রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় নতুন করে চাপে পড়েছে দেশের লাখ লাখ পরিবার। শুধু বাসাবাড়ি নয়, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে বাড়তি খরচের মুখে পড়েছে হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, অন্যদিকে দেশের বাজারে সরবরাহের অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে এলপিজি এখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ানোর অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে ওই দিন রাত ৮টা থেকে। এর আগে ৪ অক্টোবর একই সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়েছিল।
অর্থাৎ এই দুই মূল্য সমন্বয়ের ফলে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে মোট ৪৭৫ টাকা। আগের দামের তুলনায় এই বৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ। ফলে যেসব পরিবার পাইপলাইনের গ্যাসের সুবিধা পায় না এবং রান্নার জন্য সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরশীল, তাদের মাসিক বাজেটে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
এটি শুধু একটি জ্বালানির দাম বাড়ার ঘটনা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিবারের খাবারের বাজেট, রেস্তোরাঁর উৎপাদন ব্যয়, খাবারের দাম এবং কর্মসংস্থানের প্রশ্ন।
সরকারি দাম ২ হাজার ৬০ টাকা, বাজারে আরও বেশি
এলপিজির বাজারে সাধারণ মানুষের অন্যতম বড় সমস্যা হলো সরকার-নির্ধারিত দাম এবং বাস্তবে কেনার দামের মধ্যে ব্যবধান।
গত দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ নিয়ে অস্থিরতা চলছে। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের সরকারি দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থাকলেও অনেক এলাকায় ক্রেতাদের ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। কোথাও কোথাও সরকার-নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। অথচ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আমদানি তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ও আগস্টে দেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলপিজি আমদানি হয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ২২ দিনেও আমদানি অব্যাহত ছিল।
অর্থাৎ সমস্যাটি শুধু আমদানির পরিমাণ কমে যাওয়ার নয়; আমদানির পর বাজারে সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এলপিজি খাতসংশ্লিষ্টদের হিসাবে, দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ এই জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। তাদের প্রায় ৮০ শতাংশ রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহার করেন। ফলে বাজারে সরবরাহের অস্থিরতা তৈরি হলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
পরিবারের মাসিক বাজেটে বাড়তি বোঝা
একটি পরিবারের প্রতিদিনই রান্নার গ্যাস প্রয়োজন। চাল, ডাল, মাছ, মাংস কিংবা সবজি—যে খাবারই রান্না করা হোক না কেন, জ্বালানি ছাড়া তা সম্ভব নয়। ফলে এলপিজির দাম বাড়লে পরিবারগুলোর সামনে খরচ সমন্বয়ের সুযোগ খুব সীমিত থাকে।
যে পরিবার মাসে একটি ১২ কেজির সিলিন্ডার ব্যবহার করে, নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর তাদের প্রতিটি সিলিন্ডার কিনতে আগের তুলনায় ৪৭৫ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। এই বাড়তি দাম অপরিবর্তিত থাকলে বছরে অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াবে ৫ হাজার ৭০০ টাকা। যেসব পরিবার মাসে দুটি সিলিন্ডার ব্যবহার করে, তাদের ক্ষেত্রে বাড়তি বার্ষিক ব্যয় হবে ১১ হাজার ৪০০ টাকা।
এই খরচ সামলাতে অনেক পরিবারকে অন্য খাতের ব্যয় কমাতে হতে পারে। কেউ বাজারের তালিকা ছোট করবেন, কেউ মাছ-মাংস কেনা কমাবেন, আবার কেউ বাইরে খাওয়া বা বিনোদনের খরচ বাদ দেবেন।
নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন। কারণ তাদের আয়ের বড় অংশই খাবার, বাসাভাড়া ও অন্যান্য দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে ব্যয় হয়। এর মধ্যে রান্নার জ্বালানির খরচ বেড়ে গেলে পরিবারের অন্য প্রয়োজনগুলো সংকুচিত হয়ে পড়ে।
আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। সিলিন্ডারের সরকারি দাম বাড়ার পাশাপাশি অনেক ক্রেতাকে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। ফলে প্রকৃত ব্যয় সরকার-নির্ধারিত মূল্যবৃদ্ধির হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।
রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়
এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে দেশের হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতে। বিশেষ করে যেসব রেস্তোরাঁয় পাইপলাইনের গ্যাস নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানের রান্নার প্রধান জ্বালানি এলপিজি।
বিরিয়ানি, কাচ্চি, পোলাও, গ্রিল ও ভুনাসহ বিভিন্ন খাবার তৈরিতে দীর্ঘ সময় চুলা জ্বালিয়ে রাখতে হয়। বড় রেস্তোরাঁগুলোতে প্রতিদিন একাধিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। ফলে সিলিন্ডারের দাম বাড়লে তাদের উৎপাদন ব্যয়ও দ্রুত বেড়ে যায়।
এপ্রিল ২০২৬-এ এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সময় ঢাকার কয়েকটি রেস্তোরাঁর অভিজ্ঞতা থেকে পরিস্থিতির একটি চিত্র পাওয়া যায়।
মোহাম্মদপুরের একটি রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক জানিয়েছিলেন, গ্যাস ও অন্যান্য উপকরণের দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। ৩৫ কেজির একটি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম কয়েক মাসে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৬০০ টাকায় পৌঁছেছিল।
এর ফলে এক প্লেট কাচ্চির দাম ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩২০ টাকা করতে হয়েছিল। তবু রেস্তোরাঁটির মুনাফার হার প্রায় ৩০ শতাংশ থেকে কমে ১৫ শতাংশে নেমে আসে।
অন্য একটি রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক জানিয়েছিলেন, গ্যাসের দাম বাড়লেও ক্রেতা হারানোর আশঙ্কায় তারা খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না। ফলে বাড়তি খরচ নিজেদের মুনাফা থেকে বহন করতে হচ্ছে।
নভেম্বরে নতুন দাম নির্ধারণের পর বাণিজ্যিক রান্নাঘরগুলোর ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যেসব রেস্তোরাঁয় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার করতে হয়, তাদের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
খাবারের দাম বাড়বে, নাকি কমবে রেস্তোরাঁর মুনাফা?
রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কঠিন হিসাব। গ্যাসের পাশাপাশি চাল, মাংস, মাছ, তেল, মসলা, সবজি, বিদ্যুৎ ও কর্মীদের বেতন—প্রায় প্রতিটি খাতেই ব্যয় রয়েছে।
এ অবস্থায় এলপিজির দাম বাড়লে ব্যবসায়ীদের সামনে দুটি বিকল্প থাকে। প্রথমত, খাবারের দাম বাড়িয়ে বাড়তি ব্যয় ক্রেতার ওপর চাপিয়ে দেওয়া। দ্বিতীয়ত, খাবারের দাম অপরিবর্তিত রেখে নিজেদের মুনাফা কমিয়ে ব্যবসা চালানো।
উভয় সিদ্ধান্তেরই নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
খাবারের দাম বাড়ালে ক্রেতার সংখ্যা কমে যেতে পারে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির কারণে যেসব মধ্যবিত্ত পরিবার ইতিমধ্যে বাইরে খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে, তারা আরও সতর্ক হতে পারেন।
অন্যদিকে দাম না বাড়ালে রেস্তোরাঁর মালিকদের মুনাফা কমবে। দীর্ঘদিন লোকসান গুনে বা কম মুনাফায় ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে উঠবে।
এর প্রভাব পড়তে পারে কর্মীদের ওপরও। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান কর্মীর সংখ্যা কমাতে, কর্মঘণ্টা হ্রাস করতে কিংবা নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধ রাখতে পারে।
অর্থাৎ এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু খাবারের দামে সীমাবদ্ধ নয়; রেস্তোরাঁ খাতের কর্মসংস্থানেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
বাজার নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা, ভোগান্তি ক্রেতার
এলপিজির বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার নিয়ন্ত্রণ ও বিতরণব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
দেশের এলপিজি সরবরাহের প্রায় ৯৯ শতাংশ বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। প্রায় ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স থাকলেও সক্রিয় আমদানিকারকের সংখ্যা ১০ থেকে ১২টি।
