বাংলাদেশে কিশোর গ্যাংয়ের এই ভয়াবহ বিস্তার ও সমাজের এই ছবি একদিনে বা কয়েক মাসে ঘটেনি। এমনিতে কিশোর অপরাধী সব সময়ই ছিল। যে কারণে দেশে কিশোর সংশোধনাগার রয়েছে।
বাস্তবে কিশোর-কিশোরীর মন একটি ফুলের কুঁড়ির মতো। যারা বাগান করেন, তারা জানেন প্রতিটি কুঁড়ি ফোটার আগে কী পরিমাণ যত্ন নিতে হয়। অতীতে এ সমাজে প্রতিটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা জানত কীভাবে ফুলের কুঁড়ির প্রতি যত্ন নিতে হয়। কারণ, তখন শহর বা গ্রামের বাড়িগুলোতে ঢুকতেই একটা ফুলের বাগান থাকত। বাড়ির সকলের লক্ষ্য ওই বাগানের প্রতি থাকলেও কিশোর-কিশোরীরাই ফুলবাগানের প্রতি বেশি আগ্রহী থাকত।
তেমনি অতীতে প্রতিটি বাড়িতে যথেষ্ট পোষা প্রাণী থাকত। তাদের শৈশব থেকে বেড়ে ওঠা, তাদের আচরণ শেখানোর ক্ষেত্রেও কিশোর-কিশোরীদের আগ্রহ থাকত বেশি। নিজের ক্লাসের পড়ার বাইরে স্বাভাবিকভাবে এ দুটি ভালো কাজ ও যা তার বয়সের সঙ্গে মিলে যায়, তার সঙ্গে কিশোর-কিশোরীরা জড়িত থাকত। সহায়তা করত তাদের সুকুমারবৃত্তি জাগাতে।

আবার তাদের কিশোর-কিশোরী হয়ে ওঠার আগে এ সমাজে বাল্যশিক্ষার বইগুলো উনবিংশ শতাব্দী থেকে খুবই উপযোগী বই ছিল। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও রবীন্দ্রনাথ—এ দুজনই ছিলেন মূলত বইগুলোর লেখক। তার ভেতর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম ভাগ ও দ্বিতীয় ভাগ এবং রবীন্দ্রনাথের সহজ পাঠের চার খণ্ড।
বালক ও বালিকার শিক্ষা শুরুর উপযোগী এই বইগুলো পাকিস্তান আমলে বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু এর বিকল্প বালক-বালিকাদের হাতে দেওয়া হয়নি। তার বদলে যে ‘সবুজ সাথী’ বই পাকিস্তানে দেওয়া হয়, সেখানে লেখা হয়, একটি বালক একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে বলছে, “ও মিয়া, কী করো?” ওই বয়স্ক ব্যক্তি উত্তর দিচ্ছেন, “গাছ কাটি।” বাচ্চাটি আবার বলছে, “মুখে কী?” বয়স্ক ব্যক্তি উত্তর দিচ্ছেন, “লম্বা দাড়ি।”
অর্থাৎ একটি বাচ্চাকে প্রথমেই বেয়াদবি শেখানো হচ্ছে। সে একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে “তুমি” বলে সম্বোধন করছে। এবং তার মুখের দাড়ি নিয়েও একটা ব্যঙ্গ করার ঢঙের সংলাপ।
এসব বই যে লেখকরা লিখেছিলেন, সেই সব কবি ও লেখকরা পরবর্তীতে পাকিস্তানে রবীন্দ্রনাথ নিষিদ্ধ করার দাবি করেছিলেন। এবং এসব লেখকদের হাতেই পড়েছিল দেশের শিশুদের মনোজগত গড়ে তোলার দায়িত্ব।
সে সময়ে পাকিস্তানে কাজী মোতাহার হোসেন, কাজী আব্দুল ওদুদ, সৈয়দ মুজতবা আলীর মতো রবীন্দ্র-উত্তরকালের শ্রেষ্ঠ পণ্ডিতগণ ছিলেন এবং এ তালিকা অনেক দীর্ঘ। পরবর্তীতে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, সনজিদা খাতুন, জিল্লুর রহমান, শামসুর রাহমান, হাসান হাফিজুর রহমান, বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর প্রমুখ প্রগতিশীল লেখক-বুদ্ধিজীবীর তালিকাও দীর্ঘ।
কিন্তু এ দেশের দুর্ভাগ্য হলো, পাকিস্তান আমলে সৈয়দ মুজতবা আলী বা কাজী আব্দুল ওদুদ বা কাজী মোতাহার হোসেনের নেতৃত্বে কোনো পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন কমিটি গঠন হয়নি। এমনকি বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সৈয়দ মুজতবা আলী বা কাজী মোতাহার হোসেনকে এ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ আমলে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন কমিটির প্রধান, এমনকি বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী পালন কমিটির প্রধান করা হয়নি।