০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

অসংক্রামক রোগে ৭১% মৃত্যু: প্রবাসীসহ সব বাংলাদেশির সুরক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার-ডব্লিউএইচও

বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই ঘটছে এসব রোগের কারণে। এই বাস্তবতায় দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা সব বাংলাদেশির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা।

সমন্বিত উদ্যোগে নতুন দিক

সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা ৮০টির বেশি বাংলাদেশ মিশনকে অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং তাদের জন্য কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।

এই পদক্ষেপটি দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় একটি নতুন ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবাসীদের জীবনযাপন, কর্মপরিবেশ এবং স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে তারা অনেক সময় বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

২০২৫ সালের যৌথ ঘোষণা

অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ২০২৫ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করা হয়। সে সময় ৩৫টি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে একটি যৌথ ঘোষণা দেয়, যার মাধ্যমে সমন্বিতভাবে এসব রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

এই উদ্যোগের ফলে বিভিন্ন খাত একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রবাসীদের জন্য আলাদা পরিকল্পনা

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা তৈরির কাজও চলছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের বাস্তবতার ভিত্তিতে সুপারিশ যুক্ত করা হচ্ছে।

মিশনগুলো ইতোমধ্যে বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নানা পরামর্শ দিচ্ছে, যা এই পরিকল্পনাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সচেতনতা জরুরি

অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে সচেতনতা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও শ্বাসতন্ত্রের রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক ব্যায়াম প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব। এতে দেশের মানুষের পাশাপাশি বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরাও উপকৃত হবেন।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতের এই নতুন উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অসংক্রামক রোগে বাড়ছে মৃত্যু, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্যোগে প্রবাসীসহ সব বাংলাদেশির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন পরিকল্পনা জোরদার হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

অসংক্রামক রোগে ৭১% মৃত্যু: প্রবাসীসহ সব বাংলাদেশির সুরক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার-ডব্লিউএইচও

০৬:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই ঘটছে এসব রোগের কারণে। এই বাস্তবতায় দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা সব বাংলাদেশির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা।

সমন্বিত উদ্যোগে নতুন দিক

সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা ৮০টির বেশি বাংলাদেশ মিশনকে অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং তাদের জন্য কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।

এই পদক্ষেপটি দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় একটি নতুন ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবাসীদের জীবনযাপন, কর্মপরিবেশ এবং স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে তারা অনেক সময় বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

২০২৫ সালের যৌথ ঘোষণা

অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ২০২৫ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করা হয়। সে সময় ৩৫টি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে একটি যৌথ ঘোষণা দেয়, যার মাধ্যমে সমন্বিতভাবে এসব রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

এই উদ্যোগের ফলে বিভিন্ন খাত একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রবাসীদের জন্য আলাদা পরিকল্পনা

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা তৈরির কাজও চলছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের বাস্তবতার ভিত্তিতে সুপারিশ যুক্ত করা হচ্ছে।

মিশনগুলো ইতোমধ্যে বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নানা পরামর্শ দিচ্ছে, যা এই পরিকল্পনাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সচেতনতা জরুরি

অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে সচেতনতা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও শ্বাসতন্ত্রের রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক ব্যায়াম প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব। এতে দেশের মানুষের পাশাপাশি বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরাও উপকৃত হবেন।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতের এই নতুন উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অসংক্রামক রোগে বাড়ছে মৃত্যু, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্যোগে প্রবাসীসহ সব বাংলাদেশির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন পরিকল্পনা জোরদার হচ্ছে।