডাদের মুখ এবং দাঁত অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীদের থেকে কোনো পার্থক্য নেই। কথায় বলে: “স্বভাব যায় না মলে।” তাই বাঁশবাগানে বা অন্য কোথাও হঠাৎ কোনো বাঁশগেছো ইঁদুর চোখে পড়লে পাণ্ডারা তাদের মাংস খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না। যেকোনভাবে তারা ইঁদুরটাকে ধরে ফেলবেই। তারপর সেটাকে হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ খেলে একসময় খপ্ করে মুখে পুরে দেবে।

 

 

 

 


পাণ্ডারা আবার কুকুরদের মতো হাড় চিবোতেও পছন্দ করে। একটি সত্যি ঘটনার কথা তোমাদের বলছি। সিছুয়ান প্রদেশের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে এক কৃষক পরিবার শূকরের হাড় দিয়ে ঝোল রান্না করছিল। তখন একটা পাণ্ডা সেখান দিয়ে যাবার সময় হাড়ের গন্ধ পেয়েই সোজা সেই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলো এবং হাবভাবে হাড় খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল। কৃষক তখন হাড় বের করে তাকে ভরপেট খেতে দিল এবং তার কাঁধ চাপড়ে বলল, “এখন যাও, কাল আবার এসো।” পাণ্ডা তখন হেলতে-দুলতে সেখান থেকে চলে গেল, যাবার সময় সে একবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল, যেন বোঝাতে চাইল, “ধন্যবাদ, কাল আবার আসব।” পরদিন সে সত্যিই আবার এসেছিল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-১৯)