বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একই পরিবারের তিন সদস্যের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চন্দরখোলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ৮৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা, তাঁর মেয়ে এবং নাতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, মরদেহ উদ্ধারের এক থেকে দুই দিন আগেই তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
একই পরিবারের তিনজন নিহত
নিহতরা হলেন চন্দরখোলা গ্রামের বাসিন্দা রশিদ শেখের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৮৫), তাঁর মেয়ে মনিরা বেগম (৫৫) এবং মনিরার ছেলে আহাত হাওলাদার (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে রাশিদা বেগমের বাড়ি থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
দুই কক্ষ থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত মরদেহ
খবর পেয়ে কচুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়ির দুটি পৃথক কক্ষ থেকে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ হাসান জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। মরদেহগুলোর অবস্থা দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এক বা দুই দিন আগে তাদের হত্যা করা হয়েছে।
তদন্ত চলছে
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি জানতে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তা উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিন সদস্যের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে হত্যার সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