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন কমিটির কথা এখানে অনেকের কাছে অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে। বাস্তবে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একটি জাতি গড়ে ওঠে তার হিরোকে ঘিরে। বাঙালির হিরো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার চরিত্র ঘিরেই গড়ে উঠবে বাঙালি শিশুদের মধ্যে আত্মত্যাগের ও বীরত্বের চরিত্র।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুকে বালক-বালিকা, কিশোর-কিশোরীদের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কাজটির দায়িত্বে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতো একজন মেরুদণ্ডসম্পন্ন, বিকশিত বুদ্ধিজীবী না থাকায়—জন্মশতবার্ষিকীর ভেতর দিয়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে, শিশু-কিশোরদের কাছে নতুন করে বাঙালির হিরোকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
এই ব্যর্থতা নিয়ে অনেক বড় বই লেখা প্রয়োজন। যেমন, দেখা যায় একটি অলিম্পিক বা একটি ওয়ার্ল্ড কাপের থিম সং কিশোর-কিশোরীদের মুখে মুখে ঘোরে বছরের পর বছর। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর থিম সং তেমন হলো না কেন? আসলে হতে পারত। কিন্তু ব্যক্তি স্বার্থের জন্য তা হয়নি।
আবুল মাল আবদুল মুহিত পছন্দ করেছিলেন ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের গীতিকার ফজলে খোদার একটি অপ্রকাশিত গান, যেটা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন নিয়েই লেখা এবং এর সুরকার ছিলেন বিখ্যাত উচ্চাঙ্গসংগীতজ্ঞ, বাংলা টপ্পার স্রষ্টা আজাদ রহমান।
গানটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছানোর জন্য আবুল মাল আবদুল মুহিত কমিটির সেক্রেটারির কাছে দিলেও সেটা পৌঁছায়নি। তার বদলে কমিটির সেক্রেটারির গানই হয় শেষ পর্যন্ত থিম সং।
আর সার্বিক অনুষ্ঠান দেখে অনেক আওয়ামী লীগ নেতা দুঃখ করে বলেছিলেন, এর থেকে আমাদের স্কুলের প্রোগ্রামগুলো ভালো হয়। বুলবুল ললিতকলার ছাত্রী মতিয়া চৌধুরী ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ করে বলেছিলেন, শরীরের পেশির কসরত আর নাচ তো এক নয়।
সব্যসাচী হাজারকে দিয়ে জন্মশতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর যে সিগনেচার ছবিটি করানো হয়, ওই ছবির ভেতর বঙ্গবন্ধুর চেহারার মিল, ব্যক্তিত্ব ও বীরত্বের কোনো কিছুই ছিল না। সে সময়ে সেক্রেটারিকে ব্যক্তিগতভাবে ফোনে একথা বললে তিনি দায়টি চাপিয়ে দেন শেখ হাসিনার ওপরে।
কিশোর গ্যাং নিয়ে লিখতে গিয়ে কেন শিশুর প্রথম পাঠ, পাঠ্যপুস্তক ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর কথা টেনে আনা—এ নিয়ে অনেকে বিষয়টি অহেতুক বলতে পারেন। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, আজ যারা কিশোর গ্যাং, তাদের বাল্যশিক্ষা, স্কুলশিক্ষায় যেমন কোনো আদর্শ রাখা হয়নি, তেমনি তাদের জাতীয় হিরোর জীবন, তাঁর বীরত্ব ও তাঁর আত্মত্যাগ তাদের সামনে তুলে ধরা হয়নি।

আজ যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশ্রী সব মন্তব্য করে কিছু তরুণ ও কিশোর, তখন তাদের দোষ দেওয়ার আগে নিজেদের ব্যর্থতা খোঁজাই প্রয়োজন। যারা বাঙালি হয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কুৎসিত মন্তব্য করে, তারা পাপিষ্ঠ ঠিকই। তবে কেন তারা পাপিষ্ঠ হলো?
