যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এয়ার ফোর্স ওয়ানে কারা ভ্রমণ করছেন, তা শুধু একটি যাত্রীতালিকা নয়। এই তালিকা থেকে তাঁর প্রশাসনের ক্ষমতার কেন্দ্র, নীতিনির্ধারণে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অবস্থান এবং ব্যক্তিগত আস্থার বলয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। মন্ত্রিসভার সদস্য থেকে শুরু করে হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা, রাজনৈতিক কৌশলবিদ, ব্যক্তিগত সহকারী এমনকি জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদ ও বিনোদনজগতের তারকারাও জায়গা পাচ্ছেন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানে।
অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারে টানা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য সফর করছেন ট্রাম্প। এই সময় তাঁর বিমানে কারা উঠছেন, কতবার উঠছেন এবং কারা তাঁর সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটাচ্ছেন—এসব বিষয় প্রশাসনের ভেতরে তাঁদের প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকরন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভিড কোহেনের মতে, প্রেসিডেন্ট কাদের আশপাশে রাখছেন, তা থেকে তাঁর অগ্রাধিকার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। কারণ, যাঁদের সঙ্গে তিনি নিয়মিত সময় কাটান, তাঁদের কথা শোনার এবং ব্যক্তিগত পরিসরে তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার সুযোগও বেশি থাকে।
ট্রাম্পের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বলয়ে কারা
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস। সম্প্রতি স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা শেষ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ওয়াইলসকে প্রেসিডেন্ট একবার ‘বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী’ বলেও অভিহিত করেছিলেন।
অক্টোবরের এক সফরে উত্তর ক্যারোলাইনার গ্রিনভিল থেকে এয়ার ফোর্স ওয়ান আকাশে ওড়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওয়াইলস। ওই সফরটি ছিল ২০ দিনে ট্রাম্পের ১৫তম নির্বাচনী সমাবেশের অংশ। সফর কেমন হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দারুণ। সত্যি বলতে, সবগুলোই দারুণ হয়েছে।’
ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিয়মিত ভ্রমণ করছেন। ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনার চেষ্টা করছেন তিনি। এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনার ওপরও চাপ তৈরি করেছে।
এ ছাড়া ট্রাম্পের উপপ্রধান কর্মকর্তা স্টিফেন মিলার, আবাসন ও নগর উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী স্কট টার্নার, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং কৃষিমন্ত্রী ব্রুক রলিন্সও এয়ার ফোর্স ওয়ানে ভ্রমণ করেছেন। অভিবাসনবিষয়ক কঠোর নীতির অন্যতম পরিকল্পনাকারী মিলার প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একজন।
তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বার ট্রাম্পের সঙ্গে বিমানে ভ্রমণ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক। শতকোটি ডলারের সম্পদের মালিক এই ব্যবসায়ী আগে আর্থিক সেবাপ্রতিষ্ঠান ক্যান্টর ফিটজেরাল্ড পরিচালনা করতেন। ১৯৯০-এর দশক থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।
ট্রাম্পের রসিকতায় লুটনিককে প্রায়ই হাসতে দেখা যায়। নির্বাচনী সমাবেশগুলোতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বিভিন্ন এলাকায় নতুন কারখানা স্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগের তথ্য তুলে ধরে তিনি ট্রাম্পের অর্থনৈতিক সাফল্যের দাবি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করছেন।
পদমর্যাদার চেয়ে বেশি প্রভাব যাঁদের
ট্রাম্প প্রশাসনে এমন কয়েকজন রয়েছেন, যাঁদের আনুষ্ঠানিক পদ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, বাস্তবে তাঁদের প্রভাব তার চেয়েও বেশি বলে মনে হচ্ছে।
ফেডারেল হাউজিং ফাইন্যান্স এজেন্সির পরিচালক বিল পাল্টে তাঁদের একজন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার সফরে অন্তত পাঁচটি পর্যায়ে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একটি ধনী পরিবারের উত্তরসূরি পাল্টে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলয়ের সদস্য হিসেবে পরিচিত।
