ফিলিপাইনের এমভি জুন অ্যাস্টার ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও পঞ্চাশজনের বেশি যাত্রী। ১৩০ জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে কোরনের উদ্দেশে বিশ ঘণ্টারও বেশি দীর্ঘ যাত্রা শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ফেরিতে আগুন লাগে। যাত্রার প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে এমন দুর্ঘটনা যাত্রীদের জন্য পালানোর সময়ও প্রায় হাতে রাখেনি।
মেরিটাইম ইন্ডাস্ট্রি অথরিটি জানিয়েছে, বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের বরাতে জানা গেছে আগুন লাগার ঠিক আগে জাহাজের ভেতর দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শুরুতে সামান্য ধোঁয়া দেখা গেলেও কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তা দ্রুত পুরো ফেরিতে ছড়িয়ে পড়ে দাউদাউ আগুনে রূপ নেয়। যাত্রীদের অনেকেই সাঁতরে বা লাইফ জ্যাকেট পরে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বাঁচান বলে জানা গেছে।
শুক্রবার আগুন নেভানোর পর দমকলকর্মীরা জাহাজে প্রবেশ করে মূলত ইকোনমি শ্রেণির যাত্রীদের অংশে বেশি মরদেহ পান। কোরন বন্দরে অস্থায়ী তাঁবু বসিয়ে ফরেনসিক শনাক্তকরণ কার্যক্রম শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা জেরোনিমো তুভিয়া বলেন, এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা এবং আগুন লাগার কারণ নির্ণয় করা। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজও শুরু হয়েছে স্বজনদের সহায়তায়।
জাহাজের ক্যাপ্টেনের অবস্থান নি
কোরনের বন্দরে সারি সারি অস্থায়ী তাঁবুর নিচে এখনো অপেক্ষা করছেন স্বজনহারা মানুষ, যাদের কাছে প্রশ্নটা এখন একটাই, প্রিয়জনের নামটা কোন তালিকায় উঠবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















