০১:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আর্থিক সংকটে ব্রিটেন: আগামী নির্বাচনে কোন দল জয়ী হবে?

  • Sarakhon Report
  • ০৭:২২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
  • 189

ব্রিটেনে ৪ বিলিয়নেরও বেশি লোক বাস করে। গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা রাখে যেসব দেশ, তাদের মধ্যে আমেরিকা (১৬০ মিলিয়ন ভোটার) এবং ভারতের (৯৫০ মিলিয়ন ভোটার) বিশাল ভোটারের তুলনায় ব্রিটেনের ৪৭মিলিয়ন ভোটার তুলনামূলক কম। ব্রিটেনে কয়েক মাস পরে হতে যাচ্ছে আগামী নির্বাচন। তবে সাধারণ নির্বাচন অবশ্যই ১৭ ডিসেম্বরের পরে ডাকা হবে। সম্ভাবনা রযেছে ২০২৫ সালে নির্বাচন হওয়ার।

মুদ্রাস্ফীতির হার এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আর্থিক সংকটে রয়েছে ব্রিটেন। নির্বাচনের বিষয়ে ধীরে ধীরে বাক বদল হচ্ছে ব্রিটেনে। যেমন কনজারভেটিভরা পরপর ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে এবং লেবার পার্টি তাদের আগে একই সময়ের জন্য সরকারে ছিল। তবে আগামী নির্বাচনে আরেকটি ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। অন্তত ব্রিটিশদের জনমত জরিপ তাই বলে। ভোট নিয়ে ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ নিজস্ব পোল ট্র্যাকার তৈরি করেছে।

 

পোলিং সংস্থাগুলো নিয়মিতভাবে ব্রিটিশদের প্রতিনিধিদের নমুনা জিজ্ঞাসা করে যে “আগামী” সাধারণ নির্বাচনে তারা কীভাবে, কাকে ভোট দেবে। এই ট্র্যাকার ভোটারদের তাদের বয়স, অঞ্চল এবং ব্রেক্সিটের পছন্দসহ বেশ কয়েকটি ডেমোগ্রাফিক বিষয় যুক্ত করা হয়।

 

ট্র্যাকার দেখায় যে, লেবার পার্টি প্রায় ২০ শতাংশ পয়েন্টে, টোরি পার্টির উপর পোলে এগিয়ে আছে। ১৯৯৭ সালে স্যার টনি ব্লেয়ারের অধীনে লেবারের বিপুল বিজয়ের পর নির্বাচনের এক বছর আগে এটি সবচেয়ে বড় ব্যবধান। ব্রিটেনের ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট নির্বাচনী ব্যবস্থায় জাতীয় নির্বাচনকে সংসদের আসনে রূপান্তর করা সহজ বিষয় নয়। কিন্তু অভিন্ন জাতীয় বিষয়গুলো নির্বাচনী এলাকা জুড়ে ধ্রুবক এবং ঐতিহাসিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফলের একটি যুক্তিসঙ্গত অনুসঙ্গ।  পোল আনুযায়ী, কনজারভেটিভরা পরবর্তী নির্বাচনে তাদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আসন হারাতে পারে।

 

জনমত জরিপকে কতটুকু বিশ্বাস করা যায়?

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জরীপকারীরা অনেক বিষয় যুক্ত করেছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনে, তারা ডেভিড ক্যামেরনের অধীনে টোরিদের সমর্থনকে কম বলেছিল।২০১৭ সালে তারা জেরেমি কর্বিনের অধীনে লেবারের সমর্থনকে কম মূল্যায়ন করেছিল। গত নির্বাচনে মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ টোরি ভোটার বলেছিল, তারা আবার একই পছন্দ করবেন।

