০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আগে আয়কর রিটার্ন দিলে মিলবে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কর রেয়াত, নতুন প্রণোদনা এনবিআরের

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তি করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতাদের সময়মতো আয়কর রিটার্ন দাখিলে উৎসাহ দিতে নতুন কর প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। নতুন ব্যবস্থায় নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ওপর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর রেয়াত পাবেন। তবে এই সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা।

সেপ্টেম্বরের মধ্যেই রিটার্ন দিলে মিলবে কর রেয়াত

রোববার এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া ব্যক্তি করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতারা আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৭৩ ধারার আওতায় পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ হারে কর রেয়াত পাবেন। তবে কোনো করদাতা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকার বেশি রেয়াত পাবেন না।

এনবিআরের মতে, করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন জমা দিতে উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এতে স্বেচ্ছায় কর পরিশোধের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রমও আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হবে।

প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে করছাড়

অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো প্রণোদনা নেই

এনবিআর স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে কোনো ধরনের কর রেয়াত বা প্রণোদনা দেওয়া হবে না। অর্থাৎ করদাতারা নির্ধারিত সময়ের এই অংশে রিটার্ন জমা দিলেও অতিরিক্ত কোনো সুবিধা পাবেন না।

দেরিতে রিটার্ন জমা দিলে গুনতে হবে অতিরিক্ত অর্থ

যেসব করদাতা আরও দেরিতে রিটার্ন জমা দেবেন, তাদের অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।

আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

অনলাইনেই রিটার্ন জমা ও কর পরিশোধের সুযোগ

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর

এনবিআর জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ২২ জুলাই থেকে ব্যক্তি করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু হয়েছে। করদাতারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই রিটার্ন দাখিল এবং কর পরিশোধ করতে পারবেন।

ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমেও কর পরিশোধ করা যাবে। সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই অনলাইনে গ্রহণপত্র এবং কর সনদ পাওয়া যাবে।

সহায়তায় থাকছে কল সেন্টার

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হলে করদাতারা এনবিআরের কল সেন্টার ০৯৬৪৩৭১৭১৭১-এ যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া কর্মদিবসে অফিস চলাকালীন সময়ে অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

এনবিআর করদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, কর রেয়াতের সুবিধা পেতে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে। কারণ, এই সময়সীমা অতিক্রম করার পর আর কোনো কর প্রণোদনা দেওয়া হবে না।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আগে আয়কর রিটার্ন দিলে মিলবে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কর রেয়াত, নতুন প্রণোদনা এনবিআরের

১১:৩৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তি করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতাদের সময়মতো আয়কর রিটার্ন দাখিলে উৎসাহ দিতে নতুন কর প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। নতুন ব্যবস্থায় নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ওপর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর রেয়াত পাবেন। তবে এই সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা।

সেপ্টেম্বরের মধ্যেই রিটার্ন দিলে মিলবে কর রেয়াত

রোববার এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া ব্যক্তি করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতারা আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৭৩ ধারার আওতায় পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ হারে কর রেয়াত পাবেন। তবে কোনো করদাতা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকার বেশি রেয়াত পাবেন না।

এনবিআরের মতে, করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন জমা দিতে উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এতে স্বেচ্ছায় কর পরিশোধের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রমও আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হবে।

প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে করছাড়

অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো প্রণোদনা নেই

এনবিআর স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে কোনো ধরনের কর রেয়াত বা প্রণোদনা দেওয়া হবে না। অর্থাৎ করদাতারা নির্ধারিত সময়ের এই অংশে রিটার্ন জমা দিলেও অতিরিক্ত কোনো সুবিধা পাবেন না।

দেরিতে রিটার্ন জমা দিলে গুনতে হবে অতিরিক্ত অর্থ

যেসব করদাতা আরও দেরিতে রিটার্ন জমা দেবেন, তাদের অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।

আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

অনলাইনেই রিটার্ন জমা ও কর পরিশোধের সুযোগ

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর

এনবিআর জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ২২ জুলাই থেকে ব্যক্তি করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু হয়েছে। করদাতারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই রিটার্ন দাখিল এবং কর পরিশোধ করতে পারবেন।

ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমেও কর পরিশোধ করা যাবে। সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই অনলাইনে গ্রহণপত্র এবং কর সনদ পাওয়া যাবে।

সহায়তায় থাকছে কল সেন্টার

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হলে করদাতারা এনবিআরের কল সেন্টার ০৯৬৪৩৭১৭১৭১-এ যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া কর্মদিবসে অফিস চলাকালীন সময়ে অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

এনবিআর করদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, কর রেয়াতের সুবিধা পেতে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে। কারণ, এই সময়সীমা অতিক্রম করার পর আর কোনো কর প্রণোদনা দেওয়া হবে না।