এই কিশোর গ্যাংরাই বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙতে গেল। তাদের সঙ্গে যে তরুণরা ছিল, তারাও তাদের মতো। সকলেরই মুখের ভাষা অশালীন। সরল অর্থে সকলেই বলছি, এরা রাজাকারের সন্তান বা নাতিপুতি—এরা তো একাজ করবেই। তাদের ঠিকুজি বের করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে।
দেখা যাচ্ছে, তাদের দাদা বা পিতা রাজাকারই ছিল। কিন্তু কেন ভেবে দেখছি না, ইউরোপে তো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোনো যুদ্ধাপরাধীর সন্তান যুদ্ধাপরাধীর আদর্শ ধারণ করে না। কিন্তু কেন বাংলাদেশের রাজাকার, আলবদর, শান্তি কমিটির সদস্যদের সন্তান ও তাদের নাতি-পুতিরা তাদের আদর্শ ধারণ করছে?
যাদের পিতারা পাকিস্তান আমলে রবীন্দ্রনাথবিরোধী ছিলেন, খণ্ডিত নজরুলকে তুলে ধরেছিলেন, এমনকি নজরুলের লেখাকেও বিকৃত করে শিশুদের কাছে তুলে ধরেছিলেন, তাদের সন্তানরাও কেন এখনও প্রতিক্রিয়াশীল?
আজ অশ্লীল ভাষা অনেক মুখে মুখে। তথাকথিত সাহিত্য, নাটকের মাধ্যমে কারা এগুলো সৃষ্টি করল? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়, বাংলাদেশের বটতলার উপন্যাসিক, বিকৃত হাস্যরসের নাট্যকারদের এবং যারা বড় লেখককে ছোট করে নিজেদের জনপ্রিয় করেছে, তাদের লেখার উদ্ধৃতিই অনেক কিশোর বা তরুণ-তরুণীরা ব্যবহার করে। তাদের ওর বাইরে কোনো জ্ঞান নেই।
আর এ কারণেই ইউনূস ক্ষমতা দখল করার পরপরই তৈরি কিশোর গ্যাং পেয়ে গিয়েছিলেন। তারা শিক্ষকদের গায়ে হাত তুলেছে। আবার ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের মতো শিক্ষক, খান সরওয়ার মুর্শিদের মতো শিক্ষাবিদের মেয়েও ওই সব শিক্ষকের গায়ে হাত দেওয়া কিশোর গ্যাংয়ের দাবি মেনে নিয়েছে—তারা পরীক্ষা না দিয়ে পাস করেছে তাদের বদৌলতে।

এই কিশোর গ্যাং নিয়ে কিন্তু এই প্রথম লেখা নয়। ২০১০ সালে লিখেছি, ২০২৩ সালে লিখেছি। ২০১০-এর লেখায় কীভাবে কম্বোডিয়ায় বালক ও কিশোরদের মানুষ হত্যায় যুক্ত করার জন্য আগে পশু হত্যা করিয়ে তাদের রক্তের সঙ্গে, হত্যার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস করানো হতো, সে সবও সবিস্তারে লিখেছি। ২০২৩ সালে লিখেছি, সরকার ও বিরোধী দলের প্রভাবশালীরা কিশোর গ্যাং কীভাবে পালছে। তাদের পিতা-মাতারা উদাসীন।
যতটুকু পারি বলার চেষ্টা করেছি, ফুল ফোটানো, গৃহপালিত পশুকে ভালোবাসাসহ অনেক সুকুমারবৃত্তি গড়ে ওঠার মতো বিষয়গুলো জীবন থেকে চলে গেছে। পরিবারগুলো ছোট হয়ে গেছে। দাদী, নানীরা খুব বেশি সুযোগ পাচ্ছে না শিশু-কিশোরদের দেখাশোনার।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক এবং আদর্শ, বীরত্ব ও আত্মত্যাগের মডেল ছাড়া একটি রাষ্ট্র ও সমাজ এগিয়ে যাওয়া। এমন হাজারো কারণ মিলে সমাজে এ বিপর্যয় ঘটে গেছে।
