০৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সরকারি ক্রয় কমিটির অনুমোদন: ৩০৩ কোটি টাকায় এমওপি সার আমদানি ও ১.৬ কোটি খাদ্য বস্তা কেনা

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) প্রায় ৩০৩ কোটি ১৬ লাখ টাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কানাডা থেকে মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানি এবং খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১ কোটি ৬০ লাখ বস্তা ক্রয়।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন

কমিটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করেছে, যার আওতায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের (সিসিসি) মধ্যে রাষ্ট্রপর্যায়ের চুক্তির ১২তম (দ্বিতীয় ঐচ্ছিক) লটের আওতায় ৪০ হাজার (±১০ শতাংশ) টন এমওপি সার আমদানি করা হবে।

এই সার আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ১৯২ কোটি ১০ লাখ টাকা। প্রতি টন এমওপি সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৫৫ মার্কিন ডলার।

খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১.৬ কোটি বস্তা

এ ছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আরেকটি প্রস্তাবও অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ৩০ কেজি ধারণক্ষমতার ১ কোটি ৬০ লাখ বস্তা কেনা হবে।

ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) পদ্ধতির মাধ্যমে ৮০টি প্যাকেজে এই বস্তাগুলো সংগ্রহ করা হবে। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ৬ লাখ টাকা।

এই ক্রয় কার্যক্রমে ৮০টি প্যাকেজের বিপরীতে নির্বাচিত ২১টি দরদাতার সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

সরকারি ক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত

সিসিজিপির অনুমোদিত দুটি প্রস্তাবের মাধ্যমে কৃষি ও খাদ্য খাতের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। একদিকে কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত এমওপি সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, অন্যদিকে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বস্তা সংগ্রহ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সরকারি ক্রয় কমিটির অনুমোদন: ৩০৩ কোটি টাকায় এমওপি সার আমদানি ও ১.৬ কোটি খাদ্য বস্তা কেনা

০৮:২০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) প্রায় ৩০৩ কোটি ১৬ লাখ টাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কানাডা থেকে মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানি এবং খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১ কোটি ৬০ লাখ বস্তা ক্রয়।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন

কমিটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করেছে, যার আওতায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের (সিসিসি) মধ্যে রাষ্ট্রপর্যায়ের চুক্তির ১২তম (দ্বিতীয় ঐচ্ছিক) লটের আওতায় ৪০ হাজার (±১০ শতাংশ) টন এমওপি সার আমদানি করা হবে।

এই সার আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ১৯২ কোটি ১০ লাখ টাকা। প্রতি টন এমওপি সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৫৫ মার্কিন ডলার।

খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১.৬ কোটি বস্তা

এ ছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আরেকটি প্রস্তাবও অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ৩০ কেজি ধারণক্ষমতার ১ কোটি ৬০ লাখ বস্তা কেনা হবে।

ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) পদ্ধতির মাধ্যমে ৮০টি প্যাকেজে এই বস্তাগুলো সংগ্রহ করা হবে। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ৬ লাখ টাকা।

এই ক্রয় কার্যক্রমে ৮০টি প্যাকেজের বিপরীতে নির্বাচিত ২১টি দরদাতার সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

সরকারি ক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত

সিসিজিপির অনুমোদিত দুটি প্রস্তাবের মাধ্যমে কৃষি ও খাদ্য খাতের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। একদিকে কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত এমওপি সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, অন্যদিকে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বস্তা সংগ্রহ করা হবে।