০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 326

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)