মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরি পেলেন শাদমান ইসলাম। কিন্তু তাঁর ১০৫ রানের ইনিংসের পরও বাংলাদেশ থেমেছে ২৭২ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যান ৫৩ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৩ উইকেটে ২০৭। দ্বিতীয় দিন সকালে দল শুরু করে ২১৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে। শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই টেস্ট দিয়েই সিরিজ শুরু হয়েছে।
২২১ রানে বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট পড়ার পর ব্যাটিং ধস নামে। শেষ সাত উইকেট হারিয়ে দল যোগ করে মাত্র ৫৯ রান। ৯৭.৪ ওভারে ইনিংস শেষ হয়। শাদমান এটি টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি করেন। তৌহিদ হৃদয় করেন ৪২ রান। লিটন দাস ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ওয়ারিক্যানের পাশাপাশি জোসেফ ৪১ রানে দুটি এবং বিশপ ৬১ রানে দুটি উইকেট পান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিন শেষ করেছে ৪ উইকেটে ১৩৪ রানে। তারা বাংলাদেশের চেয়ে ১৩৮ রান পিছিয়ে আছে। বৃষ্টি ও আলোর স্বল্পতার মধ্যেই খেলা চলে। স্পিনাররা বিরতিতে বিরতিতে উইকেট তুলে নেন। জন ক্যাম্পবেল ৫৪ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্লিপে ক্যাচ দেন। তাইজুল ইসলাম ৩৬তম ওভারে উইকেট মেডেন নিয়ে কাভেম হজকে ৭ রানে ফেরান।
আমির জাঙ্গু তানজিদ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। হাসান মাহমুদ ফেরান ব্র্যান্ডন কিংকে, তিনি করেন ১৫ রান। দিন শেষে তাগেনারিন চন্দরপলের রান ৪৩ এবং জাস্টিন গ্রিভসের ১৫। তাঁদের অপরাজিত জুটিই তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। দিন শেষে দুই দলের অবস্থান বেশ কাছাকাছি।
তৃতীয় দিনের খেলায় ম্যাচের গতি অনেকটাই নির্ধারিত হবে সকালের প্রথম সেশনে। বাংলাদেশ যদি দ্রুত আরও উইকেট তুলতে পারে, তাহলে ২৭২ রানের সংগ্রহও লড়াইয়ে থাকার মতো হতে পারে। তবে চন্দরপল ও গ্রিভস টিকে গেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ লিড নেওয়ার দিকে এগোবে। মিরপুরের উইকেটে স্পিনাররা সহায়তা পাচ্ছেন। ফলে এই টেস্টের ফল এখনো অনিশ্চিত। শাদমানের সেঞ্চুরি সেই লড়াইয়ে বাংলাদেশের বড় অর্জন।
প্রথম দিনের খেলা শেষে শাদমান ছিলেন ৯৬ রানে অপরাজিত, আর বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ২০৭। দ্বিতীয় দিন সকালে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। কিন্তু অন্য ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা মেলেনি। তৌহিদ হৃদয় ৪২ রান করে আউট হন। শেষ সাত উইকেট মাত্র ৫৯ রানে পড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের সুযোগ হারায়।












