১২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা, প্রাণহানির খবর নেই তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা, কূটনৈতিক বার্তা ও উত্তেজনার টানাপোড়েন হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা চরমে, হামলার হুমকিতে পাল্টা জবাবের সতর্কতা ইরানের বেক্সিমকো ফার্মা নির্মিত শিশু হাসপাতালের নতুন বহির্বিভাগ চালু মার্চে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ১৯.৭৮ শতাংশ কমেছে ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে মার্কিন নীতি: বিশ্বকে সতর্কবার্তা তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, লেবাননে নিহত শিশুদের ছবি নিয়ে প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে জ্বালানি পাস ব্যবস্থা এই মাসেই চালু হচ্ছে, কিউআর কোডে নজরদারি

শিল্পভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে নতুন গতি, ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলকে শক্ত সমর্থন এনএসডিএর

দেশের শিল্পখাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগকে আরও কার্যকর করতে ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলগুলোর পাশে দাঁড়াল জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ, মানসম্মত দক্ষতা যাচাই ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরিতে এই সহায়তাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

দক্ষতা উন্নয়নে ৭ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন করেছে সরকার

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে শিল্পের সরাসরি সম্পৃক্ততা

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার বাস্তব সমন্বয় নিশ্চিত করতেই ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলের কার্যক্রম জোরদার করছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ খাতের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষতা মানদণ্ড নির্ধারণ, প্রশিক্ষণ কাঠামো তৈরি ও দক্ষতা সনদের স্বীকৃতিতে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারবে। ফলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং দক্ষতার ঘাটতি কমবে।

প্রশিক্ষণ থেকে চাকরি, পুরো শৃঙ্খলে সমন্বয়

এনএসডিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলগুলোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, মূল্যায়ন ও সনদ প্রদানের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও বাস্তবমুখী করা হবে। শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা মান নির্ধারণ হওয়ায় প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির বাজারে প্রবেশ সহজ হবে। একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে।

এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান রেহানা পারভীন

অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাবের আশা

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন উদ্যোগ শক্তিশালী হলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে এবং সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এনএসডিএর এই সমর্থন শিল্পখাত ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মধ্যে দীর্ঘদিনের ব্যবধান কমাতে সহায়ক হবে বলে ও আশা করা হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে

শিল্পভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে নতুন গতি, ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলকে শক্ত সমর্থন এনএসডিএর

১২:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের শিল্পখাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগকে আরও কার্যকর করতে ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলগুলোর পাশে দাঁড়াল জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ, মানসম্মত দক্ষতা যাচাই ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরিতে এই সহায়তাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

দক্ষতা উন্নয়নে ৭ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন করেছে সরকার

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে শিল্পের সরাসরি সম্পৃক্ততা

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার বাস্তব সমন্বয় নিশ্চিত করতেই ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলের কার্যক্রম জোরদার করছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ খাতের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষতা মানদণ্ড নির্ধারণ, প্রশিক্ষণ কাঠামো তৈরি ও দক্ষতা সনদের স্বীকৃতিতে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারবে। ফলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং দক্ষতার ঘাটতি কমবে।

প্রশিক্ষণ থেকে চাকরি, পুরো শৃঙ্খলে সমন্বয়

এনএসডিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলগুলোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, মূল্যায়ন ও সনদ প্রদানের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও বাস্তবমুখী করা হবে। শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা মান নির্ধারণ হওয়ায় প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির বাজারে প্রবেশ সহজ হবে। একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে।

এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান রেহানা পারভীন

অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাবের আশা

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন উদ্যোগ শক্তিশালী হলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে এবং সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এনএসডিএর এই সমর্থন শিল্পখাত ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মধ্যে দীর্ঘদিনের ব্যবধান কমাতে সহায়ক হবে বলে ও আশা করা হচ্ছে।