বিশ্বের পরিচিত পর্যটন শহরগুলোর বাইরে এমন কিছু নগর উঠে আসছে, যেগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করছে। ফ্রান্সের তুলুজ থেকে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি—এসব শহর দ্রুত বদলে যাচ্ছে। কোথাও গড়ে উঠছে নতুন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কোথাও উন্নত হচ্ছে গণপরিবহন, আবার কোথাও পুরোনো পাড়া ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক নগরজীবন।
অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের ২০২৬ সালের গ্লোবাল সিটিজ সূচকে বিশ্বের ২৮টি শহরকে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাময় নগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিউইয়র্ক, লন্ডন ও প্যারিসের মতো পরিচিত শহরগুলো সূচকের শীর্ষে থাকলেও নতুন সম্ভাবনাময় নগরগুলোও পর্যটন ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। এসব শহরের মধ্যে পাঁচটি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে।
তুলুজ, ফ্রান্স: বড় শহরের ব্যস্ততা, আবার শান্ত জীবনের স্বাদ
ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহর তুলুজ ইউরোপের দ্রুত বিকাশমান নগরগুলোর একটি। আগামী চার বছরে শহরটির জনসংখ্যা প্রায় ৫৭ হাজার বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের অন্য কোনো শহরে এই সময়ে এত বেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। তুলনামূলকভাবে সহনীয় জীবনযাত্রার ব্যয়, মনোরম আবহাওয়া এবং উন্নত জীবনমানের কারণে তরুণ ও দক্ষ পেশাজীবীরা শহরটির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।
লন্ডনে ১০ বছর কাটিয়ে তুলুজে ফিরে আসা এলদি প্যারামেলের মতে, শহরটিতে বড় নগরের প্রাণচাঞ্চল্য এবং ধীরগতির জীবনযাত্রা—দুইয়েরই স্বাদ পাওয়া যায়। এখানে রয়েছে বৈচিত্র্যময় খাবারের আয়োজন, স্বতন্ত্র ক্যাফে, পানীয় পরিবেশনের স্থান এবং ক্রমবর্ধমান সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড।

প্যারিসে সাত বছর কাটানোর পর তুলুজে ফিরে আসা মেলোদি টাইলারও শহরটির পরিবর্তন লক্ষ করেছেন। তাঁর মতে, তুলুজ এখন হাঁটা ও সাইকেল চালানোর জন্য অনেক বেশি উপযোগী। খাবার ও পানীয়ের বৈচিত্র্যও বেড়েছে। শহরের ঐতিহাসিক কেন্দ্রের বাইরের এলাকাগুলোতেও উৎসব, খোলা আকাশের নিচে আয়োজন এবং স্কেটবোর্ড প্রতিযোগিতার মতো অনুষ্ঠান হচ্ছে।
তুলুজের আরেকটি পরিচয় হলো মহাকাশ ও উড়োজাহাজশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে এর অবস্থান। এয়ারবাসের বৈশ্বিক সদর দপ্তরসহ শত শত প্রতিষ্ঠান এখানে রয়েছে। পর্যটকেরা মহাকাশবিষয়ক জাদুঘর সিতে দ্য লেসপাস এবং উড়োজাহাজ জাদুঘর অ্যারোস্কোপিয়া ঘুরে দেখতে পারেন। এ ছাড়া লা আল দ্য লা মাশিনে শিল্প ও প্রকৌশলের সমন্বয়ে তৈরি বিশাল যান্ত্রিক প্রাণী দর্শনার্থীদের জন্য ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে।
হো চি মিন সিটি, ভিয়েতনাম: ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক নগরজীবন
ভিয়েতনামের বৃহত্তম শহর হো চি মিন সিটি দ্রুত অর্থনৈতিক ও নগরায়ণগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে এটি বিশ্বের দ্রুততম প্রবৃদ্ধির ৫০টি শহরের মধ্যে থাকতে পারে। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে শহরটির অর্থনীতির আকার বার্লিনের অর্থনীতির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
পর্যটন খাতেও শহরটির অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। গত বছর আট মিলিয়নের বেশি আন্তর্জাতিক পর্যটক এখানে এসেছেন, যা পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে।
শহরটির পরিবর্তনের অন্যতম দৃশ্যমান উদাহরণ গণপরিবহন। ২০২৪ সালের শেষ দিকে প্রথম মেট্রোরেল চালু হয়। প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লাইন শহরের কেন্দ্রের বেন থান বাজার থেকে সুয়ই তিয়েন থিম পার্ক পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একক যাত্রার ভাড়া এক পাউন্ডেরও কম, যা শহর ঘুরে দেখার ক্ষেত্রে পর্যটকদের জন্য সুবিধাজনক।
