খুলনার বটিয়াঘাটায় মোটরসাইকেলে এসে এক যুবদল নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সোহেল শেখ (৩৫) আমিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি। হামলার পর দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এর আগে গত ২৪ অক্টোবর খুলনার তেরখাদায় আরেক যুবদল নেতাকে গুলি করার ঘটনা ঘটে। তিন দিনের ব্যবধানে জেলার দুই উপজেলায় যুবদল নেতাদের ওপর গুলির ঘটনায় হামলাগুলোর কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কীভাবে ঘটল হামলা
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি বটিয়াঘাটায় সোহেল শেখের কাছে আসে। এরপর তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা।

সোহেল উপজেলার ৭ নম্বর আমিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি গনি শেখের ছেলে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি আমিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
তবে ঠিক কী কারণে তাঁর ওপর হামলা হয়েছে, কারা এতে জড়িত এবং গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
তদন্তে পুলিশের একাধিক দল
বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুজ্জামান জানিয়েছেন, দুর্বৃত্তদের গুলিতে সোহেল নামের এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হামলার কারণ অনুসন্ধান এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলে জানান তিনি। তবে তদন্তের অগ্রগতি কিংবা হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

তিন দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় ঘটনা
এর আগে গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে খুলনার তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পারহাজী গ্রামে রামিম বিশ্বাস (৩২) নামের এক যুবদল নেতাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তিনি মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি।
সোহেলের ওপর হামলার ঘটনাটি ওই ঘটনার তিন দিন পর ঘটল। তবে দুই হামলার ধরন ও সময়ের ব্যবধান ছাড়া অন্য কোনো মিল রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি।
দুই ঘটনায় হামলাকারীদের শনাক্ত করা এবং হামলার পেছনের কারণ উদ্ঘাটন এখন পুলিশের তদন্তের বিষয়। সোহেল শেখের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।