সমীক্ষায় অংশ নেয়া ব্যাক্তিরা রাজনীতিতে খুব বেশি আগ্রহী হওয়ার প্রবণতা দেখে নমুনাগুলি পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে। আসলে যারা বলে যে, তারা ভোট দেবে তারা সবসময় সেদিন তা করে না। বিষয়টিকে আরও জটিল করে, যখন পরের নির্বাচনটি নতুন সীমানায় লড়াই করা হবে। যা ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো আবার হতে যাচ্ছে।

 

জরিপে ছোটখাটো ওঠানামা দেখার বদলে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির অধ্যাপক জেন গ্রিন মনে করেন যে “ভ্রমণের দিক এবং প্রবণতা”-র দিকে মনোযোগ দেয়া বেশি যুক্তিসঙ্গত। এইভাবে দেখলে, জরিপটি কনজারভেটিভদের জন্য মোটেই ভাল বলে মনে হচ্ছে না। ২০১৯ সালের নির্বাচনে মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ টোরি ভোটার বলেছিল যে, তারা আবার দলকে ভোট দেবেন। তখন ব্রেক্সিটের প্রশ্নটি ব্রিটিশদের কনজারভেটিভদের সুবিধার জন্য উৎসাহিত করেছিল। টোরি চার-পঞ্চমাংশ ভোটারদের ভোট পেয়েছিল। জরিপে দেখা গেছে যে, অর্ধেকেরও কম ভোটার এখন তাদের ভোট দেবেন।

বয়স ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী বিভাজন। ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ৫৫% ভোটার বলেছেন যে তারা লেবারকে ভোট দেবেন। মাত্র ১৭% বলেছেন যে, তারা রক্ষণশীলকে ভোট দেবেন। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের ২৯% মানুষ বলেছেন যে, তারা লেবার পার্টিকে ভোট দেবেন। ৪০% বলেছেন যে, তারা টোরিকে ভোট দেবেন।
রিফর্ম ইউকে সমর্থন (একটি ডানপন্থী দল যা পূর্বে ব্রেক্সিট পার্টি নামে পরিচিত ছিল) গত তিন মাসে তাদের জনপ্রিয়তা ৭% থেকে ১০% এ বেড়েছে। লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা, যারা ২০১৫ সালের নির্বাচনে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল, তারা জাতীয়ভাবে ১১% এবং লন্ডন এবং ইংল্যান্ডের দক্ষিণে ১৪% সমর্থন পেয়েছে।

 

অধ্যাপক গ্রিন মনে করেন, `প্রচার শুরুর পরে নির্বাচন আরও কঠিন হয়ে উঠবে। তার মতে, ২০১৯  সালের কিছু টোরি ভোটার যারা বর্তমানে যা বলছেন সে বিষয়ে তারা সিদ্ধান্তহীন। তারা সম্ভবত দলে ফিরে আসতে পারেন। তবে এটাও মনে রাখতে হবে,মুদ্রাস্ফীতির হার এখন তার সর্বোচ্চ পর্যায় পেরিয়েছে। হিসাব থেকে কনজারভেটিভদের বাদ দেওয়া উচিত নয়। স্যার কায়ার এবং লেবারের এখনও অনেক সময় আছে।’

প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের ইচ্ছা হলে প্রয়োজনীয় তারিখের আগে নির্বাচনের দিন ঠিক করতে পারেন। তার সে সুবিধা রয়েছে। স্ট্র্যাথক্লাইড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির অধ্যাপক স্যার জন কার্টিস মনে করেন, ভোট কখন অনুষ্ঠিত হবে তা শুধু একটি বিষয় নির্ধারণ করবে। ২০২২ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব গ্রহণকারী মিঃ সুনাক ১৮ মাস বা দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে চান কিনা। “যদি তার জন্য খুব কঠিন না হয় তাহলে তিনি, তাহলে সে আরও বেশি সময়ের জন্য ক্ষমতায় থাকতে আগ্রহী হবে।”

 

দ্য ইকোনমিস্টঅবলম্বনে ইব্রাহিম নোমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট এডিটর সারাক্ষণ

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আর্থিক সংকটে ব্রিটেন: আগামী নির্বাচনে কোন দল জয়ী হবে?