বিইআরসি প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরামকোর ঘোষিত চুক্তিমূল্য, আমদানি ও পরিবহন ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে।
কিন্তু সরকার-নির্ধারিত মূল্য কার্যকর হওয়ার পরও বাজারে সেই দামে সিলিন্ডার পাওয়া না গেলে মূল্য নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
অক্টোবরের শেষ দিকে এলপিজি ব্যবসায়ীরা সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণের খরচ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন। ২৯ অক্টোবর এ বিষয়ে বিইআরসি গণশুনানিও করে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, পরিবহন, ঋণের সুদ, সিলিন্ডার রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যয় বেড়েছে। তাই কমিশন ও অন্যান্য খরচ পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে ভোক্তা অধিকারকর্মীরা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মজুতদারি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
নতুন মূল্যকাঠামোয় সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণ, পরিবেশক এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশনও বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাড়তি কমিশন নির্ধারণ করলেই বাজারে সরকার-নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া নিশ্চিত হবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
অটোগ্যাসের দামও বাড়ল
এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরিবহন খাতেও পড়েছে। যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ৭ টাকা ৩৩ পয়সা বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই দাম ছিল ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা।
অটোগ্যাস ব্যবহারকারী যানবাহনের পরিচালন ব্যয় বাড়লে পরিবহন ব্যবসায়ীরাও বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়বেন। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পরিবহন ভাড়া ও পণ্য পরিবহনের ব্যয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে সব পরিবহন ব্যবসায়ী যে সঙ্গে সঙ্গে ভাড়া বাড়াবেন, তা নয়। প্রতিযোগিতা, যাত্রীসংখ্যা ও পরিচালন ব্যয়ের ওপর নির্ভর করবে তারা কীভাবে বাড়তি ব্যয় সামাল দেবেন।
সমাধান শুধু দাম বাড়ানো নয়
বাংলাদেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৭ লাখ টন। এই চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম, জাহাজ ভাড়া, সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন এবং ডলারের বিনিময় হার দেশের বাজারকে প্রভাবিত করে।
কিন্তু আমদানিনির্ভরতার অজুহাতে ক্রেতাদের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির মুখে ফেলে রাখা যায় না।
প্রথম কাজ হলো বাজারে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা। আমদানিকারক থেকে পরিবেশক এবং খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে মূল্য ও সরবরাহের স্বচ্ছতা থাকতে হবে।
দ্বিতীয়ত, সরকার-নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সিলিন্ডারের মজুত, পরিবহন ও বিতরণব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
তৃতীয়ত, রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য জ্বালানিসাশ্রয়ী রান্নার সরঞ্জাম ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমানো সম্ভব।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মূল্য নির্ধারণের সময় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় রাখা। কারণ রান্নার গ্যাস কোনো বিলাসপণ্য নয়। এটি পরিবারের দৈনন্দিন প্রয়োজন।
এলপিজির দাম বাড়ার অর্থ শুধু একটি সিলিন্ডার কিনতে বেশি টাকা খরচ করা নয়। এর অর্থ পরিবারের খাবারের বাজেটে কাটছাঁট, রেস্তোরাঁর খাবারের দাম বাড়ার আশঙ্কা এবং ছোট ব্যবসার মুনাফা কমে যাওয়া।
একটি সিলিন্ডারের বাড়তি দামের চাপ শেষ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে পরিবারের খাবারের টেবিল থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁর কর্মীর জীবিকা পর্যন্ত। তাই এলপিজির বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এখন শুধু জ্বালানি খাতের দায়িত্ব নয়; এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণেরও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।