কিছু সময়ের জন্য তিনি জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় বিভাগটিতে কর্মী ছাঁটাইয়ের তদারকিও করেন তিনি।
এ ছাড়া ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল এবং কর্মকর্তা লিসা কুকের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টায়ও পাল্টের নাম এসেছে। ৩০ বছরের আবাসন ঋণের পরিবর্তে ৫০ বছরের বন্ধকী ঋণ চালুর ধারণাও তিনি সামনে এনেছিলেন। তবে প্রস্তাবটি পরে পরিত্যক্ত হয়।
ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কারও ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার ভ্রমণ করেছেন। বিশেষ করে ১৩ ও ১৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলের দীর্ঘ সফরে তাঁকে প্রেসিডেন্টের বিমানে দেখা যায়।
সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা ব্যবহার করে ট্রাম্পের সংবাদ পরিবেশনের সমালোচনা করার চেষ্টা করেছেন কার। ফলে তাঁর উপস্থিতিও প্রশাসনের নীতিগত ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত সহকারীদের গুরুত্ব
ট্রাম্পের দৈনন্দিন কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ব্যক্তিগত সহকারীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মধ্যে ন্যাটালি হার্প অন্যতম। তিনি প্রেসিডেন্টের নির্বাহী সহকারী এবং ট্রাম্পের অধিকাংশ সফরেই তাঁর সঙ্গে থাকেন।
ওভাল অফিসের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ওয়াল্ট নাউটাও নিয়মিত বিমানে ভ্রমণ করেন। তাঁর সহকারী চেম্বারলিন হ্যারিসও ট্রাম্পের সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন।
হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের কমিশন অব ফাইন আর্টসের সদস্য। হোয়াইট হাউসে নতুন বলরুম নির্মাণসহ ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্প পর্যালোচনায় এই কমিশনের ভূমিকা রয়েছে।
ট্রাম্প প্রায়ই প্রস্তুত বক্তৃতার বাইরে তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলেন। তবু তাঁর বক্তৃতা লেখার বিভাগের পরিচালক রস ওয়ার্থিংটনকে অক্টোবর মাসে একাধিকবার প্রেসিডেন্টের বিমানে দেখা গেছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারে ট্রাম্পের বক্তৃতায় একটি বিশেষ প্রতিশ্রুতি গুরুত্ব পাচ্ছে। আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পর রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারলে প্রত্যেকের জন্য পাঁচ হাজার ডলারের চেক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি। সফরের সময় নতুন কারখানা ও শিল্প বিনিয়োগের কথাও তুলে ধরছেন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও প্রকাশের দায়িত্বে থাকা যোগাযোগ উপদেষ্টা মার্গো মার্টিন এবং হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চিউংও সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে মাত্র পাঁচ দিন দায়িত্ব পালন করা কেটি জাকারিয়াও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন। আলাস্কা, নেভাদা, অ্যারিজোনা ও মন্টানা সফরের মধ্যে দুই দিন তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন।
নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যাঁরা কাজ করছেন
মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের অবস্থান শক্তিশালী রাখতে হোয়াইট হাউসের ভেতরের কর্মকর্তা এবং বাইরের রাজনৈতিক পরামর্শকেরাও ট্রাম্পের সফরসঙ্গী হচ্ছেন।
প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক পরিচালক ম্যাট ব্রাসো ট্রাম্পের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে কাজ করছেন। এর আগে তিনি রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে কাজ করা জনি ডিস্টেফানোও চলতি গ্রীষ্মে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করতে সাময়িকভাবে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন। তাঁকেও এয়ার ফোর্স ওয়ানে দেখা গেছে।
এ ছাড়া হোয়াইট হাউসের সাবেক উপপ্রধান কর্মকর্তা জেমস ব্লেয়ারও ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন। এসব সফরে তাঁদের উপস্থিতি নির্বাচনী প্রচারের পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে।
জনপ্রিয় তারকারাও ট্রাম্পের সফরসঙ্গী
