০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আম্মা ক্যান্টিনে খাবারের মান বাড়াতে বড় উদ্যোগ, অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় আম্মা ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান ও পরিষেবা আরও উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় রাজ্যের সব আম্মা ক্যান্টিনের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে কিছু ক্যান্টিনে খাবারের স্বাদ ও মান সন্তোষজনক নয়। সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।

খাবারের মান উন্নয়নে জোর

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যান্টিনগুলোর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত রান্নার সরঞ্জাম কেনা এবং নিয়মিত সুস্বাদু ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাতে পরিষেবায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে।

পুরনো প্রকল্পে নতুন গতি

আম্মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি প্রথম চালু হয় ২০১৩ সালে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। খুব কম দামে খাবার দেওয়ার কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এটি বড় সহায়তা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই ক্যান্টিনগুলোতে এক থেকে পাঁচ রুপির মধ্যে খাবার পাওয়া যায়। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির সময় লকডাউনের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের জন্য এই ক্যান্টিন ছিল বড় ভরসা।

সরকারি কল্যাণ প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, আগের সরকারগুলোর কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালিয়ে যাবে তার সরকার। আম্মা ক্যান্টিন উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকার জানিয়েছে, ক্যান্টিন সংস্কার ও নতুন সরঞ্জাম কেনার খরচ করপোরেশন ও পৌরসভার সাধারণ তহবিল থেকে বহন করা হবে।

তামিলনাড়ুতে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খাবার নিশ্চিত করতে আম্মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকায়ন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

সি বিজয় ক্যান্টিন উন্নয়ন উদ্যোগে তামিলনাড়ুতে আম্মা ক্যান্টিনের খাবারের মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ দিল সরকার।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আম্মা ক্যান্টিনে খাবারের মান বাড়াতে বড় উদ্যোগ, অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

০৮:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় আম্মা ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান ও পরিষেবা আরও উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় রাজ্যের সব আম্মা ক্যান্টিনের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে কিছু ক্যান্টিনে খাবারের স্বাদ ও মান সন্তোষজনক নয়। সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।

খাবারের মান উন্নয়নে জোর

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যান্টিনগুলোর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত রান্নার সরঞ্জাম কেনা এবং নিয়মিত সুস্বাদু ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাতে পরিষেবায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে।

পুরনো প্রকল্পে নতুন গতি

আম্মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি প্রথম চালু হয় ২০১৩ সালে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। খুব কম দামে খাবার দেওয়ার কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এটি বড় সহায়তা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই ক্যান্টিনগুলোতে এক থেকে পাঁচ রুপির মধ্যে খাবার পাওয়া যায়। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির সময় লকডাউনের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের জন্য এই ক্যান্টিন ছিল বড় ভরসা।

সরকারি কল্যাণ প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, আগের সরকারগুলোর কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালিয়ে যাবে তার সরকার। আম্মা ক্যান্টিন উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকার জানিয়েছে, ক্যান্টিন সংস্কার ও নতুন সরঞ্জাম কেনার খরচ করপোরেশন ও পৌরসভার সাধারণ তহবিল থেকে বহন করা হবে।

তামিলনাড়ুতে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খাবার নিশ্চিত করতে আম্মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকায়ন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

সি বিজয় ক্যান্টিন উন্নয়ন উদ্যোগে তামিলনাড়ুতে আম্মা ক্যান্টিনের খাবারের মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ দিল সরকার।