দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, রাজনীতি ও কৌশলগত ভারসাম্যের প্রধান নিয়ন্ত্রক শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ও ইউরোপীয় শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপের মধ্য দিয়ে যে আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, তার পরবর্তী পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র সেই ব্যবস্থার প্রধান স্থপতি হয়ে ওঠে। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের ঝুঁকি এবং চীনের সঙ্গে বাড়তে থাকা প্রতিদ্বন্দ্বিতা সেই ভূমিকাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পুরোপুরি সরে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনো নেই। বরং পরিবর্তনটি হতে পারে আরও সূক্ষ্ম—ওয়াশিংটন অঞ্চলটির ‘নিরাপত্তার স্থপতি’ হিসেবে আগের ভূমিকা থেকে সরে গিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত সামরিক ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে মনোযোগ দিতে পারে। এমন পরিবর্তন বাস্তব হলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক কাঠামো কোনো দূরবর্তী পরাশক্তির হাতে পুরোপুরি নির্ধারিত না-ও হতে পারে।
দীর্ঘ হস্তক্ষেপের পর নতুন বাস্তবতা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে যায়। ব্রিটেন ইরাক, জর্ডান ও ফিলিস্তিনে প্রভাব প্রতিষ্ঠা করে, আর ফ্রান্স সিরিয়া ও লেবাননে কর্তৃত্ব বিস্তার করে। আরবদের একটি অংশ মনে করেছিল, যুদ্ধের সময় মিত্রশক্তিকে সহযোগিতার বিনিময়ে তারা স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী বাস্তবতা সেই প্রত্যাশাকে পূরণ করেনি।
পরবর্তী দশকগুলোতেও অঞ্চলটি স্থিতিশীলতা পায়নি। মিসরের গামাল আবদেল নাসেরের মতো জাতীয়তাবাদী নেতারা সোভিয়েত-ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক মডেলের দিকে ঝুঁকেছিলেন। অন্যদিকে ইরাকে সাদ্দাম হোসেন ও সিরিয়ায় হাফেজ আল-আসাদের মতো শাসকদের কর্তৃত্ববাদী শাসন মানবাধিকার পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলে। সেই দমন-পীড়নের পরিবেশ থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে উগ্র জঙ্গিবাদও শক্তি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রও এই অঞ্চলে নিজের প্রভাব প্রতিষ্ঠার জন্য একের পর এক যুদ্ধ, গোপন অভিযান এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ এই প্রচেষ্টার পর এখন সেই নীতির কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
ইয়েমেন থেকে সেনা ঘাঁটি—পরিবর্তনের ইঙ্গিত
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতির পরিবর্তনের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ইয়েমেন। সৌদি আরবের সঙ্গে মিলে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সময়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং মার্কিন জাহাজগুলোকে আক্রমণ থেকে দূরে রাখার পথ খুঁজেছে।
এটি আপাতদৃষ্টিতে ছোট ঘটনা হলেও এর কৌশলগত তাৎপর্য রয়েছে। একটি পরাশক্তি যখন কোনো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি সমঝোতার পথ বেছে নেয়, তখন মিত্র ও প্রতিদ্বন্দ্বী—উভয়ের কাছেই বার্তাটি যায় যে, যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক দায়বদ্ধতা কমাতে চাইছে।
আরেকটি বড় প্রশ্ন হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতি। শান্তিকালে এই অঞ্চলে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা ১৯টি ঘাঁটিতে অবস্থান করে, যার আটটি স্থায়ী ঘাঁটি। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ দেখিয়েছে, ড্রোন ও কম খরচের ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অস্ত্রের কারণে এসব ঘাঁটি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।
ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে বিমানবাহী রণতরী এবং ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটির ওপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ তাই মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন বাহিনীকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কেন্দ্রীভূত করার কথা বলছেন।
ওয়াশিংটনের নজর এখন চীন ও আমেরিকা মহাদেশে
মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সরে আসার পেছনে শুধু যুদ্ধের ঝুঁকি নয়, বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক হিসাবও কাজ করছে।
একই সময়ে ইউরোপ থেকেও ২৫ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত অগ্রাধিকার ক্রমেই আমেরিকা মহাদেশ এবং চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতার দিকে ঝুঁকছে।
চীনের সঙ্গে সাম্প্রতিক ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকও দেখিয়েছে, দুই দেশের সম্পর্ক সতর্ক সহাবস্থান ও সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কার মাঝামাঝি অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘ যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার খালি করছে এবং এমন একটি অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সম্পদ আটকে রাখছে, যেখানে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
তেলের জন্য আগের মতো নির্ভরশীল নয় যুক্তরাষ্ট্র
আরেকটি বড় পরিবর্তন এসেছে জ্বালানি অর্থনীতিতে। ২০২০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তেল আমদানিকারক ছিল। এখন দেশটি বিশ্বের অন্যতম বড় তেল রপ্তানিকারক। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আগের মতো বিশাল সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার অর্থনৈতিক যুক্তিও কিছুটা দুর্বল হয়েছে।
অন্যদিকে চীন উপসাগরীয় দেশগুলোর সবচেয়ে বড় ক্রেতায় পরিণত হয়েছে। সুয়েজ খালও চীনা পণ্যকে ইউরোপীয় বাজারে পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।
এর ফলে একটি অদ্ভুত বাস্তবতা তৈরি হয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি ও বজায় রাখতে বিপুল অর্থ ও সামরিক সম্পদ ব্যয় করেছে, তার অর্থনৈতিক সুবিধার বড় অংশ এখন চীনও পাচ্ছে।
তবে এর অর্থ এই নয় যে চীন যুক্তরাষ্ট্রের জায়গা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন আধিপত্যশীল শক্তি হয়ে উঠবে। আমেরিকার দীর্ঘ যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে বেইজিং জানে, এমন আধিপত্যের মূল্য কতটা বেশি হতে পারে।