০৭:২২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

ব্রিটেনে ৪ বিলিয়নেরও বেশি লোক বাস করে। গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা রাখে যেসব দেশ, তাদের মধ্যে আমেরিকা (১৬০ মিলিয়ন ভোটার) এবং ভারতের (৯৫০ মিলিয়ন ভোটার) বিশাল ভোটারের তুলনায় ব্রিটেনের ৪৭মিলিয়ন ভোটার তুলনামূলক কম। ব্রিটেনে কয়েক মাস পরে হতে যাচ্ছে আগামী নির্বাচন। তবে সাধারণ নির্বাচন অবশ্যই ১৭ ডিসেম্বরের পরে ডাকা হবে। সম্ভাবনা রযেছে ২০২৫ সালে নির্বাচন হওয়ার।

মুদ্রাস্ফীতির হার এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আর্থিক সংকটে রয়েছে ব্রিটেন। নির্বাচনের বিষয়ে ধীরে ধীরে বাক বদল হচ্ছে ব্রিটেনে। যেমন কনজারভেটিভরা পরপর ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে এবং লেবার পার্টি তাদের আগে একই সময়ের জন্য সরকারে ছিল। তবে আগামী নির্বাচনে আরেকটি ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। অন্তত ব্রিটিশদের জনমত জরিপ তাই বলে। ভোট নিয়ে ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ নিজস্ব পোল ট্র্যাকার তৈরি করেছে।

 

পোলিং সংস্থাগুলো নিয়মিতভাবে ব্রিটিশদের প্রতিনিধিদের নমুনা জিজ্ঞাসা করে যে “আগামী” সাধারণ নির্বাচনে তারা কীভাবে, কাকে ভোট দেবে। এই ট্র্যাকার ভোটারদের তাদের বয়স, অঞ্চল এবং ব্রেক্সিটের পছন্দসহ বেশ কয়েকটি ডেমোগ্রাফিক বিষয় যুক্ত করা হয়।

 

ট্র্যাকার দেখায় যে, লেবার পার্টি প্রায় ২০ শতাংশ পয়েন্টে, টোরি পার্টির উপর পোলে এগিয়ে আছে। ১৯৯৭ সালে স্যার টনি ব্লেয়ারের অধীনে লেবারের বিপুল বিজয়ের পর নির্বাচনের এক বছর আগে এটি সবচেয়ে বড় ব্যবধান। ব্রিটেনের ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট নির্বাচনী ব্যবস্থায় জাতীয় নির্বাচনকে সংসদের আসনে রূপান্তর করা সহজ বিষয় নয়। কিন্তু অভিন্ন জাতীয় বিষয়গুলো নির্বাচনী এলাকা জুড়ে ধ্রুবক এবং ঐতিহাসিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফলের একটি যুক্তিসঙ্গত অনুসঙ্গ।  পোল আনুযায়ী, কনজারভেটিভরা পরবর্তী নির্বাচনে তাদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আসন হারাতে পারে।

 

জনমত জরিপকে কতটুকু বিশ্বাস করা যায়?

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জরীপকারীরা অনেক বিষয় যুক্ত করেছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনে, তারা ডেভিড ক্যামেরনের অধীনে টোরিদের সমর্থনকে কম বলেছিল।২০১৭ সালে তারা জেরেমি কর্বিনের অধীনে লেবারের সমর্থনকে কম মূল্যায়ন করেছিল। গত নির্বাচনে মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ টোরি ভোটার বলেছিল, তারা আবার একই পছন্দ করবেন।

