চলতি বছরের মার্চ মাসে নারী ও কন্যাশিশুর ওপর সহিংসতার ঘটনা তীব্র উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শুধুমাত্র মার্চেই ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছেন এবং ৫৭ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। সার্বিকভাবে, ১৯০ জন নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার মুখোমুখি হয়েছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় ১৪টি ছিল দলবদ্ধ ধর্ষণ। এর মধ্যে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ছয়জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে এবং ১২ জন যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। হত্যার ঘটনায় ৮ জন কন্যাসহ মোট ৪৭ জন নারী মারা গেছেন। রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে আরও ১৭ জনের।
অন্য সহিংসতার মধ্যে একজন নারী অ্যাসিডে দগ্ধ হয়েছেন, তিনজন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন যার একজন মারা গেছেন। যৌতুকের কারণে পাঁচজন নির্যাতিত হয়েছেন এবং তিনজন নিহত হয়েছেন। পারিবারিক সহিংসতায় দুজন নারী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং একটি গৃহকর্মীর হত্যা ঘটেছে।
মার্চ মাসে ১৪ জন নারী ও কন্যাশিশু আত্মহত্যা করেছেন, যার মধ্যে পাঁচজন প্ররোচিত। অপহরণচেষ্টার শিকার হয়েছেন দুজন কন্যাসহ পাঁচজন।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সহিংসতা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত বিচার ও সহায়তা নিশ্চিত করা এখন অতীব জরুরি। নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা পরিস্থিতি এই মুহূর্তে গভীর উদ্বেগের বিষয়।