নির্বাচনের আগে কিছু কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে রিপাবলিকানদের জন্য সমর্থন জোগাড় করতে ট্রাম্প জনপ্রিয় ব্যক্তিদেরও প্রচারে যুক্ত করছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বক্সিংয়ের সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মাইক টাইসন, ফ্লয়েড মেওয়েদার জুনিয়র এবং ইভান্ডার হলিফিল্ড।
১৯৯৭ সালে হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপের এক লড়াইয়ে টাইসন হলিফিল্ডের ডান কানের একটি অংশ কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। তবে দুজন একই সময়ে ট্রাম্পের বিমানে ভ্রমণ করেননি।
টাউসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্থা কুমারের মতে, নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রেসিডেন্টের সফরসূচি অত্যন্ত ব্যস্ত ও চাপপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আশপাশে পরিচিত ও স্বস্তি দিতে পারেন—এমন মানুষ থাকলে কাজের চাপ সামলানো সহজ হয়।
রোববার হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক চিউং একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। এতে তাঁকে এয়ার ফোর্স ওয়ানে র্যাপার নিকি মিনাজের সাক্ষাৎকার নিতে দেখা যায়। ট্রাম্পের সঙ্গে মিশিগানে নির্বাচনী সমাবেশে যাচ্ছিলেন মিনাজ। ভিডিওতে তিনি প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করেন।
ট্রাম্পের প্রচার সফরের প্রতিটি পর্যায়ে কোনো না কোনো জনপ্রিয় তারকাকে সঙ্গে রাখার পরিকল্পনা করছে হোয়াইট হাউস। এর লক্ষ্য হলো নির্বাচনী প্রচারে বাড়তি জনমনোযোগ আকর্ষণ করা এবং সমর্থকদের সঙ্গে সংযোগ জোরদার করা।
অন্য সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন ন্যাসকারের সাবেক চ্যাম্পিয়ন রিচার্ড পেটি, যিনি উত্তর ক্যারোলাইনা সফরে গিয়েছিলেন। সাবেক এনএফএল কোচ জন গ্রুডেন ওহাইও সফরে এবং সাবেক এনএফএল খেলোয়াড় টড গার্লি জর্জিয়ায় ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পাওয়ার পর বক্সিংয়ে নাম লেখানো জেক পলও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন।
এসব তারকা ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে উপস্থিত হয়ে প্রচারে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করছেন।
কংগ্রেসের সদস্যদেরও দেখা যাচ্ছে বিমানে
গত এক মাসে ট্রাম্পের সফরের প্রধান উদ্দেশ্য রিপাবলিকানদের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সহায়তা করা। এ কারণে কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের যোগাযোগও সফরসূচিতে গুরুত্ব পাচ্ছে।
প্রতিনিধি পরিষদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগের দায়িত্বে থাকা জেফ ফ্রিল্যান্ড একাধিক আইনপ্রণেতাকে নিয়ে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ভ্রমণ করেছেন।
দক্ষিণ ক্যারোলাইনার প্রতিনিধি উইলিয়াম টিমন্স প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সফর করেছেন। টেক্সাসের একাধিক প্রতিনিধি, তাঁদের মধ্যে বেথ ভ্যান ডাইন ও ব্র্যান্ডন গিলও রয়েছেন। এ ছাড়া জর্জিয়ার ব্রায়ান জ্যাক, উত্তর ক্যারোলাইনার টিম মুর এবং ফ্লোরিডার আনা পাউলিনা লুনাও ট্রাম্পের সফরসঙ্গী হয়েছেন।
সিনেটের দ্বিতীয় শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা ওয়াইওমিংয়ের জন বারাসো চলতি মাসে একাধিকবার ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন। টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজও প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী হয়েছেন। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন ক্রুজ।
সব মিলিয়ে এয়ার ফোর্স ওয়ানের যাত্রীতালিকা ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষমতার বলয় সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। মন্ত্রী ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সহকারী, রাজনৈতিক কৌশলবিদ, আইনপ্রণেতা এবং তারকারাও প্রেসিডেন্টের কাছাকাছি থাকার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে বিমানে নিয়মিত উপস্থিতি কাউকে নীতিনির্ধারণে কতটা প্রভাবশালী করে তোলে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। বরং এই তালিকা থেকে বোঝা যায়, নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প কোন ধরনের মানুষকে নিজের আশপাশে রাখছেন এবং কীভাবে প্রশাসনিক কাজ, রাজনৈতিক কৌশল ও জনসংযোগকে একই সফরের মধ্যে যুক্ত করছেন।












