১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বন্যার্তদের সহায়তায় ব্র্যাককে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪
  • 152

সারাক্ষণ ডেস্ক

বাংলাদেশে বন্যার্তদের সহায়তা ও পুনর্বাসনের জন্য ব্র্যাককে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ৭ কোটি এবং কানাডা দিচ্ছে ৩ কোটি টাকা। ব্র্যাকের সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ অ্যারেঞ্জমেন্ট (এসপিএ) বা কৌশলগত অংশীদারত্ব ব্যবস্থার আওতায় এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

বন্যা কবলিত ১১ হাজার পরিবার এই তহবিল থেকে সহায়তা পাবে। অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডার সঙ্গে যৌথভাবে এই তহবিল থেকে ব্র্যাক বন্যাদুর্গতদেরকে নগদ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ল্যাট্রিন, নিরাপদ পানির উৎস এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো মেরামতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি, জীবিকা পুনরুদ্ধার, বাড়িঘর মেরামত, কৃষি উপকরণ এবং পশুখাদ্যসহ কৃষি উপকরণ কেনায় সহায়তা করা হবে।

ব্র্যাক ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ হাজার পরিবারকে খাদ্য, নিরাপদ পানি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসহ জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে। দুর্গতদের সহায়তায় ব্র্যাকের প্রায় ৫ হাজার কর্মী মাঠপর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।

মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত এবং দুর্গম এলাকাগুলোতে নৌকা, ট্রাক্টর বা কখনও পায়ে হেঁটে ব্র্যাককর্মীরা এমন মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন, যেখানে ইতিপূর্বে কোনো ধরনের সহায়তা পৌঁছেনি অথচ সেখানকার ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরিভিত্তিতে সহায়তা পাওয়া প্রয়োজন ছিল।

উল্লেখ্য, বন্যায় আক্রান্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসনসহ জরুরি সহায়তায় ব্র্যাক ইতিমধ্যেই নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এসপিএ তহবিলের এই ১০ কোটি টাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের দীর্ঘমেয়াদি চাহিদাগুলো পূরণের জন্য ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস-এর সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করেছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও কমিউনিটি অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১টি জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল বেসরকারি সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছে ব্র্যাক।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের কাজে বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এই দুর্যোগের শুরু থেকেই মাঠে আছে ব্র্যাক।

অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডার সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগটি দুর্যোগ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরে এবং বাংলাদেশের বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় ব্র্যাক এবং এর অংশীদারদের প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যাক্ত করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বন্যার্তদের সহায়তায় ব্র্যাককে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা

০৩:০০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

বাংলাদেশে বন্যার্তদের সহায়তা ও পুনর্বাসনের জন্য ব্র্যাককে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ৭ কোটি এবং কানাডা দিচ্ছে ৩ কোটি টাকা। ব্র্যাকের সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ অ্যারেঞ্জমেন্ট (এসপিএ) বা কৌশলগত অংশীদারত্ব ব্যবস্থার আওতায় এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

বন্যা কবলিত ১১ হাজার পরিবার এই তহবিল থেকে সহায়তা পাবে। অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডার সঙ্গে যৌথভাবে এই তহবিল থেকে ব্র্যাক বন্যাদুর্গতদেরকে নগদ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ল্যাট্রিন, নিরাপদ পানির উৎস এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো মেরামতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি, জীবিকা পুনরুদ্ধার, বাড়িঘর মেরামত, কৃষি উপকরণ এবং পশুখাদ্যসহ কৃষি উপকরণ কেনায় সহায়তা করা হবে।

ব্র্যাক ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ হাজার পরিবারকে খাদ্য, নিরাপদ পানি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসহ জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে। দুর্গতদের সহায়তায় ব্র্যাকের প্রায় ৫ হাজার কর্মী মাঠপর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।

মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত এবং দুর্গম এলাকাগুলোতে নৌকা, ট্রাক্টর বা কখনও পায়ে হেঁটে ব্র্যাককর্মীরা এমন মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন, যেখানে ইতিপূর্বে কোনো ধরনের সহায়তা পৌঁছেনি অথচ সেখানকার ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরিভিত্তিতে সহায়তা পাওয়া প্রয়োজন ছিল।

উল্লেখ্য, বন্যায় আক্রান্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসনসহ জরুরি সহায়তায় ব্র্যাক ইতিমধ্যেই নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এসপিএ তহবিলের এই ১০ কোটি টাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের দীর্ঘমেয়াদি চাহিদাগুলো পূরণের জন্য ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস-এর সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করেছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও কমিউনিটি অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১টি জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল বেসরকারি সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছে ব্র্যাক।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের কাজে বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এই দুর্যোগের শুরু থেকেই মাঠে আছে ব্র্যাক।

অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডার সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগটি দুর্যোগ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরে এবং বাংলাদেশের বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় ব্র্যাক এবং এর অংশীদারদের প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যাক্ত করে।