০৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চীনের দিকে ঝুঁকছে ঢাকা, ভারতনির্ভরতা কমাতে নতুন কৌশল প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি-অর্থপাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক ৯/১১-এর বহু আগেই ভারতকে হামলার লক্ষ্য করেছিলেন ওসামা বিন লাদেন, জানাল সিআইএ নথি ফরিদপুরে চা-দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩ মহাকাশ অবকাঠামো নির্মাণে বিশ্বে দ্বিতীয় চীন, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র কিশোর কুমারের গান গাইলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ভারত সফরে আনোয়ারের অন্যরকম মুহূর্ত ব্রিকসে এক মঞ্চে পুতিন, মোদি ও শি—বদলে যাচ্ছে বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ যুদ্ধের আরেকটি রণক্ষেত্র: মানুষের মনোযোগ কে নিয়ন্ত্রণ করছে? সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার বাড়িতে ৪ কোটি ডলারের সোনা, মামলায় সমঝোতার উদ্যোগ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ

আওয়ামী লীগ ও দলটির সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ মর্মে খারিজের আদেশ দেন।

রিটকারীর অধিকার নিয়ে প্রশ্ন

আদালতে রাষ্ট্র ও রিটের পক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে আওয়ামীপন্থি আইনজীবী হিসেবে পরিচিত নূরনবী বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, আদালতে তারা যুক্তি দিয়েছেন যে রিটকারী মো. আল আমিন আওয়ামী লীগের কেউ নন। ফলে এ ধরনের রিট করার অধিকার তার নেই।

রিটের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ইউনূস আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।

গত ৭ সেপ্টেম্বর রিটটি দায়ের করেন মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা মো. আল আমিন। রিটের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী।

প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে আবেদন

রিট আবেদনে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়। একই সঙ্গে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়েছিল।

প্রজ্ঞাপনে কী বলা হয়েছিল

২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল দল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর যেকোনো ধরনের প্রকাশনা এবং গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা। পাশাপাশি মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ডও নিষিদ্ধ করা হয়।

হাইকোর্টের আদেশের মধ্য দিয়ে ওই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনটি আর শুনানির জন্য গ্রহণ করা হলো না। রিটটি খারিজের কারণ হিসেবে আদালতে রিটকারীর আবেদন করার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের দিকে ঝুঁকছে ঢাকা, ভারতনির্ভরতা কমাতে নতুন কৌশল

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ

০৪:২০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামী লীগ ও দলটির সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ মর্মে খারিজের আদেশ দেন।

রিটকারীর অধিকার নিয়ে প্রশ্ন

আদালতে রাষ্ট্র ও রিটের পক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে আওয়ামীপন্থি আইনজীবী হিসেবে পরিচিত নূরনবী বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, আদালতে তারা যুক্তি দিয়েছেন যে রিটকারী মো. আল আমিন আওয়ামী লীগের কেউ নন। ফলে এ ধরনের রিট করার অধিকার তার নেই।

রিটের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ইউনূস আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।

গত ৭ সেপ্টেম্বর রিটটি দায়ের করেন মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা মো. আল আমিন। রিটের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী।

প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে আবেদন

রিট আবেদনে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়। একই সঙ্গে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়েছিল।

প্রজ্ঞাপনে কী বলা হয়েছিল

২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল দল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর যেকোনো ধরনের প্রকাশনা এবং গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা। পাশাপাশি মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ডও নিষিদ্ধ করা হয়।

হাইকোর্টের আদেশের মধ্য দিয়ে ওই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনটি আর শুনানির জন্য গ্রহণ করা হলো না। রিটটি খারিজের কারণ হিসেবে আদালতে রিটকারীর আবেদন করার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।