‘পিবিবি কোলাব ২.০’–এর কাপামিল্যা বিগ ফোর সম্প্রতি এক স্পটলাইট সংবাদ সম্মেলনে “বাহাই নি কুয়া”–তে চার মাসের অবস্থান এবং সেই অভিজ্ঞতার পর জীবনে আসা পরিবর্তন নিয়ে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরেছেন।
চতুর্থ স্থান অর্জনকারী মিগুয়েল ভারগারা জানান, এই অভিজ্ঞতা দর্শকদের চোখে তাঁর পরিচয় বদলে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ তাঁকে মূলত তাঁর অভিনীত চরিত্রগুলোর মাধ্যমেই চিনত।
তিনি বলেন, আমি অনেকদিন ধরেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে আছি, তাই মানুষ আমাকে শুধু আমার অভিনীত চরিত্র ও অনুষ্ঠানেই দেখেছে। কিন্তু যখন আমি পিবিবিতে প্রবেশ করি, তখন চেয়েছিলাম তারা যেন ‘মিগুয়েল’–কে দেখে—আমি আসলে কে।
তৃতীয় স্থান অধিকারী জোয়াকিন আরসে তাঁর সময়টিকে আত্মবিশ্লেষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই অভিজ্ঞতা তাঁকে দৈনন্দিন ছোট ছোট বিষয়ের মূল্য বুঝতে শিখিয়েছে।
আরসে বলেন, পিবিবি আপনাকে শেখায় আপনার কাছে যা আছে, তার প্রতিটি ছোট জিনিসকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে মূল্য দিতে।
তিনি আরও যোগ করেন, এই অভিজ্ঞতা তাঁকে আরও আত্মমুখী ও চিন্তাশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।
দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ক্রিস্টাল মেজেস জানান, ‘বিগ নাইট’–এর পর বাড়িতে ফিরে তিনি এক ধরনের মানসিক চাপে পড়ে যান, যখন তিনি ঘটে যাওয়া সবকিছু বোঝার চেষ্টা করছিলেন।
তিনি বলেন, বিগ নাইটের পর বাড়ি ফিরে আমি ফোন ব্যবহার করি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে শুরু করি এবং ঘুমাতে পারছিলাম না। এমনও মুহূর্ত ছিল, যখন আমি ফাঁকা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতাম, কারণ সবকিছু বোঝার চেষ্টা করছিলাম। পুরো বিষয়টি ছিল খুবই অভিভূতকর।
বিগ উইনার লেলা ফোর্ড বলেন, এই অভিজ্ঞতা তাঁর অভিনেত্রী হওয়ার লক্ষ্যকে আরও দৃঢ় করেছে। তিনি মনে করেন, এই যাত্রা তাঁকে পারিবারিক পরিচয়ের বাইরে একজন স্বতন্ত্র শিল্পী হিসেবে পরিচিত হওয়ার পথে এগিয়ে দিয়েছে।
ফোর্ড আরও জানান, বাড়ি ছাড়ার পরও তাঁদের মধ্যে বন্ধন অটুট রয়েছে। ব্যস্ততার মাঝেও তারা একে অপরের সঙ্গে দেখা করার সময় বের করে নেন।
তিনি বলেন, আমরা যখনই একসঙ্গে হই, তখন খুব আনন্দ লাগে, কারণ বাড়ির ভেতরে আমরা সবসময় একসঙ্গে থাকতাম। আবার সবার সঙ্গে দেখা হওয়া সত্যিই ভালো লাগে।
এই চারজন প্রাক্তন হাউসমেট জানান, শো–এর অভিজ্ঞতার পর তারা এখন নতুন নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















