সারাক্ষণ রিপোর্ট
বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম ২৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। দিনটির সূচনা হয় দূতাবাস প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রদূত রকিবুল হকের নেতৃত্বে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও বার্তা পাঠ
অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও ২০২৪ সালের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা এবং মাননীয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। এ সময় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা সভা: ইতিহাস ও ভবিষ্যতের অঙ্গীকার
অনুষ্ঠানে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস, জাতির ত্যাগ, এবং মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখার আহ্বান জানান।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের জন্য আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করা হয়।
রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তাঁর বক্তব্যে স্বাধীনতা দিবসের গভীর তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কাঙ্ক্ষিত সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অপরিসীম। তাই সরকার ঘোষিত নীতিমালার আলোকে প্রবাসীদের কল্যাণে একসাথে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তাদেরও যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
উপসংহার
এই আয়োজনে বাংলাদেশের ইতিহাস, ত্যাগ এবং ভবিষ্যৎ গঠনে প্রবাসী সমাজের ভূমিকা গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়। দিবসটি উদযাপন ছিল গর্ব ও শ্রদ্ধার এক অনন্য মুহূর্ত।












