০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
কিয়োডো নিউজকে শেখ হাসিনা: ‘ফিরব, আদালতে দাঁড়াব’—মৃত্যুদণ্ডের রায়কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দাবি এনসিটি উইশ ও রিসিনকে নিয়ে জমজমাট গ্রীষ্মকালীন জলসঙ্গীত উৎসব মেসিকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি: যখন সুন্দর খেলা ঘৃণার অস্ত্রে পরিণত হয় লোহিত সাগরে হুমকিতে উত্তেজনা, সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা পাকিস্তানের আশার রাজনীতি নয়, বাস্তবতার শাসনই ব্রিটেনের প্রকৃত পরীক্ষা বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ১০, আটক দুই নারী আত্মঘাতী হামলাকারী সমুদ্রের তলায় ৮০ কিলোমিটারের পর্দা! অ্যান্টার্কটিকার ‘ভয়ংকর’ হিমবাহ বাঁচাতে নতুন পরিকল্পনা শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর অভিযোগ, দিল্লির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া নিশানা রাজনাথ সিংয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাপে বদলে যাচ্ছে চাকরির বাজার, সবচেয়ে ঝুঁকিতে যেসব পেশা ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি, ইরানে আবারও মার্কিন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র

কামরাঙ্গীরচরে বাসায় ডাকাতি: গৃহবধূসহ ৪ জন গ্রেপ্তার, মূল পরিকল্পনাকারী একই ভবনের বাসিন্দা

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের একটি বাসায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় গৃহবধূসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, একই ভবনের এক বাসিন্দা গৃহবধূ এই ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন এবং সেখানে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ রাখা ছিল—এ তথ্য জানতেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জিয়াসমিন ওরফে জেসমিন (৩৭), সাজিব আলম (২৯), রিপন মিয়া (৪২) এবং ফারুক খান (৫০)।

ডাকাতির ঘটনার বিবরণ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাঁচজন ব্যক্তি ভাড়া নেওয়ার জন্য ফ্ল্যাট দেখতে এসেছে—এমন পরিচয়ে মহদীনগরের রক্সি লেন সংলগ্ন একটি ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে।

এরপর তারা ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের হাত-পা বেঁধে প্রায় ২০ লাখ টাকা নগদ, তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং চারটি মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়।

সিসিটিভি বিশ্লেষণে শনাক্ত

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

এরপর বুধবার রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে কামরাঙ্গীরচরের মুসলিমবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে সাজিব আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে একই এলাকা থেকে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরবর্তী সময়ে চাঁদ মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুক খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেও ১ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।

গৃহবধূই ছিলেন মূল পরিকল্পনাকারী

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, একই ভবনের সপ্তম তলার বাসিন্দা জিয়াসমিন ওরফে জেসমিন পুরো ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন এবং সেখানে নগদ অর্থ থাকার বিষয়টি জানতেন।

পুলিশের ভাষ্য, পরিচিত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দিন তিনি নিচতলায় ডাকাতদের অভ্যর্থনা জানান এবং ডাকাতি শেষে তাদের নিরাপদে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করেন।

পরে ভবন থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিযান চলছে

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, এই ডাকাতির ঘটনায় মোট আটজন জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কামরাঙ্গীরচরের বাসায় ডাকাতির ঘটনায় গৃহবধূসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে একই ভবনের এক বাসিন্দাকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিয়োডো নিউজকে শেখ হাসিনা: ‘ফিরব, আদালতে দাঁড়াব’—মৃত্যুদণ্ডের রায়কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দাবি

কামরাঙ্গীরচরে বাসায় ডাকাতি: গৃহবধূসহ ৪ জন গ্রেপ্তার, মূল পরিকল্পনাকারী একই ভবনের বাসিন্দা

০৬:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের একটি বাসায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় গৃহবধূসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, একই ভবনের এক বাসিন্দা গৃহবধূ এই ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন এবং সেখানে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ রাখা ছিল—এ তথ্য জানতেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জিয়াসমিন ওরফে জেসমিন (৩৭), সাজিব আলম (২৯), রিপন মিয়া (৪২) এবং ফারুক খান (৫০)।

ডাকাতির ঘটনার বিবরণ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাঁচজন ব্যক্তি ভাড়া নেওয়ার জন্য ফ্ল্যাট দেখতে এসেছে—এমন পরিচয়ে মহদীনগরের রক্সি লেন সংলগ্ন একটি ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে।

এরপর তারা ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের হাত-পা বেঁধে প্রায় ২০ লাখ টাকা নগদ, তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং চারটি মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়।

সিসিটিভি বিশ্লেষণে শনাক্ত

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

এরপর বুধবার রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে কামরাঙ্গীরচরের মুসলিমবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে সাজিব আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে একই এলাকা থেকে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরবর্তী সময়ে চাঁদ মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুক খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেও ১ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।

গৃহবধূই ছিলেন মূল পরিকল্পনাকারী

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, একই ভবনের সপ্তম তলার বাসিন্দা জিয়াসমিন ওরফে জেসমিন পুরো ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন এবং সেখানে নগদ অর্থ থাকার বিষয়টি জানতেন।

পুলিশের ভাষ্য, পরিচিত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দিন তিনি নিচতলায় ডাকাতদের অভ্যর্থনা জানান এবং ডাকাতি শেষে তাদের নিরাপদে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করেন।

পরে ভবন থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিযান চলছে

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, এই ডাকাতির ঘটনায় মোট আটজন জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কামরাঙ্গীরচরের বাসায় ডাকাতির ঘটনায় গৃহবধূসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে একই ভবনের এক বাসিন্দাকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।