ইরাকের উত্তরাঞ্চলের কুর্দি অধ্যুষিত সুলাইমানিয়া শহরে একাধিক স্থানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে চালানো এসব হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
সুলাইমানিয়া শহরের কেন্দ্রে ড্রোন হামলা
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সুলাইমানিয়া শহরের তিনটি ভিন্ন এলাকায় একাধিক ড্রোন আঘাত হানে। এর মধ্যে দুটি ড্রোন শহরের কেন্দ্রস্থলের একটি ভবনে আঘাত করে। ওই এলাকায় বিভিন্ন অফিস ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, পাশাপাশি সেখানে জাতিসংঘের একটি কম্পাউন্ডও অবস্থিত।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত সরাসরি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ভবনে আগুন ধরে গেছে এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অন্য একটি ভিডিওতে আকাশে উড়ন্ত ড্রোন লক্ষ্য করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে গুলি ছুড়ছে বলেও দেখা যায়।
পেশমার্গা ইউনিট ‘ফোর্স ৭০’ লক্ষ্য করে হামলা
আরও তিনটি ড্রোন সুলাইমানিয়ায় পেশমার্গা বাহিনীর একটি ইউনিট ‘ফোর্স ৭০’-কে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এই ইউনিটটি কুর্দি রাজনৈতিক দল প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অব কুর্দিস্তানের অধীনে পরিচালিত হয় এবং এর নেতৃত্বে রয়েছেন বাফেল তালাবানি। তিনি সাবেক ইরাকি প্রেসিডেন্ট জালাল তালাবানির ছেলে এবং কুর্দি রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতা।
বিমানবন্দরের কাছেও ড্রোন পতন
হামলার সময় একটি ড্রোন সুলাইমানিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকায় পড়ে যায়। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
ইরানি কুর্দি দলের অবস্থানেও হামলা
পৃথক আরেকটি হামলায় ইরানের কুর্দি বিরোধী সংগঠন কোমালা পার্টির অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। সংগঠনটির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওই হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছে।
ঘটনাগুলোর পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হামলার উৎস ও উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্ত চলছে।












