অন্যদিকে, আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের বরাত দিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হচ্ছে, গত বছরে জুলাই ও অগাস্টে ঢাকার রায়েরবাজার কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয় ১১৪টি মরদেহ।

বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা অনেকেই আন্দোলনে নিহত বলেও সে সব খবরে বলা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে, যে ৮৪৪ জনের নামের তালিকা তারা করেছে তাদের সবার নাম পরিচয় উল্লেখ আছে। কিন্তু বেওয়ারিশ বা অজ্ঞাতনামা কারো নাম তালিকায় যুক্ত হয়নি।

সচিব ইশরাত চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেন, “যাদেরকে বেওয়ারিশভাবে দাফন করা হয়েছে, তারা আসলে কারা ছিল, সেটি শনাক্ত করার জন্য তদন্ত শুরু করেছি আমরা। সেই সংখ্যাটা ঠিক কতো সেটি এখনো জানা নেই। তবে তদন্তের পর আমরা বলতে পারবো”।

গবেষক ও বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, “সরকারি উদ্যোগের মধ্যে আসলে শৃঙ্খলা ছিল না। এটা এলাকাভিত্তিক উদ্যোগ নিলে তো সঠিক তালিকা সাত দিনের বেশি লাগার কথা না”।

তিনি বলছিলেন, “এখানে কিছু ক্ষতিপূরণ বা তাদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার প্রশ্ন এসেছে। আবার ওই সব পরিবারের সদস্যদের চাকরি দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সুতারং সেখানে অনেক ভুয়া লোকজন ঢুকতে পারে। তাই দ্রুত সঠিক ও নির্ভুল তালিকা তৈরি করা দরকার”।