০৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
‘প্রতাপ ডুবিল, শৈবালিনী ডুবিল না’—বঙ্কিমচন্দ্রের সেই পঙ্‌ক্তির যেন বাস্তব প্রতিধ্বনি যমুনা সেতুতে মন্ত্রী বদল নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্জাগরণই হওয়া উচিত সিঙ্গাপুরে উগ্রপন্থি পোস্টের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, দেশে ফেরত পাঠানো হলো চাকরির বাজারে টিকে থাকার আসল শক্তি ডিগ্রি নয়, শেখার গভীরতা ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ ঘিরে ধোঁয়াশা, দায় নিচ্ছে না কোনো কর্তৃপক্ষ লামিনে ইয়ামালের চোট চিন্তায় স্পেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বাড়ছে উদ্বেগ ট্রাম্পের চীনবিরোধী অভিযোগে নতুন করে চাপে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক বিশ্বকাপের মঞ্চে মালভিনাস বিতর্ক: ফুটবল কি সত্যিই রাজনীতি থেকে আলাদা থাকতে পারে? যুদ্ধের প্রভাবে বদলে যাচ্ছে ফার্নবরো বিমান প্রদর্শনীর চিত্র, অস্ত্র প্রযুক্তিতে বাড়ছে নজর পেঁয়াজ-টমেটোর দাম আকাশছোঁয়া, সরবরাহ সংকটে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারে ভোগান্তি

বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক পাঁচ পেশাজীবী সংগঠনের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক উল্লেখ করে বাংলাদেশে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে পাঁচটি পেশাজীবী সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, দেশে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত পরিবেশ বর্তমানে অনুপস্থিত।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর ও অংশগ্রহণ
ভোট বয়কটের আহ্বানসংবলিত বিবৃতিতে মোট ১ হাজার ৬৭৫ জন পেশাজীবী স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ১৩৬ জন সাংবাদিক, ১১১ জন চিকিৎসক, ২৬২ জন প্রকৌশলী, ৪০১ জন কৃষিবিদ এবং ৭৬৫ জন আইনজীবী।

নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ ও আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। বরং এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসনে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নির্বাচন এভাবে সম্পন্ন হলে দেশ দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার দিকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংখ্যালঘু নিরাপত্তা প্রসঙ্গ
পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যমান বাস্তবতায় সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি
যৌথ বিবৃতিতে বর্তমান মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত সরকার গঠনের পর সব রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে আর মাত্র চার দিন বাকি। এই নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের অনুমতি পায়নি। অন্যদিকে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রচার চালিয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাও নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘প্রতাপ ডুবিল, শৈবালিনী ডুবিল না’—বঙ্কিমচন্দ্রের সেই পঙ্‌ক্তির যেন বাস্তব প্রতিধ্বনি যমুনা সেতুতে

বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক পাঁচ পেশাজীবী সংগঠনের

০৮:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক উল্লেখ করে বাংলাদেশে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে পাঁচটি পেশাজীবী সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, দেশে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত পরিবেশ বর্তমানে অনুপস্থিত।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর ও অংশগ্রহণ
ভোট বয়কটের আহ্বানসংবলিত বিবৃতিতে মোট ১ হাজার ৬৭৫ জন পেশাজীবী স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ১৩৬ জন সাংবাদিক, ১১১ জন চিকিৎসক, ২৬২ জন প্রকৌশলী, ৪০১ জন কৃষিবিদ এবং ৭৬৫ জন আইনজীবী।

নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ ও আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। বরং এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসনে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নির্বাচন এভাবে সম্পন্ন হলে দেশ দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার দিকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংখ্যালঘু নিরাপত্তা প্রসঙ্গ
পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যমান বাস্তবতায় সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি
যৌথ বিবৃতিতে বর্তমান মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত সরকার গঠনের পর সব রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে আর মাত্র চার দিন বাকি। এই নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের অনুমতি পায়নি। অন্যদিকে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রচার চালিয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাও নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছিলেন।