ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে নিহত সপ্তম মার্কিন সেনা সদস্যের মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডোভার বিমানঘাঁটিতে সেই মরদেহ গ্রহণের সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত সেনা সদস্য সার্জেন্ট বেঞ্জামিন এন. পেনিংটন সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
সৌদি ঘাঁটিতে হামলার পর মৃত্যু
মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে সংঘটিত হামলায় সার্জেন্ট পেনিংটন মারাত্মকভাবে আহত হন। হামলার পর তাকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হলেও তার অবস্থা গুরুতর ছিল। শেষ পর্যন্ত কয়েক দিন পর তিনি মারা যান।
তার মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হলে ডোভার বিমানঘাঁটিতে সামরিক মর্যাদায় তা গ্রহণ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা।
কুয়েতে ড্রোন হামলায় নিহত ছয় মার্কিন সেনা
এর আগে কুয়েতে একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হন। ওই হামলাটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে অন্যতম বড় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, ওই ড্রোন হামলার ঘটনাই এই সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা।
সংঘাতে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা
ইরানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে প্রায় এক হাজার তিনশ মানুষ নিহত হয়েছে। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত ত্রিশের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত ক্রমেই আরও বিস্তৃত আকার নিচ্ছে এবং উভয় পক্ষের হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।