তবে দ্রুত আধুনিকায়নের মধ্যেও হো চি মিন সিটি তার ঐতিহাসিক পরিচয় ধরে রেখেছে। ফরাসি ঔপনিবেশিক আমলের কেন্দ্রীয় ডাকঘর ও অপেরা হাউস শহরটির স্থাপত্য ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। অন্যদিকে, ওয়ার রেম্ন্যান্টস জাদুঘর ভিয়েতনামের ইতিহাস ও যুদ্ধের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ধারণা দেয়।
খাবারের বৈচিত্র্যও শহরটির অন্যতম আকর্ষণ। পর্যটকেরা ভিয়েতনামি স্যান্ডউইচ বান মি, ভাঙা চাল দিয়ে তৈরি কম তাম এবং মচমচে প্যানকেক বান সেও চেখে দেখতে পারেন। কেন্দ্রীয় জেলা ১-এর পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের বাইরে শান্ত আবাসিক এলাকাগুলোতে রয়েছে গাছঘেরা রাস্তা ও ছোট ক্যাফে। ঐতিহাসিক চোলন এলাকায় বাজার, মন্দির ও ঐতিহ্যবাহী ওষুধের দোকান দেখা যায়। আর থাও দিয়েন এলাকায় রয়েছে স্বতন্ত্র পোশাকের দোকান, শিল্পকলা প্রদর্শনীর স্থান ও স্থানীয় ব্র্যান্ডের পণ্য।

ওয়ারশ, পোল্যান্ড: নিরাপত্তা, উন্নত জীবনমান ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি
পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ দ্রুত পরিবর্তনশীল ইউরোপীয় শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম। গ্লোবাল সিটিজ সূচকে শহরটি ১০০টিরও বেশি অবস্থান এগিয়ে ৬১তম স্থানে উঠে এসেছে। জীবনমানের সূচকে এর অবস্থান এখন লন্ডন, নিউইয়র্ক ও টোকিওর চেয়েও ভালো। একই সঙ্গে শহরটির অর্থনীতি বছরে প্রায় ৩ শতাংশ হারে বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা ইউরোপীয় শহরগুলোর গড় প্রবৃদ্ধির প্রায় দ্বিগুণ।
ওয়ারশের পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে এর নগর অবকাঠামোতে। গত দুই দশকে নতুন সড়ক, মহাসড়ক ও বহুতল ভবন নির্মাণের ফলে শহরের দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে। পোলিশ-অস্ট্রেলীয় নাগরিক কনরাদ ভারজেখার পরিবার ওয়ারশের ওলা এলাকায় বসবাস করে। তাঁর অভিজ্ঞতায়, শহরটির রাস্তাঘাট ও নিরাপত্তাব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এখন মানুষ রাতে রাস্তায় হাঁটতে অনেক বেশি স্বস্তি বোধ করে।
প্রথমবার ওয়ারশে গেলে পুরোনো ও নতুন শহরের বৈপরীত্য উপভোগ করার পরামর্শ দেন তিনি। সোভিয়েত আমলে নির্মিত প্যালেস অব কালচার অ্যান্ড সায়েন্স থেকে যাত্রা শুরু করে নোভি শভিয়াত সড়ক ধরে পুরোনো শহরের দিকে এগোনো যেতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধ্বংস হওয়া ঐতিহাসিক এলাকাটি পরে যত্ন নিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।
পথে পোলিশ ডোনাট পঁচকি কিংবা ঐতিহ্যবাহী বার ম্লেচনি বা সাধারণ খাবারের দোকানে স্থানীয় খাবার খাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাঁর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, পানীয়সহ তিন পদের একটি খাবারের খরচ প্রায় ১৩ পাউন্ড হতে পারে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নগরজীবনের পরিবর্তন মিলিয়ে ওয়ারশ এখন ইতিহাস ও আধুনিকতার সমন্বয়ে ভ্রমণের আকর্ষণীয় গন্তব্য।

মেডেলিন, কলম্বিয়া: সংকটের অতীত পেরিয়ে শিল্প ও সংস্কৃতির শহর
কলম্বিয়ার মেডেলিন একসময় সহিংসতা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণে আলোচনায় থাকত। কিন্তু গত কয়েক দশকে শহরটি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। ব্যবসা ও আর্থিক পরিষেবা খাতে কর্মসংস্থান গত ২০ বছরে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৪০-এর দশকে শহরটির গড় আয় বুয়েনস এইরেস ও সাও পাওলোর চেয়েও বেশি হতে পারে।
মেডেলিনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করা এবং কাছের এল পেনোল এলাকায় কলম্বিয়া রাইটার্স রিট্রিট পরিচালনাকারী প্যাট্রিক কুইনের মতে, গত এক দশকে শহরটি দুঃসাহসী পর্যটকদের জন্য অপরিচিত গন্তব্য থেকে জনপ্রিয় ভ্রমণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। একসময় অবহেলিত বা সমস্যাপূর্ণ হিসেবে পরিচিত কোমুনা ১৩, পেরপেতুও সোকোরো ও সিউদাদ দেল রিওর মতো এলাকাগুলো এখন সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