শূন্যস্থান পূরণে তিন আঞ্চলিক শক্তি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই শূন্যতা পূরণের ক্ষেত্রে তিনটি দেশ সবচেয়ে বেশি সক্ষম—ইরান, তুরস্ক ও ইসরায়েল।
তিন দেশই আরব নয়, কিন্তু সামরিক, রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সক্ষমতার কারণে তারা আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ইরান সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শক্তি। তেহরানের শাসনব্যবস্থা যদি ভেঙে পড়ে, তাহলে ইরাক, সিরিয়া ও লেবাননে নিজের প্রভাব পুনর্গঠন করা তার পক্ষে কঠিন হবে। কিন্তু বর্তমান সরকার টিকে গেলে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণকে leverage হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারে। উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়ানো এবং বিদেশে মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পুনর্গঠন করাও তার কৌশলের অংশ হতে পারে।
এমনকি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টাও আবার শুরু হতে পারে—যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ‘লাল রেখা’ হয়ে থাকবে। এ ক্ষেত্রে রাশিয়ার সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তুরস্ক ইতিমধ্যে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। সিরিয়ার নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান সমর্থক হয়ে উঠেছে দেশটি। ইরাকের সঙ্গে বাণিজ্যপথ, পানি সরবরাহ এবং কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াচ্ছে আঙ্কারা।
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তিও তুরস্কের আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিত দেয়। মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি তুরস্কের ঐতিহাসিক সহানুভূতি থাকলেও বাস্তবে আঙ্কারা অনেক বেশি বাস্তববাদী। প্রতিরক্ষা শিল্প ও নির্মাণ খাতের ব্যবসায়িক স্বার্থও তার পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
ইসরায়েল হলো অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক ও গোয়েন্দা শক্তি। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েল নিজের নিরাপত্তা নীতিকে আরও আক্রমণাত্মক করেছে। দেশটির নেতৃত্ব এমন একটি কৌশল অনুসরণ করছে, যাতে সম্ভাব্য হুমকির সামরিক সক্ষমতা আগেভাগেই ধ্বংস করা যায়।
আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা আগের তুলনায় আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
তিন শক্তির মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা
ইরান, তুরস্ক ও ইসরায়েল কেউই সহজে পরস্পরের প্রভাব মেনে নেবে না।
সিরিয়া নিয়ে ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যে ইতিমধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যেও যুদ্ধের পর অমীমাংসিত বিরোধ রয়ে গেছে। অন্যদিকে ইরান ও তুরস্কের মধ্যে কয়েক শতাব্দীর সাম্রাজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাস রয়েছে।
ফলে যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে গেলে শান্তিপূর্ণ বহুপাক্ষিক ভারসাম্য তৈরি হওয়ার বদলে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো একক আধিপত্য তৈরি না হয়ে বরং একাধিক শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে।
সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বে আরব দেশগুলো
এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি আরব রাষ্ট্রগুলোর জন্য।
ইরাক ও সিরিয়া এখনো গৃহযুদ্ধ ও দীর্ঘ সংঘাতের ধ্বংসস্তূপ থেকে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। একসময় আরব বিশ্বের স্বাভাবিক নেতৃত্বের দাবিদার মিসরও অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও বিরোধী মত দমনে বড় শক্তি ব্যয় করছে।
উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো অবশ্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এটি তাদের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হলেও তাদের নিরাপত্তা কাঠামো এখনো অনেকাংশে মার্কিন সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল।
কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও আঞ্চলিক অস্থিরতার একটি উৎস। যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই তার পুরোনো ভূমিকা থেকে সরে যায়, তাহলে বিদায়ের আগে এসব দেশকে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তুলতে উৎসাহিত করাই ওয়াশিংটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান হতে পারে।
নতুন সুযোগ, নাকি পুরোনো সংঘাতের পুনরাবৃত্তি?
মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের মধ্যে বহুদিন ধরেই অতীতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গৌরব ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। কয়েক শতাব্দী আগে বিজ্ঞান, শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চায় আরব বিশ্বের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তার স্মৃতি এখনো রাজনৈতিক কল্পনায় শক্তিশালী।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে গেলে সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণের বেশি সুযোগ পেতে পারে।
কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা। মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে বাইরের আধিপত্য যেমন ক্ষত তৈরি করেছে, তেমনি স্থানীয় শাসকদের দমন-পীড়ন, সাম্প্রদায়িক বিভাজন, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জঙ্গিবাদও বিপর্যয় ডেকে এনেছে।
তাই যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চাদপসরণকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শান্তির সূচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একই সঙ্গে নতুন স্বাধীনতার সম্ভাবনা এবং নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিরোধ, গভীর রাজনৈতিক অবিশ্বাস এবং প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা যদি প্রাধান্য পায়, তাহলে মার্কিন আধিপত্যের অবসান মধ্যপ্রাচ্যকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। কিন্তু আঞ্চলিক শক্তিগুলো যদি নিজেদের মধ্যে নতুন ভারসাম্য ও সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারে, তাহলে একই পরিবর্তন একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনাও হতে পারে।











