০৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • 306

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেক সমাজে স্কুল কলেজ বা প্রথাগত বিদ্যা বা শিক্ষাদানের ব্যবস্থা তেমন ছিল না। সাধারণ মানুষদের মধ্যে ছিল অশিক্ষা, পিছিয়ে থাকায় এক মানসিকতার। স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখা শেখাবার ব্যবস্থাও তেমন ছিল না এবং একথাও অনেকটা ঠিক যে সামাজিক ব্যবস্থা তথা কাঠামো এমনভাবে গড়া ছিল যে সাধারণ মানুষদের আনুষ্ঠানিক লেখাপড়ার তেমন প্রয়োজন হত না।

এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিত সমাজকাঠামোর উঁচুতে থাকা পুরোহিতবর্গ। পুরোহিতরা এই পাঠ এবং লিখন কাজটি দক্ষতার সঙ্গে করতে পারত। সাধারণ মানুষরা পুরোহিত এবং সমাজ কর্তাদের পাঠানো নির্দেশমত প্রয়োজনীয় কাজ করত।

এক্ষেত্রে পুরোহিতরা ছিলেন ধর্মীয় ও লোকাচার-এর প্রধান কর্তা আর সরকারি দপ্তরের উচ্চতম পদাধিকারীরা দিতেন সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য রাজনৈতিক নির্দেশ।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

০৭:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেক সমাজে স্কুল কলেজ বা প্রথাগত বিদ্যা বা শিক্ষাদানের ব্যবস্থা তেমন ছিল না। সাধারণ মানুষদের মধ্যে ছিল অশিক্ষা, পিছিয়ে থাকায় এক মানসিকতার। স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখা শেখাবার ব্যবস্থাও তেমন ছিল না এবং একথাও অনেকটা ঠিক যে সামাজিক ব্যবস্থা তথা কাঠামো এমনভাবে গড়া ছিল যে সাধারণ মানুষদের আনুষ্ঠানিক লেখাপড়ার তেমন প্রয়োজন হত না।

এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিত সমাজকাঠামোর উঁচুতে থাকা পুরোহিতবর্গ। পুরোহিতরা এই পাঠ এবং লিখন কাজটি দক্ষতার সঙ্গে করতে পারত। সাধারণ মানুষরা পুরোহিত এবং সমাজ কর্তাদের পাঠানো নির্দেশমত প্রয়োজনীয় কাজ করত।

এক্ষেত্রে পুরোহিতরা ছিলেন ধর্মীয় ও লোকাচার-এর প্রধান কর্তা আর সরকারি দপ্তরের উচ্চতম পদাধিকারীরা দিতেন সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য রাজনৈতিক নির্দেশ।

(চলবে)