০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আতাউর রহমানের প্রয়াণে শোকের ছায়া, হারাল বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র

বাংলা নাট্যাঙ্গনের প্রখ্যাত অভিনেতা, নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই। সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর চলে যাওয়ার খবরে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।

দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিল্পী। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে বাসায় পড়ে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চিরবিদায় নিলেন বাংলা নাটকের এই কিংবদন্তি।

নাট্যাঙ্গনের প্রেরণার নাম

বরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই

আতাউর রহমান শুধু একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। অভিনয়ের পাশাপাশি নাট্যরচনা, নির্দেশনা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর অবদান ছিল অনন্য। স্বাধীনতার পর দেশের নাট্যচর্চাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

সহকর্মী ও শিল্পীরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই তাঁকে বাংলা নাটকের অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্যও তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণার এক বড় নাম।

সমৃদ্ধ কর্মজীবনের স্বীকৃতি

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। মঞ্চনাটক, টেলিভিশন নাটক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননাগুলোর মধ্যে একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক।

তাঁর অভিনয়, নির্দেশনা ও সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব দেশের নাট্যচর্চায় স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে। তাঁর মৃত্যুতে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংস্কৃতিকর্মীরা।

 

শেষ সময়ের লড়াই

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর একাধিকবার তাঁর শারীরিক অবস্থার ওঠানামা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত অবস্থার আর উন্নতি হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছিল।

আতাউর রহমানের মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন হারালো এক নিবেদিতপ্রাণ শিল্পীকে, যিনি আজীবন শিল্প ও সংস্কৃতির জন্য কাজ করে গেছেন।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আতাউর রহমানের প্রয়াণে শোকের ছায়া, হারাল বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র

১২:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বাংলা নাট্যাঙ্গনের প্রখ্যাত অভিনেতা, নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই। সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর চলে যাওয়ার খবরে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।

দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিল্পী। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে বাসায় পড়ে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চিরবিদায় নিলেন বাংলা নাটকের এই কিংবদন্তি।

নাট্যাঙ্গনের প্রেরণার নাম

বরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই

আতাউর রহমান শুধু একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। অভিনয়ের পাশাপাশি নাট্যরচনা, নির্দেশনা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর অবদান ছিল অনন্য। স্বাধীনতার পর দেশের নাট্যচর্চাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

সহকর্মী ও শিল্পীরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই তাঁকে বাংলা নাটকের অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্যও তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণার এক বড় নাম।

সমৃদ্ধ কর্মজীবনের স্বীকৃতি

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। মঞ্চনাটক, টেলিভিশন নাটক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননাগুলোর মধ্যে একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক।

তাঁর অভিনয়, নির্দেশনা ও সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব দেশের নাট্যচর্চায় স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে। তাঁর মৃত্যুতে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংস্কৃতিকর্মীরা।

 

শেষ সময়ের লড়াই

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর একাধিকবার তাঁর শারীরিক অবস্থার ওঠানামা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত অবস্থার আর উন্নতি হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছিল।

আতাউর রহমানের মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন হারালো এক নিবেদিতপ্রাণ শিল্পীকে, যিনি আজীবন শিল্প ও সংস্কৃতির জন্য কাজ করে গেছেন।