সমীক্ষায় অংশ নেয়া ব্যাক্তিরা রাজনীতিতে খুব বেশি আগ্রহী হওয়ার প্রবণতা দেখে নমুনাগুলি পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে। আসলে যারা বলে যে, তারা ভোট দেবে তারা সবসময় সেদিন তা করে না। বিষয়টিকে আরও জটিল করে, যখন পরের নির্বাচনটি নতুন সীমানায় লড়াই করা হবে। যা ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো আবার হতে যাচ্ছে।

 

জরিপে ছোটখাটো ওঠানামা দেখার বদলে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির অধ্যাপক জেন গ্রিন মনে করেন যে “ভ্রমণের দিক এবং প্রবণতা”-র দিকে মনোযোগ দেয়া বেশি যুক্তিসঙ্গত। এইভাবে দেখলে, জরিপটি কনজারভেটিভদের জন্য মোটেই ভাল বলে মনে হচ্ছে না। ২০১৯ সালের নির্বাচনে মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ টোরি ভোটার বলেছিল যে, তারা আবার দলকে ভোট দেবেন। তখন ব্রেক্সিটের প্রশ্নটি ব্রিটিশদের কনজারভেটিভদের সুবিধার জন্য উৎসাহিত করেছিল। টোরি চার-পঞ্চমাংশ ভোটারদের ভোট পেয়েছিল। জরিপে দেখা গেছে যে, অর্ধেকেরও কম ভোটার এখন তাদের ভোট দেবেন।

বয়স ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী বিভাজন। ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ৫৫% ভোটার বলেছেন যে তারা লেবারকে ভোট দেবেন। মাত্র ১৭% বলেছেন যে, তারা রক্ষণশীলকে ভোট দেবেন। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের ২৯% মানুষ বলেছেন যে, তারা লেবার পার্টিকে ভোট দেবেন। ৪০% বলেছেন যে, তারা টোরিকে ভোট দেবেন।
রিফর্ম ইউকে সমর্থন (একটি ডানপন্থী দল যা পূর্বে ব্রেক্সিট পার্টি নামে পরিচিত ছিল) গত তিন মাসে তাদের জনপ্রিয়তা ৭% থেকে ১০% এ বেড়েছে। লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা, যারা ২০১৫ সালের নির্বাচনে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল, তারা জাতীয়ভাবে ১১% এবং লন্ডন এবং ইংল্যান্ডের দক্ষিণে ১৪% সমর্থন পেয়েছে।

 

অধ্যাপক গ্রিন মনে করেন, `প্রচার শুরুর পরে নির্বাচন আরও কঠিন হয়ে উঠবে। তার মতে, ২০১৯  সালের কিছু টোরি ভোটার যারা বর্তমানে যা বলছেন সে বিষয়ে তারা সিদ্ধান্তহীন। তারা সম্ভবত দলে ফিরে আসতে পারেন। তবে এটাও মনে রাখতে হবে,মুদ্রাস্ফীতির হার এখন তার সর্বোচ্চ পর্যায় পেরিয়েছে। হিসাব থেকে কনজারভেটিভদের বাদ দেওয়া উচিত নয়। স্যার কায়ার এবং লেবারের এখনও অনেক সময় আছে।’

প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের ইচ্ছা হলে প্রয়োজনীয় তারিখের আগে নির্বাচনের দিন ঠিক করতে পারেন। তার সে সুবিধা রয়েছে। স্ট্র্যাথক্লাইড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির অধ্যাপক স্যার জন কার্টিস মনে করেন, ভোট কখন অনুষ্ঠিত হবে তা শুধু একটি বিষয় নির্ধারণ করবে। ২০২২ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব গ্রহণকারী মিঃ সুনাক ১৮ মাস বা দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে চান কিনা। “যদি তার জন্য খুব কঠিন না হয় তাহলে তিনি, তাহলে সে আরও বেশি সময়ের জন্য ক্ষমতায় থাকতে আগ্রহী হবে।”

 

দ্য ইকোনমিস্টঅবলম্বনে ইব্রাহিম নোমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট এডিটর সারাক্ষণ