০২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য অস্থিরতায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন চাপ, দাম-রপ্তানি-রিজার্ভে বাড়ছে শঙ্কা হরমুজে অস্থিরতা থামেনি, যুদ্ধবিরতিতেও ইরান প্রশ্নে ট্রাম্পের সামনে রয়ে গেল বড় সংকট জ্বালানি যুদ্ধের দীর্ঘ ছায়া: যুদ্ধবিরতি হলেও উপসাগরে তেল-গ্যাস স্বাভাবিক হতে কেন লাগতে পারে বহু মাস চাঁদ ঘুরে পৃথিবীতে ফেরার পথে ইতিহাস গড়ছে আর্টেমিস দুই, অগ্নিগোলকের মতো পুনঃপ্রবেশে শেষ হবে দুঃসাহসিক মিশন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা, তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যয় বাড়ছে, সামনে ২৫ শতাংশ অর্ডার ঘাটতির শঙ্কা মিয়ানমারে নতুন মন্ত্রিসভা, তবু ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়ে গেল সেনাবাহিনী ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: চুক্তি পুরোপুরি মানা না হলে ইরানের চারপাশেই থাকবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে হোটেলে নিয়ে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, প্রতিবাদের পর রাতে মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ স্পিকার শিরীন শারমিন গ্রেফতার দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যেভাবে গ্রেফতার হলেন

বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক পাঁচ পেশাজীবী সংগঠনের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক উল্লেখ করে বাংলাদেশে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে পাঁচটি পেশাজীবী সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, দেশে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত পরিবেশ বর্তমানে অনুপস্থিত।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর ও অংশগ্রহণ
ভোট বয়কটের আহ্বানসংবলিত বিবৃতিতে মোট ১ হাজার ৬৭৫ জন পেশাজীবী স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ১৩৬ জন সাংবাদিক, ১১১ জন চিকিৎসক, ২৬২ জন প্রকৌশলী, ৪০১ জন কৃষিবিদ এবং ৭৬৫ জন আইনজীবী।

নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ ও আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। বরং এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসনে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নির্বাচন এভাবে সম্পন্ন হলে দেশ দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার দিকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংখ্যালঘু নিরাপত্তা প্রসঙ্গ
পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যমান বাস্তবতায় সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি
যৌথ বিবৃতিতে বর্তমান মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত সরকার গঠনের পর সব রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে আর মাত্র চার দিন বাকি। এই নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের অনুমতি পায়নি। অন্যদিকে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রচার চালিয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাও নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য অস্থিরতায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন চাপ, দাম-রপ্তানি-রিজার্ভে বাড়ছে শঙ্কা

বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক পাঁচ পেশাজীবী সংগঠনের

০৮:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক উল্লেখ করে বাংলাদেশে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে পাঁচটি পেশাজীবী সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, দেশে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত পরিবেশ বর্তমানে অনুপস্থিত।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর ও অংশগ্রহণ
ভোট বয়কটের আহ্বানসংবলিত বিবৃতিতে মোট ১ হাজার ৬৭৫ জন পেশাজীবী স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ১৩৬ জন সাংবাদিক, ১১১ জন চিকিৎসক, ২৬২ জন প্রকৌশলী, ৪০১ জন কৃষিবিদ এবং ৭৬৫ জন আইনজীবী।

নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ ও আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। বরং এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসনে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নির্বাচন এভাবে সম্পন্ন হলে দেশ দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার দিকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংখ্যালঘু নিরাপত্তা প্রসঙ্গ
পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যমান বাস্তবতায় সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি
যৌথ বিবৃতিতে বর্তমান মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত সরকার গঠনের পর সব রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে আর মাত্র চার দিন বাকি। এই নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের অনুমতি পায়নি। অন্যদিকে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রচার চালিয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাও নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছিলেন।