চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বাড়তে থাকায় জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৪ হাজার ৩৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে শনিবারও নদীগুলোর পানি বাড়ছিল।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনিবার সকাল পর্যন্ত পদ্মার পানি ৩ সেন্টিমিটার, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার করে বেড়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তিনটি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পদ্মার পানি বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচে
শনিবার সকাল পর্যন্ত পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। মহানন্দা নদীর পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ০৫ মিটার এবং পুনর্ভবার পানি ২ দশমিক ০২ মিটার নিচে রয়েছে।
তবে পদ্মার পানি ক্রমাগত বাড়ায় সদর উপজেলার নারায়ণপুর ও আলাতুলি ইউনিয়ন এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়নের নতুন নতুন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

পানি ঢুকেছে ঘরবাড়ি, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
প্লাবিত কয়েকটি এলাকায় সড়ক, বসতবাড়ি, দোকানপাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়েছে। একই সঙ্গে কৃষিজমিও পানির নিচে চলে গেছে। এতে দুর্গত এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে ভোগান্তি বেড়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. মুসা জাঙ্গী জানিয়েছেন, প্রায় ৪ হাজার ৩৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
দুই দিনের মধ্যে পানি কমার আশা
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, নদীগুলোর পানি বাড়ার গতি ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে। তার মতে, তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দুই দিনের পর নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করতে পারে। ফলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে না গেলে ধীরে ধীরে পানিবন্দি এলাকার পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















