পাকিস্তানের করাচিতে ন্যাশনাল ডেটাবেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটি (নাদরা)-এর কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সোহেল সাঙ্গির ছেলে। পরিবারের দাবি, সোমবার সন্ধ্যায় অফিস থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে ফয়েজ আহমেদ কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোনও সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যা পরিবারকে গভীর উদ্বেগে ফেলেছে।
পরিবার জানিয়েছে, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। সিন্ধ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি), সংশ্লিষ্ট ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) এবং সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (এসএসপি)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগও জমা দেওয়া হয়েছে।
নিখোঁজের ঘটনায় উদ্বেগ
ফয়েজ আহমেদের পরিবারের দাবি, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ফোন বন্ধ থাকায় এবং কোনো ধরনের যোগাযোগ না হওয়ায় তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পরিবার এখন দ্রুত তাকে খুঁজে বের করার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।
মানবাধিকার কমিশনের প্রতিক্রিয়া
ফয়েজ আহমেদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন (এইচআরসিপি)। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, নাদরার কর্মকর্তা এবং এইচআরসিপি কাউন্সিলের সদস্য সোহেল সাঙ্গির ছেলে ফয়েজ আহমেদ সোমবার থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।
বিবৃতিতে সিন্ধ সরকারকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, ফয়েজ আহমেদের নিরাপদ উদ্ধার নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা জোরদার করা প্রয়োজন।
এদিকে, পরিবার ও মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করেছে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে ফয়েজ আহমেদের অবস্থান শনাক্ত করবে এবং তাকে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে।
করাচিতে নিখোঁজ নাদরা কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদের সন্ধানে পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।
করাচিতে নাদরা কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ নিখোঁজ। পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে, আর এইচআরসিপি নিরাপদ উদ্ধারে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















