০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • 193

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ধর্মীয় কাজ-এর সামাজিক শ্রেণিবিভাজনটিও আজতেক সমাজে লক্ষ্য করবার মত। উল্লেখিত কাজের নীচে আরকেটি স্তর আছে। এই স্তরের পুরোহিতগণ মন্দির-এর কাজ, পুজা সংক্রান্ত নানা কাজ এবং দেবদেবীর লোকাচার দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করেন। এই মন্দির কর্মীদের সঙ্গে থাকেন দু’জন সহকর্মী যারা পুরোহিতদের যাবতীয় কাজে সাহায্য করেন।

পুরোহিতদের কাজের অধিকার এবং সীমানা আরও বিস্তৃত। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে পুরোহিতশ্রেণী আঞ্চলিক আদিবাসীগোষ্ঠীর জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করত। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই পুরোহিত সর্বসাধারণ মানুষের মনে ধর্মীয় আচার বিশ্বাস-এর চেতনাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল।

এই সঙ্গে তাদের মনে ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধা, মান্যতাও বাড়িয়েছিল। সমাজ ঐতিহাসিক এবং নৃতাত্ত্বিকরা মনে করেন জ্যোতির্বিদ্যা এবং গণিতচর্চা, হিসাব, সৌর মণ্ডল এবং বর্ষপঞ্জী সব কিছুর মধ্যে একটা ধর্মীয় আবেদন যুক্ত হয়েছিল। একথাও বলা হয় যে পুরোহিতগণ নৃতত্বের বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করত।

নর্তকী বা নৃত্যশিল্পীরা পৌরাণিক গল্প পরিবেশন করে এক ধরনের গণনৃত্য প্রদর্শন করত। আজতেকদের জীবনযাত্রার মধ্যে এক ধরনের শ্রেণিবিন্যাস গড়ে উঠেছিল। এর মধ্য দিয়ে লোকাচার-এর প্রকৃতির মধ্যে এক ধরনের ছন্দ গড়ে উঠেছিল।

আদতে ধর্মীয় লোকাচার, সামাজিক জীবনে-এর পালন, সবকিছুই ক্রমশ এমন একটা মানসিক আবহাওয়া তৈরি করে দিয়েছিল যার থেকে সবাই ভাবতে শুরু করেছিল যে পুরোহিতরাই স্বর্গীয় চিন্তা ও জগতের একমাত্র নিয়ন্তা।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৪)

০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ধর্মীয় কাজ-এর সামাজিক শ্রেণিবিভাজনটিও আজতেক সমাজে লক্ষ্য করবার মত। উল্লেখিত কাজের নীচে আরকেটি স্তর আছে। এই স্তরের পুরোহিতগণ মন্দির-এর কাজ, পুজা সংক্রান্ত নানা কাজ এবং দেবদেবীর লোকাচার দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করেন। এই মন্দির কর্মীদের সঙ্গে থাকেন দু’জন সহকর্মী যারা পুরোহিতদের যাবতীয় কাজে সাহায্য করেন।

পুরোহিতদের কাজের অধিকার এবং সীমানা আরও বিস্তৃত। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে পুরোহিতশ্রেণী আঞ্চলিক আদিবাসীগোষ্ঠীর জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করত। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই পুরোহিত সর্বসাধারণ মানুষের মনে ধর্মীয় আচার বিশ্বাস-এর চেতনাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল।

এই সঙ্গে তাদের মনে ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধা, মান্যতাও বাড়িয়েছিল। সমাজ ঐতিহাসিক এবং নৃতাত্ত্বিকরা মনে করেন জ্যোতির্বিদ্যা এবং গণিতচর্চা, হিসাব, সৌর মণ্ডল এবং বর্ষপঞ্জী সব কিছুর মধ্যে একটা ধর্মীয় আবেদন যুক্ত হয়েছিল। একথাও বলা হয় যে পুরোহিতগণ নৃতত্বের বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করত।

নর্তকী বা নৃত্যশিল্পীরা পৌরাণিক গল্প পরিবেশন করে এক ধরনের গণনৃত্য প্রদর্শন করত। আজতেকদের জীবনযাত্রার মধ্যে এক ধরনের শ্রেণিবিন্যাস গড়ে উঠেছিল। এর মধ্য দিয়ে লোকাচার-এর প্রকৃতির মধ্যে এক ধরনের ছন্দ গড়ে উঠেছিল।

আদতে ধর্মীয় লোকাচার, সামাজিক জীবনে-এর পালন, সবকিছুই ক্রমশ এমন একটা মানসিক আবহাওয়া তৈরি করে দিয়েছিল যার থেকে সবাই ভাবতে শুরু করেছিল যে পুরোহিতরাই স্বর্গীয় চিন্তা ও জগতের একমাত্র নিয়ন্তা।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)