আরও বিপর্যয় আছে। যেমন, ২০১৯ সালের দিকে সম্ভবত বাংলা ট্রিবিউন বা জাগো নিউজে একটা লেখা লিখেছিলাম। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বাংলা নামের বামপন্থী শিক্ষক যেমন যেকোনো বিষয় পেলে আন্দোলন করেন—আবার কীভাবে তার নেতৃত্বে ছাত্রছাত্রীরা গাঁজা খাওয়াসহ অনেক কিছুই শিখছে।
এবং সেখানে অনেক ছাত্রছাত্রী দিনের পর দিন নিখোঁজ থাকে। পরে তাদের মাদকাসক্ত শরীরসহ পাওয়া যায়। সেখানে মাদক বিক্রি ও খাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে অনেকগুলো চালাঘর তোলা হয়েছে।
তাই এটা ধরে নিতে হবে, আফগানিস্তানে ডাকাত ছিল বলেই ডাকাত সর্দার বাচ্চা-ই সাকো বাদশাহ আমানউল্লার আধুনিক আফগান ডাকাতদের ব্যবহার করে ধ্বংস করতে পেরেছিল। বাংলাদেশেও কিশোর গ্যাং ছিল বলেই ইউনূসের মতো একজন “মবস্টার” কিশোর গ্যাং ব্যবহার করে “মেটিকুলাস ডিজাইনের” মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে, দেশে মব কালচার চালু করতে সমর্থ হয়।

আফ্রিকারও কয়েকটি দেশে এমন ঘটনার ইতিহাস আছে। এবং বছরের পর বছর সেখানে কিশোরদের গ্যাং ব্যবহার করা হয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রের মদদও ছিল তাদের প্রতি। বিদেশি অর্থ জোগান দেওয়া হতো।
এমন একটি সমাজে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হলেই যে তিনি জ্ঞানী হবেন, সমাজের ও রাষ্ট্রের প্রতি তার কী দায়িত্ব, এমনকি নিজের সন্তানের প্রতি তার কী দায়িত্ব, তা বুঝবেন—সেটা আশা করা ভুল।
তাই তার না-ফোটা ফুলের কলিটি যদি কিশোর গ্যাং চিনতে না পারে, বরং তাদের মতো করে ভারী স্কুটার নিয়ে, ‘বস্তি র্যাপ’ ছেড়ে চলে, অনেক রাত অবধি বাইরে থাকে—কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে তার ছবি দেখা যায়—তার জন্য সমাজ দায়ী, রাষ্ট্র দায়ী, ওই পরিবারও দায়ী। ওই না-ফোটা ফুল অপ্রতীম তো দায়ী নয়।
অপ্রতীমের মৃত্যু যেমন “মবস্টার” ইউনূসের মব কালচারকে যারা সমর্থন করেছিলেন, তাদেরকে কিছুটা হলেও একটা ধাক্কা দিয়েছে। তেমনি যারা মব কালচারের বিরুদ্ধে বা যারা প্রতিদিন মবের শিকার হচ্ছে, বা দেশের প্রতিটি মানুষ যে প্রতি মুহূর্তে গত দুই বছর মব আতঙ্কে আছে—সবাইকে এখন ভাবতে হবে কেন সমাজে এই কিশোর গ্যাং।
তাদেরকে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এ রাষ্ট্রের মানুষের নিরাপত্তা কি পুলিশের মতো একটি দীর্ঘকাল পরীক্ষিত ব্যবস্থার মাধ্যমে চলবে, না মবস্টার ইউনূসের চালু করে দেওয়া মব কালচারই বজায় থাকবে? যে যখন যাকে খুশি আহত করবে বা হত্যা করবে?
লেখক: সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক, সম্পাদক, সারাক্ষণ, The Present World.
স্বদেশ রায় 



















