৫ আগস্ট উপলক্ষে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
যুগান্তর,
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উপলক্ষে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করে। চিঠিটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভারও আয়োজন করতে হবে।
হামের চিকিৎসায় ঋণগ্রস্ত ৮৯% পরিবার, সঞ্চয় শেষ ৬১%
সমকাল,
হামের প্রাদুর্ভাব শুধু জনস্বাস্থ্যের সংকট নয়; নিম্ন আয়ের হাজারো পরিবারের জন্য বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয়ও ডেকে এনেছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যাতায়াত, খাবার ও হাসপাতালে অবস্থানের আনুষঙ্গিক ব্যয় মেটাতে গিয়ে আক্রান্ত পরিবারের ৮৯ শতাংশকেই ঋণ নিতে হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ১০টি পরিবারের প্রায় ৯টিই চিকিৎসা চালাতে ধারদেনার ওপর নির্ভর করেছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) ও ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) পরিচালিত এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জরিপে দেশের ১২টি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া হামে আক্রান্ত ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
নতুন অর্থবছরেও সুখবর নেই রপ্তানি আয়ে
জাগো নিউজ২৪,
রপ্তানিকারক ও অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। বড় লক্ষ্য নিয়েও নতুন অর্থবছরের শুরুতেই ধাক্কা খেলো দেশের রপ্তানি আয়। শুরুতেই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি আগামী কয়েক মাসে রপ্তানি খাতের গতি নিয়ে তৈরি করছে নতুন উদ্বেগ।
নীতিনির্ধারকদের প্রত্যাশা ছিল, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ায় এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির উন্নতির ফলে রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফিরবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। চলমান জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসেই রপ্তানি আয়ে পতন, যা রপ্তানি খাতের সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ০ দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি আয় ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।
দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পেও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
সারাক্ষণ ডেস্ক 



