শহরের অন্যতম আকর্ষণ মেট্রোকেবল। পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে গণপরিবহনের আওতায় আনতে তৈরি এই নগর কেবল কার ব্যবস্থা পর্যটকদেরও শহরের উঁচু এলাকাগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ দেয়। নতুন সৃজনশীল এলাকাগুলোতে গড়ে উঠেছে নকশার দোকান, শিল্পকলা প্রদর্শনীর স্থান এবং বিশেষায়িত কফির দোকান।
পেরপেতুও সোকোরো এলাকায় শিল্প ও নকশার জগৎ ঘুরে দেখার পরামর্শ দেন পর্যটন বিশেষজ্ঞ জোয়ানা রিগবি জোনস। তাঁর মতে, শহরটির খাবার, শিল্পকলা ও নকশার জগৎ উপভোগ করতে কয়েক দিন সময় দেওয়াই যুক্তিযুক্ত।
কোমুনা ১৩ এলাকাটি বিশেষভাবে পরিচিত দেয়ালচিত্র, সিঁড়ি ও সংগীতের জন্য। তবে এলাকাটি ঘুরে দেখার সময় স্থানীয় গাইড সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে দেয়ালচিত্র ও স্থানীয় সংস্কৃতির পেছনের ইতিহাস জানা যায়; এলাকাটিকে কেবল ছবি তোলার জায়গা হিসেবে দেখার প্রবণতাও এড়ানো সম্ভব। পব্লাদো ও লরেলেস এলাকার স্থানীয় শিল্পী ও সৃজনশীল মানুষের কাজের সঙ্গে পরিচিত হওয়াও মেডেলিন ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত: তেলনির্ভরতা থেকে সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির পথে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি দীর্ঘদিন তেলনির্ভর অর্থনীতির জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আবাসন ও অর্থনৈতিক পরিষেবা খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে শহরটি অর্থনীতিকে বহুমুখী করার চেষ্টা করছে। কর্মীদের দক্ষতা ও শিক্ষার সূচকে গ্লোবাল সিটিজ তালিকায় আবুধাবির অবস্থান ষষ্ঠ, যা প্যারিস ও বোস্টনের চেয়েও এগিয়ে। শহরটির তেলবহির্ভূত অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান প্রতিবেশী দুবাইয়ের তুলনায় দ্রুত বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
দুবাইয়ের তুলনায় আবুধাবির জীবনযাত্রা কিছুটা ধীর ও শান্ত। এখানে আধুনিক নগরকেন্দ্র থেকে সমুদ্রসৈকত, ম্যানগ্রোভ বন কিংবা অপেক্ষাকৃত নিরিবিলি আবাসিক এলাকায় সহজেই যাওয়া যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী জেরেমি স্যাভরির মতে, দুবাইয়ের জাঁকজমকের পাশে আবুধাবি নিজেকে স্থিতিশীল ও শান্ত নগর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তবে শান্ত পরিবেশের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও শহরটি বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে। সাদিয়াত দ্বীপে ২০২৫ সালে আবুধাবির প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর এবং জায়েদ জাতীয় জাদুঘর চালু হয়েছে। ফ্রাঙ্ক গেরির নকশা করা গুগেনহাইম আবুধাবি ২০২৬ সালের ১১ ডিসেম্বর উদ্বোধনের জন্য নির্ধারিত রয়েছে।
শহরটির আরেকটি আকর্ষণ হলো আধুনিক স্থাপত্য ও দৈনন্দিন জীবনের সহাবস্থান। উঁচু ভবন ও বিলাসবহুল হোটেলের জন্য পরিচিত হলেও আবুধাবিতে স্থানীয় ক্যাফেতে সকালের নাশতা, বিপণিবিতানে কেনাকাটা কিংবা সাধারণ পাড়ায় সময় কাটানোর সুযোগ রয়েছে। পর্যটকদের জন্য এই বৈচিত্র্য শহরটিকে শুধু আধুনিকতার প্রদর্শনী নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সংস্কৃতি জানারও একটি গন্তব্য করে তুলেছে।

কেন নজরে রাখবেন এই পাঁচ শহর?
তুলুজ, হো চি মিন সিটি, ওয়ারশ, মেডেলিন ও আবুধাবির অভিজ্ঞতা এক নয়। তুলুজ আকর্ষণ করে জীবনমান, খাবার ও মহাকাশশিল্পের জন্য; হো চি মিন সিটি ঐতিহ্য ও দ্রুত আধুনিকায়নের সমন্বয়ে; ওয়ারশ নগর উন্নয়ন ও ইতিহাসের কারণে; মেডেলিন শিল্প-সংস্কৃতি ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য; আর আবুধাবি অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ ও নতুন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য।
এই শহরগুলো দেখায়, ভ্রমণের আকর্ষণ শুধু পরিচিত দর্শনীয় স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নতুন গণপরিবহন, স্থানীয় খাবার, শিল্পকলা এবং পুরোনো পাড়ার রূপান্তরও একটি শহরকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ তৈরি করে। তাই প্রচলিত পর্যটন গন্তব্যের বাইরে ভিন্ন অভিজ্ঞতা খুঁজছেন যাঁরা, তাঁদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় এই পাঁচ শহর বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।












